ঢাকা, বাংলাদেশ। , বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

ছাত্রদল নেতাকে হত্যা মামলার আসামি করায় রাজনৈতিক মহলে তীব্র নিন্দা

সোহাগ ইসলাম, মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর)
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:০৮:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ৭৭ বার পঠিত
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নির্যাতিত ছাত্রদল নেতা সোহেল আহম্মেদ রুবেলকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাসহ একটি হত্যা মামলার আসামি করায় রাজনৈতিক মহলে তীব্র নিন্দার সৃষ্টি হয়েছে।
সোহেল আহম্মেদ রুবেল পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এবং মো. মহারাজ মিয়ার ছেলে। অথচ মামলায় তার ঠিকানা হিসেবে ঢাকা উত্তরা দেখানো হয়েছে, যা তিনি সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে দাবি করেন।
তিনি মঠবাড়িয়া পৌর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং পিরোজপুর জেলা ছাত্রদলের সদ্য সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ২০১৫ সালে দলীয় কর্মসূচি শেষে ফেরার পথে তিনি আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসীদের হামলায় গুরুতর আহত হন।
গত ২৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার আদালতে দায়ের করা একটি হত্যা মামলায় তাকে ১৩২ নম্বর আসামি করা হয়। রুবেল দাবি করেন, তিনি কখনো উত্তরা যাননি এবং ঘটনার দিন মঠবাড়িয়ায় অবস্থান করছিলেন, যার ভিডিও প্রমাণ সামাজিক মাধ্যমে রয়েছে। তিনি এ ঘটনাকে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বলে উল্লেখ করে দলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ ঘটনায় জেলা ও উপজেলা ছাত্রদল ও বিএনপি নেতারা গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, আদালতের নির্দেশে মামলা এজাহারভুক্ত করা হয়েছে এবং তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

ছাত্রদল নেতাকে হত্যা মামলার আসামি করায় রাজনৈতিক মহলে তীব্র নিন্দা

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:০৮:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নির্যাতিত ছাত্রদল নেতা সোহেল আহম্মেদ রুবেলকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাসহ একটি হত্যা মামলার আসামি করায় রাজনৈতিক মহলে তীব্র নিন্দার সৃষ্টি হয়েছে।
সোহেল আহম্মেদ রুবেল পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এবং মো. মহারাজ মিয়ার ছেলে। অথচ মামলায় তার ঠিকানা হিসেবে ঢাকা উত্তরা দেখানো হয়েছে, যা তিনি সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে দাবি করেন।
তিনি মঠবাড়িয়া পৌর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং পিরোজপুর জেলা ছাত্রদলের সদ্য সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ২০১৫ সালে দলীয় কর্মসূচি শেষে ফেরার পথে তিনি আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসীদের হামলায় গুরুতর আহত হন।
গত ২৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার আদালতে দায়ের করা একটি হত্যা মামলায় তাকে ১৩২ নম্বর আসামি করা হয়। রুবেল দাবি করেন, তিনি কখনো উত্তরা যাননি এবং ঘটনার দিন মঠবাড়িয়ায় অবস্থান করছিলেন, যার ভিডিও প্রমাণ সামাজিক মাধ্যমে রয়েছে। তিনি এ ঘটনাকে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বলে উল্লেখ করে দলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ ঘটনায় জেলা ও উপজেলা ছাত্রদল ও বিএনপি নেতারা গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, আদালতের নির্দেশে মামলা এজাহারভুক্ত করা হয়েছে এবং তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।