ঢাকা, বাংলাদেশ।
,
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
তাজা খবর
“কানাডার এমপি নির্বাচনে জয়ী ডলি বেগমকে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র অভিনন্দন
উৎসব আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হলো ১৪৪ তম খুলনা দিবস!
চট্রগ্রামের জব্বারের বলি খেলায় হ্যাট্রিক চ্যাম্পিয়ন হোমনার বাঘা শরীফ
কৃষকের ন্যায্য মূল্য কোথায় যায়?
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত
ছদ্মবেশী অস্ত্র ‘পেনগান’
ব্যাংকিং খাতে আস্থা সংকট
যশোরে কৃত্রিম তেল সংকটে দিশেহারা চালক ও সাধারণ মানুষ
জ্বালানি সঙ্কটের মধ্যেই অস্ট্রেলিয়ার তেল শোধনাগারে ভয়াবহ আগুন
ফুয়েল পাস নিতে নিবন্ধনের নিয়ম
নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে অপশক্তির পরিকল্পনায় দেশ তত অশান্ত হচ্ছে!

বিপ্লব সাহা খুলনা ব্যুরো
- সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:৩৭:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫
- / ৬১ বার পঠিত

নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে লুকিয়ে থাকা প্রেতাত্মার অপশক্তির পরিকল্পনায় দেশ ততটাই অশান্ত হচ্ছে। অপরদিকে গণতন্ত্রকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে একই দিনে দুই ভোট আয়োজনে রাজনৈতিক অঙ্গনে দ্বিধা বিভক্তি বাড়ছে।
দেশের সর্বোচ্চ ক্ষমতাসীন ব্যক্তি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ডক্টর মুহাম্মদ ইউনুস ও নির্বাচন কমিশনারের প্রধান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং একই সাথে গণভোটের দিনক্ষণ ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথম অথবা দ্বিতীয় সপ্তাহে নির্ধারণ করে ঘোষণা দেওয়ার পর থেকে সকল রাজনৈতিক অঙ্গন ও দেশের আমজনতার মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়ায় শুরু হয়েছে আলোচনা সমালোচনা বর্তমান দেশের সর্ব বৃহৎ রাজনৈতিক দলগুলোর অনৈক্য অবস্থান নিয়ে।
অপরদিকে জনমতের বাইরে থাকছে না নতুন নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল।
এক্ষেত্রে শহর তথা গ্রাম অঞ্চল জরিপের সাধারণ জনগণের ভাষ্যমতে উঠে এসেছে নির্বাচনের পূর্বাভাসের বিভিন্ন দিক।
একই সাথে সমগ্র দেশ জুড়ে সকল রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা জমতে শুরু করেছে।
অপর দিকে দেশে লুকিয়ে থাকা অজানা অপশক্তি আসন্ন নির্বাচন বানচাল করার পাঁয়তারায় মেতে উঠেছে বিভিন্ন ইস্যুতে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে একই সাথে রাজনৈতিক বৃহৎ দুটি দল জামায়াত ইসলাম ও বিএনপি’র মধ্য দ্বিধা বিভক্তির অন্তরকোন্দোল ক্রমান্বয়ে তুঙ্গে উঠছে, একে অপরের দোষ ত্রুটি ভুল জন সম্মুখে তুলে ধরছে, জামায়াত ইসলাম বলছে আওয়ামী লীগের থেকে বিএনপি কোন অংশে কম ছিল না তারাও কয়েক দফা ক্ষমতায় থাকাকালীন দেশের অর্থ লুটপাট করে বিদেশে পাচার করেছে, আত্মসাৎ করেছে দেশের অসংখ্য সম্পদ,অসংখ্য মানুষকে নির্যাতনে রেখেছে, ক্ষমতায় থেকে তারাও ভোট চালিয়াতি করেছে প্রহসন মূলক নির্বাচনের দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছে । তাছাড়া বিশেষ উল্লেখযোগ্য ঘটনা ২৪ এর জুলাই গণ অভ্যুত্থানে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ছাত্র জনতার সাথে বিএনপি’র নেতাকর্মীদের উল্লেখযোগ্য কোন ভূমিকায় দেখ যায়নি, যা দেশের সাধারণ মানুষ লক্ষ্য করেছে।
অথচ গত ২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পর হঠাৎ তারা গায়েবীভাবে উত্থান ঘটিয়ে রাতারাতি লুটপাট ধ্বংসস্তূপে পরিণত করে তুলেছিল দেশ, জনগণের মনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে জনগণের কাতার থেকে অনেকটাই ছিটকে পড়েছে তাই দেশের সকল শ্রেণীর মানুষই বিএনপিকে বয়কট করেছে, ফলে নির্বাচনে তাদের অবস্থান শূন্য জেনে তড়িঘড়ি করে নির্বাচন দেওয়ার জন্য সরকারকে চাপ সৃষ্টি করছে।
