ঢাকা, বাংলাদেশ। , শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

তীব্র গরমে রাজনগরে বিদ্যুৎ বিভ্রাট: জনজীবন যেন জীবন্ত নরক

‎​সঞ্জয় মালাকার
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ১২:৫৩:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
  • / ৬ বার পঠিত

‎​সঞ্জয় মালাকার:   ‎চৈত্র-বৈশাখের এই তীব্র তাপদাহে যখন আকাশ থেকে আগুন ঝরছে, ঠিক তখনই রাজনগর উপজেলাজুড়ে শুরু হয়েছে বিদ্যুতের ভয়াবহ লুকোচুরি। দিন নেই, রাত নেই—ঘন্টার পর ঘন্টা বিদ্যুৎ না থাকায় সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। বিশেষ করে শিশু, বৃদ্ধ এবং অসুস্থ ব্যক্তিদের জন্য এই পরিস্থিতি এখন অসহনীয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
‎​বর্তমানে পরিস্থিতিতা এমন(জনদুর্ভোগের চিত্র):
‎রাজনগরের গ্রাম থেকে শহর—কোথাও নিস্তার নেই লোডশেডিং থেকে। দিনের বেলা কয়েক দফা বিদ্যুৎ গেলেও রাতের চিত্র আরও ভয়াবহ। মাঝরাতে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় ঘুমানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বিদ্যুতের অভাবে শুধু মানুষের ঘুমই হারাম হচ্ছে না, ব্যাহত হচ্ছে দৈনন্দিন কাজ এবং ব্যবসা-বাণিজ্য। ফ্রিজে রাখা খাবার নষ্ট হচ্ছে, আর চার্জারের অভাবে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে বহু মানুষ।
‎চরম ​অস্বস্তিতে জনজীবন:
‎স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, “গরমে ঘরে থাকা যাচ্ছে না, তার ওপর ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না। আমরা কি মানুষ নাকি মগের মুল্লুকে বাস করছি?” বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের আয়ের ওপর এর মারাত্মক প্রভাব পড়ছে। বিদ্যুৎ বিভাগের ‘টেকনিক্যাল সমস্যার’ অজুহাতে অতিষ্ঠ এলাকাবাসীর মধ্যে এখন চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।
‎‎বিদ্যুতের কারনে ​পানির সংকট ও স্বাস্থ্যঝুঁকি:
‎বিদ্যুৎ না থাকায় অনেক এলাকায় পানির পাম্প চালানো সম্ভব হচ্ছে না, ফলে দেখা দিয়েছে তীব্র পানির সংকট। ঘামাচি, হিটস্ট্রোক আর গরমে অসুস্থ হয়ে পড়ার খবর বাড়ছে পল্লী এলাকার ঘরে ঘরে। রাজনগরবাসীর একটাই প্রশ্ন—এই ভোগান্তি শেষ হবে কবে?
‎ বিদ্যুৎ কেবল একটি সেবা নয়, এটি এখন মানুষের বেঁচে থাকার অন্যতম অনুষঙ্গ। এমন সংকটে প্রশাসনের নিরবতা কাম্য নয়। অবিলম্বে রাজনগর উপজেলার বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার জন্য কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করছি আমরা।

আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

তীব্র গরমে রাজনগরে বিদ্যুৎ বিভ্রাট: জনজীবন যেন জীবন্ত নরক

সর্বশেষ পরিমার্জন: ১২:৫৩:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

‎​সঞ্জয় মালাকার:   ‎চৈত্র-বৈশাখের এই তীব্র তাপদাহে যখন আকাশ থেকে আগুন ঝরছে, ঠিক তখনই রাজনগর উপজেলাজুড়ে শুরু হয়েছে বিদ্যুতের ভয়াবহ লুকোচুরি। দিন নেই, রাত নেই—ঘন্টার পর ঘন্টা বিদ্যুৎ না থাকায় সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। বিশেষ করে শিশু, বৃদ্ধ এবং অসুস্থ ব্যক্তিদের জন্য এই পরিস্থিতি এখন অসহনীয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
‎​বর্তমানে পরিস্থিতিতা এমন(জনদুর্ভোগের চিত্র):
‎রাজনগরের গ্রাম থেকে শহর—কোথাও নিস্তার নেই লোডশেডিং থেকে। দিনের বেলা কয়েক দফা বিদ্যুৎ গেলেও রাতের চিত্র আরও ভয়াবহ। মাঝরাতে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় ঘুমানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বিদ্যুতের অভাবে শুধু মানুষের ঘুমই হারাম হচ্ছে না, ব্যাহত হচ্ছে দৈনন্দিন কাজ এবং ব্যবসা-বাণিজ্য। ফ্রিজে রাখা খাবার নষ্ট হচ্ছে, আর চার্জারের অভাবে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে বহু মানুষ।
‎চরম ​অস্বস্তিতে জনজীবন:
‎স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, “গরমে ঘরে থাকা যাচ্ছে না, তার ওপর ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না। আমরা কি মানুষ নাকি মগের মুল্লুকে বাস করছি?” বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের আয়ের ওপর এর মারাত্মক প্রভাব পড়ছে। বিদ্যুৎ বিভাগের ‘টেকনিক্যাল সমস্যার’ অজুহাতে অতিষ্ঠ এলাকাবাসীর মধ্যে এখন চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।
‎‎বিদ্যুতের কারনে ​পানির সংকট ও স্বাস্থ্যঝুঁকি:
‎বিদ্যুৎ না থাকায় অনেক এলাকায় পানির পাম্প চালানো সম্ভব হচ্ছে না, ফলে দেখা দিয়েছে তীব্র পানির সংকট। ঘামাচি, হিটস্ট্রোক আর গরমে অসুস্থ হয়ে পড়ার খবর বাড়ছে পল্লী এলাকার ঘরে ঘরে। রাজনগরবাসীর একটাই প্রশ্ন—এই ভোগান্তি শেষ হবে কবে?
‎ বিদ্যুৎ কেবল একটি সেবা নয়, এটি এখন মানুষের বেঁচে থাকার অন্যতম অনুষঙ্গ। এমন সংকটে প্রশাসনের নিরবতা কাম্য নয়। অবিলম্বে রাজনগর উপজেলার বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার জন্য কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করছি আমরা।