ঢাকা, বাংলাদেশ। , বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

পৃথক পৃথক দুটি স্থানে দুজনের মরদেহ উদ্ধার

 মোঃ মাসুদ রেজা,সিরাজগঞ্জ :
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:৩৩:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫
  • / ৩০ বার পঠিত

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া ও রায়গঞ্জ থেকে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১২ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উল্লাপাড়া উপজেলার ঢাকা-পাবনা মহাসড়কের চৌকিদহ ব্রিজ ও রায়গঞ্জ উপজেলার ফুলজোড় নদী থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়।

এর মধ্যে ফুলজোড় নদী থেকে উদ্ধার হওয়া একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তার নাম আব্দুল লতিফ খতিব (৪৫)। তিনি সলঙ্গা থানার চর ফরিদপুর গ্রামের আমিনুল ইসলামের ছেলে। তবে উল্লাপাড়ায় চকিদহ ব্রিজের নিচ থেকে উদ্ধার হওয়া যুবকের নাম ও পরিচয় পাওয়া যায়নি।

স্থানীয়রা জানান, বুধবার সকালে ঢাকা-পাবনা সড়কের চকিদহ ব্রিজের নিচে একজন ও ফুলজোড় নদীতে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় একজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে তারা পুলিশে খবর দেন। পরে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি দুটি উদ্ধার করে পুলিশ। স্থানীয়দের ধারণা রাতের কোনো এক সময় হত্যা করে তাদের ফেলে রাখা হয়েছে।

এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) সাইফুল ইসলাম খান বলেন, ঘটনা দুটি আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছি। প্রাথমিকভাবে এ দুটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে মনে হচ্ছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করতে মাঠে কাজ করছে পুলিশ।

আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

পৃথক পৃথক দুটি স্থানে দুজনের মরদেহ উদ্ধার

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:৩৩:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া ও রায়গঞ্জ থেকে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১২ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উল্লাপাড়া উপজেলার ঢাকা-পাবনা মহাসড়কের চৌকিদহ ব্রিজ ও রায়গঞ্জ উপজেলার ফুলজোড় নদী থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়।

এর মধ্যে ফুলজোড় নদী থেকে উদ্ধার হওয়া একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তার নাম আব্দুল লতিফ খতিব (৪৫)। তিনি সলঙ্গা থানার চর ফরিদপুর গ্রামের আমিনুল ইসলামের ছেলে। তবে উল্লাপাড়ায় চকিদহ ব্রিজের নিচ থেকে উদ্ধার হওয়া যুবকের নাম ও পরিচয় পাওয়া যায়নি।

স্থানীয়রা জানান, বুধবার সকালে ঢাকা-পাবনা সড়কের চকিদহ ব্রিজের নিচে একজন ও ফুলজোড় নদীতে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় একজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে তারা পুলিশে খবর দেন। পরে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি দুটি উদ্ধার করে পুলিশ। স্থানীয়দের ধারণা রাতের কোনো এক সময় হত্যা করে তাদের ফেলে রাখা হয়েছে।

এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) সাইফুল ইসলাম খান বলেন, ঘটনা দুটি আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছি। প্রাথমিকভাবে এ দুটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে মনে হচ্ছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করতে মাঠে কাজ করছে পুলিশ।