
আশীষ বিশ্বাস, জলঢাকা (নীলফামারী) প্রতিনিধি
নীলফামারীর জলঢাকায় গবাদিপশুর মারাত্মক সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে ‘পিপিআর রোগ নির্মূল ও ক্ষুরা রোগ নিয়ন্ত্রণ (৩য় সংশোধিত)’ প্রকল্পের আওতায় ব্যাপক টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ কর্মসূচির অধীনে উপজেলার ০৩ থেকে ১২ মাস বয়সী সকল ছাগল ও ভেড়াকে পিপিআর প্রতিষেধক টিকার ৪র্থ ডোজ প্রদান করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (বা সংশ্লিষ্ট বার) উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের আয়োজনে দপ্তর প্রাঙ্গণে এ টিকাদান কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন জলঢাকা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জনাব জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপি। জলঢাকা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সুমী বেগম-এর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, “গ্রামীণ অর্থনীতিতে ছাগল ও ভেড়া পালন একটি অন্যতম বড় আয়ের উৎস। পিপিআর রোগ প্রতিরোধে সময়মতো টিকা প্রদান করা হলে খামারি ও সাধারণ কৃষকরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পাবেন।”
সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সুমী বেগম জানান, পিপিআর একটি অত্যন্ত মারণঘাতী ও সংক্রামক ব্যাধি। তবে সঠিক সময়ে প্রতিষেধক টিকা নিশ্চিত করতে পারলে এই রোগ সম্পূর্ণ নির্মূল করা সম্ভব। তিনি উপজেলার সকল ছাগল ও ভেড়া খামারি এবং চাষীদের নিকটস্থ টিকাদান কেন্দ্রে এসে স্বতঃস্ফূর্তভাবে পশুদের টিকা দেওয়ার আহ্বান জানান।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এই ৪র্থ ডোজের টিকাদান কর্মসূচি উপজেলার প্রান্তিক পর্যায় পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে পরিচালনা করা হবে বলে দপ্তর সূত্রে জানা গেছে।

নাগরিক ডেস্ক রিপোর্ট 










