ঢাকা, বাংলাদেশ। , বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

কুষ্টিয়ায় টোল আদায় বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন ও অবরোধ, যানজটে দুর্ভোগ

উজ্জ্বল মাহমুদ, কুষ্টিয়া :
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৭:৫৮:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ জুন ২০২৫
  • / ৫১ বার পঠিত
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে সৈয়দ মাসুদ রুমী সেতুর টোল আদায় বন্ধের দাবিতে সড়ক অবরোধ ও মানববন্ধন করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতা। ২৯ ই জুন রোববার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত সেতুর টোলপ্লাজা এলাকায় এই কর্মসূচি পালন করা হয়।
অবরোধের কারণে সেতুর দুই পাশে ৮-১০ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়। ফলে যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। অনেকে গাড়ি থেকে নেমে হেঁটেই সেতু পার হন।
খবর পেয়ে কুমারখালী ইউএনও এস এম মিকাইল ইসলাম, সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ মনজুরুল করিম ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। আশ্বাস পেয়ে বিক্ষোভকারীরা অবরোধ তুলে নিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
আন্দোলনকারীদের দাবি, সেতুর নির্মাণ ব্যয় অনেক আগেই উঠে গেছে। এরপরও টোল আদায় জনসাধারণের সঙ্গে অন্যায়। সেতুটি ২০০৪ সালে গড়াই নদীর ওপর ৩৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়। গত বছরও টোল আদায় বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ হয়, তখন থেকেই আদায় বন্ধ রয়েছে।
সওজ জানায়, টোল আদায় বন্ধ থাকায় সরকার ইতোমধ্যে প্রায় ১১ কোটি টাকা রাজস্ব হারিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত আসছে দুই দিনের মধ্যে বলে জানিয়েছেন কুষ্টিয়া সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী।
এদিকে উপজেলা  প্রশাসন  কর্মকর্তা  জানিয়েছে, বিষয়টি জেলা প্রশাসকসহ ঊর্ধ্বতন মহলে জানানো হয়েছে এবং পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

কুষ্টিয়ায় টোল আদায় বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন ও অবরোধ, যানজটে দুর্ভোগ

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৭:৫৮:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ জুন ২০২৫
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে সৈয়দ মাসুদ রুমী সেতুর টোল আদায় বন্ধের দাবিতে সড়ক অবরোধ ও মানববন্ধন করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতা। ২৯ ই জুন রোববার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত সেতুর টোলপ্লাজা এলাকায় এই কর্মসূচি পালন করা হয়।
অবরোধের কারণে সেতুর দুই পাশে ৮-১০ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়। ফলে যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। অনেকে গাড়ি থেকে নেমে হেঁটেই সেতু পার হন।
খবর পেয়ে কুমারখালী ইউএনও এস এম মিকাইল ইসলাম, সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ মনজুরুল করিম ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। আশ্বাস পেয়ে বিক্ষোভকারীরা অবরোধ তুলে নিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
আন্দোলনকারীদের দাবি, সেতুর নির্মাণ ব্যয় অনেক আগেই উঠে গেছে। এরপরও টোল আদায় জনসাধারণের সঙ্গে অন্যায়। সেতুটি ২০০৪ সালে গড়াই নদীর ওপর ৩৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়। গত বছরও টোল আদায় বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ হয়, তখন থেকেই আদায় বন্ধ রয়েছে।
সওজ জানায়, টোল আদায় বন্ধ থাকায় সরকার ইতোমধ্যে প্রায় ১১ কোটি টাকা রাজস্ব হারিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত আসছে দুই দিনের মধ্যে বলে জানিয়েছেন কুষ্টিয়া সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী।
এদিকে উপজেলা  প্রশাসন  কর্মকর্তা  জানিয়েছে, বিষয়টি জেলা প্রশাসকসহ ঊর্ধ্বতন মহলে জানানো হয়েছে এবং পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে।