ঢাকা, বাংলাদেশ। , শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

বগুড়ার পাকুল্লা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য হতে মরিয়া একটি গ্রুপ

প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৯:২৩:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / ২৩৩ বার পঠিত

বগুড়া প্রতিনিধি : বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার পাকুল্লা ইউনিয়নের পাকুল্লা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নিয়ম নীতি অনুযায়ী তিন জনের নাম প্রস্তাবনা করে পাঠায় অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিয়ামুল কবির। এনিয়ে ওই এলাকার  কথিত জামায়াত নেতা এবিএম মাজেদুর রহমান জুয়েল, ও জিএম আলি হাসান নারুন তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে চাপ প্রয়োগ করে। এরপর তাদের লোকজন নিয়ে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করে ওই বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীদের ক্লাস বর্জন করতে বাধ্য করে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে তার পদত্যাগ দাবি করে। এঘটনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার বিঘ্নতা ঘটছে। এবিষয়ে শিক্ষার্থীরা জানান, আমরা কোন সহিংশতা হস্তক্ষেপ কামনা করিনা। আমরা চাই বিদ্যালয়ে সুষ্ঠু পরিবেশের মাধ্যমে শিক্ষা অর্জন করতে। এব্যাপারে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিয়ামুল কবির জানান, সরকারি নিয়ম নীতি অনুযায়ী কলেজ শাখায় মাষ্টার্স পাশ এবং স্কুল শাখায় ডিগ্ৰী পাশ কারী ব্যক্তিরাই ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হতে পারবে।

এবিষয়ে স্থানীয় ও উপজেলা পর্যায়ের গন্যমান্য ব্যক্তির সাথে পরামর্শ করে তিন জনের নাম সুপারিশ করে কতৃপক্ষের নিকট পাঠানো হয়। আর এতেই ক্ষুদ্ধ হয়ে এবিএম মাজেদুর রহমান জুয়েল ও জিএম আলি হাসান নারুন কতিপয় ব্যক্তির নিজের চারিতার্থ স্বার্থ হাসিল করতে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উস্কে দিয়ে আমাদেরকে হেনস্তার শিকার করছে।

আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

বগুড়ার পাকুল্লা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য হতে মরিয়া একটি গ্রুপ

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৯:২৩:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

বগুড়া প্রতিনিধি : বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার পাকুল্লা ইউনিয়নের পাকুল্লা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নিয়ম নীতি অনুযায়ী তিন জনের নাম প্রস্তাবনা করে পাঠায় অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিয়ামুল কবির। এনিয়ে ওই এলাকার  কথিত জামায়াত নেতা এবিএম মাজেদুর রহমান জুয়েল, ও জিএম আলি হাসান নারুন তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে চাপ প্রয়োগ করে। এরপর তাদের লোকজন নিয়ে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করে ওই বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীদের ক্লাস বর্জন করতে বাধ্য করে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে তার পদত্যাগ দাবি করে। এঘটনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার বিঘ্নতা ঘটছে। এবিষয়ে শিক্ষার্থীরা জানান, আমরা কোন সহিংশতা হস্তক্ষেপ কামনা করিনা। আমরা চাই বিদ্যালয়ে সুষ্ঠু পরিবেশের মাধ্যমে শিক্ষা অর্জন করতে। এব্যাপারে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিয়ামুল কবির জানান, সরকারি নিয়ম নীতি অনুযায়ী কলেজ শাখায় মাষ্টার্স পাশ এবং স্কুল শাখায় ডিগ্ৰী পাশ কারী ব্যক্তিরাই ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হতে পারবে।

এবিষয়ে স্থানীয় ও উপজেলা পর্যায়ের গন্যমান্য ব্যক্তির সাথে পরামর্শ করে তিন জনের নাম সুপারিশ করে কতৃপক্ষের নিকট পাঠানো হয়। আর এতেই ক্ষুদ্ধ হয়ে এবিএম মাজেদুর রহমান জুয়েল ও জিএম আলি হাসান নারুন কতিপয় ব্যক্তির নিজের চারিতার্থ স্বার্থ হাসিল করতে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উস্কে দিয়ে আমাদেরকে হেনস্তার শিকার করছে।