ঢাকা, বাংলাদেশ। , শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

গোলয়া দূর্গা মন্দিরে মহানাম যজ্ঞ ও লীলা কীর্তন শুরু

প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:২৪:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৫
  • / ৭৭ বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্টার: বিশ্বের সকল মানুষের শান্তি ও মঙ্গল কামনায় গাজীপুরের কালিয়াকৈরে গোলয়া দূর্গা মন্দির প্রাঙ্গনে ২০ তম বার্ষিক  ১৬ প্রহর ব্যাপী শ্রী শ্রী তারকব্রহ্ম মহানাম যজ্ঞ ও শ্রী রাধা গোবিন্দের অষ্ট কালীন লীলা কীর্তন  শুরু হয়েছে। কুঞ্জ পূজারী চাঁন মোহন রায়, ২৮ জানুয়ারী শ্রীমদ্ভাগবত পাঠ, শুভ অধিবাস কীর্তন ও মঙ্গলঘট স্হাপন।

শ্রীমদ্ভাগবত পাঠ করেন প্রকৌশলী কৃষ্ণ দয়াল রায়, ২৯ তারিখ বুধবার ভোর থেকে ৩০ জানুয়ারী  বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ১৬ প্রহর ব্যাপী  শ্রী শ্রী তারকব্রহ্ম মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠান। মহানাম পরিবেশ করবেন সত্য নারায়ন সম্প্রদায় ( সাতক্ষীরা), জয় গুরু সেবা সংঘ ( কিশোরগঞ্জ), বিবেকানন্দ সম্প্রদায় ( সাতক্ষীরা), মহামায়া সম্প্রদায় ( বাগেরহাট), মিনুশ্রী সম্প্রদায় ( গাজীপুর), রাধা গোবিন্দ সম্প্রদায় ( বাগেরহাট)। ড. চিত্ত রঞ্জন রায় জানান, শান্তি, সম্প্রীতি ও পাপ থেকে  মুক্তির একমাত্র পথ হরিনাম কীর্তন।  হরিনাম কীর্তনের মাধ্যমে বিশ্বের সকল মানুষের শান্তি কামনা করা হয় ।

কলিযুগে জীবের দুঃখ মোচন ও শান্তি অর্জনের একমাএ উপায় হরিনাম সংকীর্তন। জীব ও জগতের কল্যাণ কামনায় প্রতি  বছর গোলয়া দূর্গা মন্দির প্রাঙ্গনে ১৬ প্রহরব্যাপী মহানাম যজ্ঞ অনুষ্ঠিত হবে।  ৩১ জানুয়ারি শুক্রবার  শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দের অষ্ট কালীন লীলা কীর্তন। লীলা কীর্তন পরিবেশন করবেন ধর্মদাস সরকার (সাতক্ষীরা), লাবনী সরকার ( গাজীপুর), খোকন সরকার ( নওগাঁ)। পরে মহাপ্রভুর ভোগ ও প্রসাদ বিতরন। ১ ফেরুয়ারি কুঞ্জভঙ্গ, দধি মঙ্গল, জলকেলি ও মহন্ত বিদায়ের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানে সমাপ্তি হবে।
গোলয়া গ্রামের শিক্ষক খুশী মোহন রায় জানান, দূর দূরান্ত থেকে ভক্তরা  এসে কীর্তন শোনেন ও প্রসাদ গ্রহন করেন। হিন্দুধর্মের মানুষ বিশ্বাস করেন,  হরে কৃষ্ণ মন্ত্র জপ করা আমাদের ঐশ্বরিক শান্তি সাথে সংযোগ স্থাপন করতে সাহায্য করে।

অনুষ্ঠানে শত শত মানুষের উপস্থিতিতে কীর্তন হয়ে উঠেছে উৎসবমুখর। হরে কৃষ্ণ নাম শ্রবন করলে ইহলোকে পাপ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। যা আমাদের অবাঞ্চিত উদ্বেগজনক চিন্তার পরিবর্তে ইতিবাচক  দিকে মনোনিবেশ করার সম্ভাবনা করে দেয়। হরে কৃষ্ণ মন্ত্র জপ করলে পাপ থেকে  মুক্তির পথ পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

