রাজু আহমেদ, রাজবাড়ী: রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে কর্তৃপক্ষের চরম উদাসীনতা ও সমন্বয়হীনতার চিত্র ফুটে উঠেছে। সচল ও নতুন পন্টুন ফেলে রেখে ভাঙাচোরা এবং ঝুঁকিপূর্ণ পন্টন দিয়ে যানবাহন পারাপার করার অভিযোগ উঠেছে ঘাট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সম্প্রতি দৌলতদিয়ার ৫ নম্বর ফেরিঘাটটি নতুন করে চালু করা হলেও সেখানে কোনো ফেরি ভিড়ানো হচ্ছে না। সম্পূর্ণ ভালো ও ব্যবহার উপযোগী হওয়া সত্ত্বেও অজানা কারণে ঘাটটি অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে। অপরদিকে ৩, ৪ এবং ৭ নম্বর ফেরিঘাটের জরাজীর্ণ ও ভাঙাচোরা পন্টুন ব্যবহার করেই প্রতিনিয়ত ঝুঁকিপূর্ণভাবে যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে, অন্যদিকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক পারাপার।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) প্রকৌশলী রবিউল আলম জানান, “আমরা বিআইডব্লিউটিসি-কে বারবার ৫ নম্বর ফেরিঘাট ব্যবহার করার জন্য লিখিত ও মৌখিকভাবে অবহিত করেছি। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে বিআইডব্লিউটিসি আমাদের নির্দেশ বা পরামর্শ শুনছে না।”
দুই সংস্থার (বিআইডব্লিউটিএ ও বিআইডব্লিউটিসি) এমন পারস্পরিক টানাপোড়েন ও অবহেলার কারণে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ওই রুটে চলাচলকারী চালক ও যাত্রীরা। দ্রুত ৫ নম্বর ঘাটে ফেরি ভেড়ানোর ব্যবস্থা না করলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন তারা।

রাজু আহমেদ, রাজবাড়ী 


















