ঢাকা, বাংলাদেশ।
,
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
তাজা খবর
“কানাডার এমপি নির্বাচনে জয়ী ডলি বেগমকে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র অভিনন্দন
উৎসব আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হলো ১৪৪ তম খুলনা দিবস!
চট্রগ্রামের জব্বারের বলি খেলায় হ্যাট্রিক চ্যাম্পিয়ন হোমনার বাঘা শরীফ
কৃষকের ন্যায্য মূল্য কোথায় যায়?
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত
ছদ্মবেশী অস্ত্র ‘পেনগান’
ব্যাংকিং খাতে আস্থা সংকট
যশোরে কৃত্রিম তেল সংকটে দিশেহারা চালক ও সাধারণ মানুষ
জ্বালানি সঙ্কটের মধ্যেই অস্ট্রেলিয়ার তেল শোধনাগারে ভয়াবহ আগুন
ফুয়েল পাস নিতে নিবন্ধনের নিয়ম
সঞ্চয় সমিতির টাকা–কেলেঙ্কারি
জাগরণ যুব উন্নয়ন সংস্থার হিসাব গায়েব, থানায় অভিযোগ

মোঃ সাদিকুল ইসলাম, বগুড়া
- সর্বশেষ পরিমার্জন: ০১:৪০:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫
- / ২২ বার পঠিত

বগুড়ার শাজাহানপুরে জাগরণ যুব উন্নয়ন সংস্থা নামে একটি সঞ্চয় সমিতির টাকা নিয়ে ব্যাপক অনিয়ম, হিসাব গোপন, টাকা আত্মসাৎ ও সদস্যদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মারিয়া উত্তরপাড়ার রানা বাবু শাজাহানপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ডেমাজানী দক্ষিণপাড়ায় নিবন্ধিত (নং: বগুড়া-৮৭/২০২০) সমিতিটি শুরুতে সভাপতি, সেক্রেটারি, ক্যাশিয়ারসহ ১০ সদস্যের একটি বডির মাধ্যমে পরিচালিত হতো। সাধারণ সদস্য সংখ্যা প্রায় ৭৫ থেকে ৮০ জন। বডির প্রতিটি সদস্যের কাছ থেকে ১৫ হাজার টাকা জামানত, আর সাধারণ সদস্যদের কাছ থেকে কারো ৮৫০০/-কারো কাছে ১২ হাজার ৫০০ আবার কোন কোন সদস্য কাছে থেকে ১৬০০০ হহাজার টাকা পর্যন্ত সঞ্চয় নেওয়া হয়।
সঞ্চয়ের টাকা ‘মুনাফায় ব্যবহৃত’ হলেও এর কোনো হিসাব সদস্যদের দেখানো হয়নি। অর্থ কোথায় গেল—তা কেউ জানে না।
সাজ্জাদের এর হাতে পুরো সমিতি প্রচালিত হতো সে এলাকায় আওয়ামীলীগ এর বিভিন্ন্য নেতার ক্ষমতার ডাপট দেখিয়ে পদ দখল করেন তার চলাফেড়া টাই ছিলো বেশির ভাগই আওয়ামীলীগ নেতার পিছনে
অভিযোগে বলা হয়েছে, সময়ের সঙ্গে অন্যদের সরিয়ে দিয়ে মোঃ সাজ্জাদ হোসেন একাই সভাপতির পাশাপাশি সেক্রেটারি ও ক্যাশিয়ার সকল দায়িত্বই নিজের হাতে নেন।
এর ফলে সমিতির খাতা–বই, টাকা উত্তোলন, জমা–সবকিছুর একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ তাঁর হাতে চলে যায়।
সদস্যরা হিসাব চাইলে কেউ কোনো উত্তর পাননি।
হিসাব চাইতে গিয়ে মারধর
৪ ডিসেম্বর বিকেল ৪ টার দিকে রানা বাবুসহ বডির কয়েকজন ও অন্যান্য সদস্য টাকার হিসাব জানতে সাজ্জাদের অফিসে গেলে সাজ্জাদ এবং তাঁর সহযোগী মিল্লাত ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। গালিগালাজের একপর্যায়ে সাজ্জাদ স্থানীয় জয়দেব কুমার পালকে মারধর করে আহত করেন—অভিযোগে বলা হয়েছে।
হামলার পর অভিযুক্তদের বক্তব্য ছিল—
“কোনো টাকা পাবেন না। বেশি চাপ দিলে দেখে নেব।”
স্থানীয়দের বক্তব্য: ‘সমিতির টাকা উঠেছে, হিসাব উধাও’
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে মোঃ বাদল, শ্রী নকুল কুমার, মামুদ, আবিদুর, ফয়জাল, মোঃ সবুজ, মোঃ বেল্লাল, মোঃ আবেদালী, মোঃ হেলাল, মোঃ শামীমসহ বেশ কয়েকজনের নাম অভিযোগে যুক্ত রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ,
“সমিতির নামে লাখ লাখ টাকা উঠেছে, কিন্তু টাকার কোনো হিসাব নেই। হিসাব চাইলে মারধরের ভয়।”
স্থানীয়দের সঙ্গে পরামর্শ করে থানায় অভিযোগ দেন রানা বাবু। তিনি সমিতির টাকা–পয়সা, হিসাবপত্র ও অভিযুক্তদের কার্যক্রম তদন্ত করে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
শাজাহানপুর থানায় অভিযোগটি গ্রহণ ও তদন্ত শুরু হয়েছে কি না—তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন:

