গোলয়া দূর্গা মন্দিরে মহানাম যজ্ঞ ও লীলা কীর্তন শুরু

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:২৪:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার: বিশ্বের সকল মানুষের শান্তি ও মঙ্গল কামনায় গাজীপুরের কালিয়াকৈরে গোলয়া দূর্গা মন্দির প্রাঙ্গনে ২০ তম বার্ষিক  ১৬ প্রহর ব্যাপী শ্রী শ্রী তারকব্রহ্ম মহানাম যজ্ঞ ও শ্রী রাধা গোবিন্দের অষ্ট কালীন লীলা কীর্তন  শুরু হয়েছে। কুঞ্জ পূজারী চাঁন মোহন রায়, ২৮ জানুয়ারী শ্রীমদ্ভাগবত পাঠ, শুভ অধিবাস কীর্তন ও মঙ্গলঘট স্হাপন।

শ্রীমদ্ভাগবত পাঠ করেন প্রকৌশলী কৃষ্ণ দয়াল রায়, ২৯ তারিখ বুধবার ভোর থেকে ৩০ জানুয়ারী  বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ১৬ প্রহর ব্যাপী  শ্রী শ্রী তারকব্রহ্ম মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠান। মহানাম পরিবেশ করবেন সত্য নারায়ন সম্প্রদায় ( সাতক্ষীরা), জয় গুরু সেবা সংঘ ( কিশোরগঞ্জ), বিবেকানন্দ সম্প্রদায় ( সাতক্ষীরা), মহামায়া সম্প্রদায় ( বাগেরহাট), মিনুশ্রী সম্প্রদায় ( গাজীপুর), রাধা গোবিন্দ সম্প্রদায় ( বাগেরহাট)। ড. চিত্ত রঞ্জন রায় জানান, শান্তি, সম্প্রীতি ও পাপ থেকে  মুক্তির একমাত্র পথ হরিনাম কীর্তন।  হরিনাম কীর্তনের মাধ্যমে বিশ্বের সকল মানুষের শান্তি কামনা করা হয় ।

কলিযুগে জীবের দুঃখ মোচন ও শান্তি অর্জনের একমাএ উপায় হরিনাম সংকীর্তন। জীব ও জগতের কল্যাণ কামনায় প্রতি  বছর গোলয়া দূর্গা মন্দির প্রাঙ্গনে ১৬ প্রহরব্যাপী মহানাম যজ্ঞ অনুষ্ঠিত হবে।  ৩১ জানুয়ারি শুক্রবার  শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দের অষ্ট কালীন লীলা কীর্তন। লীলা কীর্তন পরিবেশন করবেন ধর্মদাস সরকার (সাতক্ষীরা), লাবনী সরকার ( গাজীপুর), খোকন সরকার ( নওগাঁ)। পরে মহাপ্রভুর ভোগ ও প্রসাদ বিতরন। ১ ফেরুয়ারি কুঞ্জভঙ্গ, দধি মঙ্গল, জলকেলি ও মহন্ত বিদায়ের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানে সমাপ্তি হবে।
গোলয়া গ্রামের শিক্ষক খুশী মোহন রায় জানান, দূর দূরান্ত থেকে ভক্তরা  এসে কীর্তন শোনেন ও প্রসাদ গ্রহন করেন। হিন্দুধর্মের মানুষ বিশ্বাস করেন,  হরে কৃষ্ণ মন্ত্র জপ করা আমাদের ঐশ্বরিক শান্তি সাথে সংযোগ স্থাপন করতে সাহায্য করে।

অনুষ্ঠানে শত শত মানুষের উপস্থিতিতে কীর্তন হয়ে উঠেছে উৎসবমুখর। হরে কৃষ্ণ নাম শ্রবন করলে ইহলোকে পাপ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। যা আমাদের অবাঞ্চিত উদ্বেগজনক চিন্তার পরিবর্তে ইতিবাচক  দিকে মনোনিবেশ করার সম্ভাবনা করে দেয়। হরে কৃষ্ণ মন্ত্র জপ করলে পাপ থেকে  মুক্তির পথ পাওয়া যায়।