ঢাকা, বাংলাদেশ। , শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট, নিত্যপণ্যে ঊর্ধ্বমুখী চাপ

মোঃ আরিফুর রহমান
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ১০:৩৬:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১২ বার পঠিত
মোঃ আরিফুর রহমান: জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাবে রাজধানীর নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা আরও বেড়েছে। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে চাল, ডিম, সয়াবিন তেল, আটা ও ময়দাসহ প্রায় সব প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় হঠাৎ করেই বৃদ্ধি পেয়েছে।
সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি তৈরি করেছে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট। বাজারের অনেক দোকানেই এই তেল পাওয়া যাচ্ছে না, আবার কোথাও সীমিত পরিমাণে বিক্রি হচ্ছে। খোলা সয়াবিন তেল কিছু জায়গায় মিললেও এর দাম তুলনামূলক বেশি। ফলে ক্রেতারা বাধ্য হয়ে উচ্চমূল্যের ক্যানোলা তেল কিনছেন, যা নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য বাড়তি আর্থিক চাপ সৃষ্টি করছে।
মুরগির বাজারে আংশিক স্বস্তি ফিরলেও পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। সোনালী মুরগির দাম কিছুটা কমেছে, তবে দেশি মুরগি এখনও প্রতি কেজি প্রায় ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা অনেকের নাগালের বাইরে রয়ে গেছে।
এদিকে, আসন্ন কুরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে গরুর মাংসের দাম অযৌক্তিকভাবে বাড়ানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিক্রেতারা বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে বেশি দামে মাংস বিক্রি করছেন বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা।
অন্যদিকে ডিমের বাজারেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি ডজন ডিমের দাম ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেছে, যা সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন ব্যয়ে নতুন করে চাপ সৃষ্টি করছে।
এমন পরিস্থিতিতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সাধারণ ক্রেতারা

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট, নিত্যপণ্যে ঊর্ধ্বমুখী চাপ

সর্বশেষ পরিমার্জন: ১০:৩৬:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
মোঃ আরিফুর রহমান: জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাবে রাজধানীর নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা আরও বেড়েছে। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে চাল, ডিম, সয়াবিন তেল, আটা ও ময়দাসহ প্রায় সব প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় হঠাৎ করেই বৃদ্ধি পেয়েছে।
সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি তৈরি করেছে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট। বাজারের অনেক দোকানেই এই তেল পাওয়া যাচ্ছে না, আবার কোথাও সীমিত পরিমাণে বিক্রি হচ্ছে। খোলা সয়াবিন তেল কিছু জায়গায় মিললেও এর দাম তুলনামূলক বেশি। ফলে ক্রেতারা বাধ্য হয়ে উচ্চমূল্যের ক্যানোলা তেল কিনছেন, যা নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য বাড়তি আর্থিক চাপ সৃষ্টি করছে।
মুরগির বাজারে আংশিক স্বস্তি ফিরলেও পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। সোনালী মুরগির দাম কিছুটা কমেছে, তবে দেশি মুরগি এখনও প্রতি কেজি প্রায় ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা অনেকের নাগালের বাইরে রয়ে গেছে।
এদিকে, আসন্ন কুরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে গরুর মাংসের দাম অযৌক্তিকভাবে বাড়ানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিক্রেতারা বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে বেশি দামে মাংস বিক্রি করছেন বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা।
অন্যদিকে ডিমের বাজারেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি ডজন ডিমের দাম ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেছে, যা সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন ব্যয়ে নতুন করে চাপ সৃষ্টি করছে।
এমন পরিস্থিতিতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সাধারণ ক্রেতারা