ঢাকা, বাংলাদেশ।
,
বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
তাজা খবর
কৃষকের ন্যায্য মূল্য কোথায় যায়?
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত
ছদ্মবেশী অস্ত্র ‘পেনগান’
ব্যাংকিং খাতে আস্থা সংকট
যশোরে কৃত্রিম তেল সংকটে দিশেহারা চালক ও সাধারণ মানুষ
জ্বালানি সঙ্কটের মধ্যেই অস্ট্রেলিয়ার তেল শোধনাগারে ভয়াবহ আগুন
ফুয়েল পাস নিতে নিবন্ধনের নিয়ম
গ্রামীণ আবহ আর কারুপণ্যের সম্ভার নিয়ে চলছে বৈশাখী মেলা
কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আশা ভোসলে মারা গেছেন
বরেণ্য গীতিকবি,সুরকার,লেখক ও সংগীত গুরু ইউনুস আলী মোল্লার
গোবিন্দগঞ্জে ইউপি চেয়ারম্যানের মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল

প্রতিবেদক
- সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৭:২২:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৫
- / ৫৭ বার পঠিত

গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা) :গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেফতার হওয়ার কান্নায় ভেঙে পরেন স্থানীয় এলাকাবাসী।সাওতাল পল্লিতে অগ্নিসংযোগ এবং নারী নির্যাতনের দায়ে গত ৮ জানুয়ারী ঢাকা থেকে আটক হন গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের রাজাহার ইউনিয়ন চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম। তার মুক্তি দাবিতে রাজাবিরাট বাজারে মানববন্ধন করেন স্থানীয় এলাকাবাসী। মানববন্ধন শেষে চেয়ারম্যানের মুক্তির দাবিতে একটি বিক্ষোভ মিছিল বেড় হয়। মিছিলে চেয়ারম্যানের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করা হয়। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, চেয়ারম্যান শুধু জনপ্রনিধি নয় তিনি একজন শিক্ষক। গত ৩ জানুয়ারী নিজের ক্রয়কৃত জমিতে মাটি ফেলছিল ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল, তখন স্থানীয় সাঁওতালরা উক্ত জমি নিজেদের দাবি করে মাটি ফেলতে বাধা দেয়। চেয়ারম্যান বিষয়টি জানার জন্য আসে, পরে বাক বিতন্ডার একপর্যায়ে হাতা হাতি হয়। ইউনিয়নবাসীর দাবি সাঁওতালরা পরিকল্পিত ভাবে চেয়ারম্যানকে ফাঁসিয়েছে। তারা বলেন আমাদের চেয়ারম্যান একজন ভাল মানুষ সে কখন কারো গায়ে হাত দিতে পারে না এবং কারো বাড়ীতে অগ্নিসংযোগ করতে পারে না এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। আমরা চেয়ারম্যানের নিঃশর্ত মুক্তি চাই। গত শুক্রবার (৩ জানুয়ারী) সকালে গোবিন্দগঞ্জের রাজাবিরাট গ্রামের ক্রয়কৃত জমিতে মাটি ভরাট করছিলেন রাজাহার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম। মাটি ভরাট করা দেখে হঠাৎ কয়েকজন সাঁওতাল যুবক বাধা দেন। পরে বাগবিতন্ডার এক পর্যায়ে হাতাহাতি হয় । এ ঘটনায় গোবিন্দগঞ্জ থানায় নারী নির্যাতন ও জমিদখলের দায়ে রাজাহার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলামকে প্রধান করে, ৬ জন ও অজ্ঞাত আরও ২০/২৫ জননের নামে মামলা হয়।৮ জানুয়ারী উচ্চ আদালতে জামিন নিতে ঢাকায় গেলে সেখান থেকে আটক করে গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশ। চেয়ারম্যান আটকের ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে রাজাবিরাট বাজারে এক বিশাল মানবববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। তাদের দাবি পরিকল্পিত ভাবে ইউপি চেয়ারম্যানকে ফাঁসিয়েছে সাওতালরা। আদিবাসী ট্যাগ লাগিয়ে তারা যা-ইচ্ছা তাই করছে। এসময় বক্তব্য রাখেন চেয়ারম্যানের স্ত্রী মোছাঃ মনোয়ারা বেগম তিনি বলেন, আমাার স্বামী একজন শিক্ষক দির্ঘদিন শিক্ষকতা করেছেন। তিনি কারো গায়ে হাত দিবে এটা আমরা বিশ্বাস করি না। আমার স্বামীকে সাওতালরা মারধর করে এবং টাকা ছিনিয়ে নেয়। স্থানীয় পলাশ বলেন,বিগত সরকারের আমলে সাওতাল,হিন্দু,খ্রিষ্টান,মুসলমা ন দলমত নির্বিশেষে সকলে ভোট দিয়ে তাকে চেয়ারম্যান নির্বাাচিত করে। তিনি ভাল মানুষ না হলে জাতীয়তবাদী দলের একজন কর্মি হয়ে চেয়ারম্যান হতে পারতো না। তাই আমরা আমাদের চেয়ারম্যানকে ফেরত চাই, নিঃশর্ত মুক্তি চাই।
আরও পড়ুন:






