অপরদিকে একই কৌশলে বিএনপি’র ঊর্ধ্বতন নেতা কর্মীগণ সারাদেশ ব্যাপী বিভিন্ন এলাকায় বৃহৎ জনসভা ও মিছিল মিটিং এর মাধ্যমে জামায়াত ইসলামকে একাত্তরের রাজাকার ঘাতক দেশদ্রোহী বলে চিহ্নিত করে তাদের ভোটের দুর্গে আঘাত করার চেষ্টা করছে।
পাশাপাশি ৬৯ থেকে ৭১ এর মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাসে দেশের সকল শ্রেণীর জনগণসহ নতুন প্রজন্মকে বুঝিয়ে দিচ্ছে ১৯৭১ সালে জামায়েত ইসলাম পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীদের সাথে হাত মিলিয়ে এদেশের অসংখ্য মা-বোনদের সম্ভ্রমহানি করেছে, লুটপাট করেছে, রাজাকারের অবস্থানে ছাড়া স্বাধীনতার স্বপক্ষে জামায়েত ইসলামের একজন নেতাকর্মী দেশ স্বাধীনের স্বপক্ষে অবস্থান করেনি, ফলে তাদেরকে ভোট ম্যান্ডেটের মাধ্যমে নির্বাচিত করলে এ দেশ আবারও পাকিস্তানে রূপান্তরিত হবে, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার সর্বক্ষেত্রে তাদের ব্যক্তিগত ফতুহার হস্তক্ষেপ থাকবে, অধিকাংশ নারীরাই কর্মক্ষেত্রে থেকে কর্মহারাবে, দেশের অন্যান্য ধর্মের সংখ্যালঘুদের ওপর জুলুম নির্যাতন বাড়বে,।
তৎকালীন প্রজন্মের যে সকল প্রবীণ ব্যক্তিগণ বেঁচে আছেন তানারাই স্বচক্ষে দেখেছেন ৭১ সালে যুদ্ধ চলাকালীন সময় পাকিস্তানি রাজাকারদের সাথে সখ্যতা রেখে জামাত ইসলামের নেতা সহ কর্মীগণ কোন অবস্থানে থেকে কি আচরণ করেছে, আর এ সকল ইতিহাস যদি বর্তমান প্রজন্ম উপলব্ধি করতে পারে তাহলে জামায়েত ইসলামকে ঘৃণার মধ্য দিয়ে বয়কট করবে।
কারণ জামাতে ইসলাম কখনো দেশের স্বাধীনতা চাইনি তাছাড়া দেশের উন্নয়নের ক্ষেত্রে বিরোধিতা করেছে, এবং দেশের দুর্যোগ দূর্দিনে কোন সময় তারা ভূমিকা রাখেনি। অপরদিকে নতুন প্রজন্মের রাজনৈতিক দল এনসিপি সহ অন্যান্য দলগুলো আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণের তৎপরতায় থাকলেও অনেকটাই ঘাটতি রয়েছে অভিজ্ঞতার ফলে আশা করা যাচ্ছে হয়তো তারা নির্বাচনের আগ মুহূর্তে বৃহৎ কোন রাজনৈতিক দলের সাথে জোট গত ভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে। তবে নবগঠিত এই দলগুলো শহরাঞ্চলে কিছুটা পরিচিতি হলেও গ্রামাঞ্চলে আলোচনার কেন্দ্রস্থলে দলগুলোর নাম গন্ধ নাই তাই ভোটার সংখ্যা জরিপ করলে একেবারে শূন্যের কোঠায় ফলে সর্বক্ষেত্রে বিবেচনা করে দলগুলো এককভাবে নির্বাচন না করার সম্ভাবনাটাই বেশি।
অপরদিকে নির্বাচন কমিশনারের প্রধান আনুষ্ঠানিকতার সাথে গ্রহণযোগ্য মূলক নির্বাচন করার জন্য অটল ভূমিকায় থাকলেও প্রশাসনের ভূমিকা একেবারেই দুর্বল বলে মনে করছে দেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
আরএ সকল রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্য বিশেষ ব্যক্তিবর্গরা বলছেন দেশের সর্বমহলের প্রশাসনিক ব্যবস্থা কাঠামোগত ভাবে শক্তিশালী না করে নির্বাচন দিলে দেশের অসংখ্য মানুষের ক্ষয়ক্ষতি হবে অতএব নির্বাচনের দিন রাজনৈতিক দলগুলোর বিপরীতমুখী প্রতিহিংসার হানাহানির আতঙ্কে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হবেন না ভোটাররা। একই সাথে তারা এটাও বলেছে দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া আওয়ামী লীগের দলীয় নেতাকর্মীগণ একেবারে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়নি তারাও তাদের অস্তিত্ব ধরে রাখার জন্য যে কোন উপায়ে নির্বাচন বানচাল করার চেষ্টা করবে সে ব্যাপারে দেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও নির্বাচন কমিশনারের মাথা থেকে ঝেড়ে ফেললে একেবারেই ভুল করবে এবং নির্বাচন চলাকালীন সময়ে সহিংসতার মাধ্যমে দেশের জানমালের যে ক্ষয়ক্ষতি হবে তার দায়ভার সরকার ও নির্বাচন কমিশনারের ওপর বর্তাবে।
আরও পড়ুন:
বিপ্লব সাহা খুলনা ব্যুরো


















