ঢাকা, বাংলাদেশ।
,
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
তাজা খবর
কৃষকের ন্যায্য মূল্য কোথায় যায়?
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত
ছদ্মবেশী অস্ত্র ‘পেনগান’
ব্যাংকিং খাতে আস্থা সংকট
যশোরে কৃত্রিম তেল সংকটে দিশেহারা চালক ও সাধারণ মানুষ
জ্বালানি সঙ্কটের মধ্যেই অস্ট্রেলিয়ার তেল শোধনাগারে ভয়াবহ আগুন
ফুয়েল পাস নিতে নিবন্ধনের নিয়ম
গ্রামীণ আবহ আর কারুপণ্যের সম্ভার নিয়ে চলছে বৈশাখী মেলা
কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আশা ভোসলে মারা গেছেন
বরেণ্য গীতিকবি,সুরকার,লেখক ও সংগীত গুরু ইউনুস আলী মোল্লার
৭ গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ চরম ভোগান্তিতে
গোয়ালন্দে গ্রামীণ সড়কের কাজ দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ

রাজু আহমেদ, রাজবাড়ী
- সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৯:৫৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
- / ১০ বার পঠিত

রাজু আহমেদ, রাজবাড়ী: রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) নির্মাণাধীন একটি গ্রামীণ সড়কের কাজ দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকায় ৭ গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়েছেন। অভিযোগ উঠেছে নতুন রাস্তা নির্মাণের জন্য প্রায় এক বছর আগে পুরাতন রাস্তা খুঁড়ে ফেলে কোনরকম ম্যাকাডোম কাজ করে বন্ধ করে দেন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ফলে এ অঞ্চলের মানুষকে প্রতিদিনই নানান দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, দৌলতদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ থেকে তোরাপ শেখের পাড়া হয়ে রেল লাইন পর্যন্ত নির্মাণকাজ দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। সড়কে বিভিন্ন স্থানে গভীর গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় যানবাহন চলাচল প্রায় অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ফলে দুর্ভোগ নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ, ভূমি অফিস, ইউনিয়নের সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে ও গোয়ালন্দ বাজার যেতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। জরুরি প্রয়োজনে অ্যাম্বুলেন্সও এসব গ্রামে প্রবেশ করতে অনেক ঝাকুনি খেতে হয়।
এলজিইডি সূত্র জানায়, ফকির পাড়ার এই রাস্তাটি আমফাম প্রজেক্ট থেকে করা হচ্ছে। রাস্তাটির উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ২ কোটি ৩৭ লাখ টাকার ব্যয়ে সড়কটির নির্মাণকাজ পেয়েছে মেসার্স জাকাউল্লাহ ব্রাদার্স নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। তাদের কাছ থেকে কাজটি কিনে চলমান কাজ করছেন সালাউদ্দিন চৌধুরী ।
কাজের মেয়াদ ১ বছর পার হয়ে গেলেও রাস্তাটির সম্পূর্ণ শেষ করতে পারেনি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। এদিকে এলজি কর্মকর্তারা দায় এড়িয়ে কাজ করছে। কর্মকর্তাদের ভূমিকা অনেকটা নিরব। যে জন্যই কাজের ধীরগতি চলছে বলে এলাকাবাসী মনে করেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, এক বছর আগে রাস্তায় ইটের খোয়া রেখে চলে গেছে। এখন বড় কোনো গাড়ি আমাদের গ্রামে ঢুকতেই পারে না। অথচ কাজের কোনো অগ্রগতি নেই। আমরা দ্রুত এর সমাধান চাই।
স্থানীয় বাসিন্দারা আরো জানান, ঠিকাদারের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। এবং কাজের সমাধান করুন।
গোয়ালন্দ উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী ফয়সাল জাহাঙ্গীর স্বপ্নীল বলেন, ঠিকাদারকে বারবার চিঠি পাঠানো হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। বর্তমান বিটুমিনের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে হয়তো তারা ওয়েট এন্ড সি পদ্ধতি অবলম্বন করতে চাচ্ছে। এই ধরনের কোন সুযোগ আমরা দেব না অলরেডি আমরা তিনটা চিঠি দিয়েছি। এরপরও তিনি এক মাসের মধ্যে কাজ চূড়ান্তভাবে শেষ না করে। তাহলে আমরা কাজটি বাতিলের জন্য সুপারিশ জানাবো।


















