ঢাকা, বাংলাদেশ। , বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

বাঘায় এক ব্যাক্তির রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার 

রবিউল ইসলাম
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৯:৫৩:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মে ২০২৫
  • / ৫১ বার পঠিত

 

রাজশাহীর বাঘায় পরিত্যাক্ত বাড়ির পাশের আম বাগান থেকে সাদেক হোসেন (৪৮) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে বাঘা থানা পুলিশ। মঙ্গলবার (১৩ মে) রাত আনুমানিক সাড়ে ১১ টার দিকে উপজেলার আরিফপুর গ্রাম থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় এ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সাদেক হোসেন উপজেলার বাজুবাঘা ইউনিয়নের আরিফপুর গ্রামের মৃত নূর মোহাম্মদের ছেলে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাদেক হোসেন গরু ও ছাগলের ক্রয়-বিক্রয়ের ব্যবসা করতেন। বৈবাহিক জীবনে তার দুই স্ত্রী রয়েছে। প্রথম স্ত্রী আশেমা বেগম তিনি মানসিক প্রতিবন্ধী তার ঘরে দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে। পরবর্তীতে তাকে রেখে চন্ডিপুর গ্রামে নাদেরা বেগমকে বিয়ে করেন। দ্বিতীয় বিয়ের পর থেকেই চন্ডিপুরে তার দ্বিতীয় স্ত্রীর সাথেই বসাবাস করেন। প্রথম স্ত্রীকে ভরন পোষণ না তিনি তার বাবার বাড়িতে থাকেন। এ কারণে সাদেক হোসেনের আরিফপুরের বসত বাড়িটি পরিত্যাক্ত অবস্থায় রয়েছে। তিনি মাঝে মধ্যে তার পরিত্যক্ত বাড়িটিতে আসতেন। ওই দিন কখন সে বাড়িতে এসেছে তা কেউ দেখেনি।

 

সাদেক হোসেনের বাড়ির পূর্ব পাশ ঘেষে তারই ভাই কামালের বাড়ি। রাতে পুলিশ কামালের বাড়ি থেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার স্ত্রী চায়না, সন্তান চন্দন ও সাদেকের বোন সফেলাকে থানায় নিয়ে যায়। তবে রাতে কামাল কোথায় ছিলেন  তা সঠিকভাবে কেউ বলতে পারেনি।

 

এ বিষয়ে বাজুবাঘা ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য খন্দকার আলালউদ্দিন জানান, আমার সাথে দেখা করার জন্য আরিফপুরে মোড়ে আলতাবের দোকানে তিন থেকে চারজন অপেক্ষা করেছিল। পরে আমি যখন তাদের সাথে দেখা করি সেই সময় রাস্তার দক্ষিণ পাশে সাদেকের বাড়ির পাশে আম বাগানের ভিতর লাইট জ্বলে। পরে ডাকাডাকি করে কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে আমরা সেই আলোর কাছাকাছি চলে যায়। পরে লক্ষ করি রক্তাক্ত অবস্থায় সাদেকের মরদেহ পড়ে আছে। পরে ডাকাডাকি করে স্থানীয় লোকজন জড়ো করা হয়। পরে পুলিশ কে খবর দেওয়া হলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যাই।

এ বিষয়ে বাঘা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আ.ফ.ম আছাদুজ্জামান জানান, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রামেক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ জানা যায়নি। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৩ জনকে থানায় আনা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।

আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

বাঘায় এক ব্যাক্তির রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার 

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৯:৫৩:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মে ২০২৫

 

রাজশাহীর বাঘায় পরিত্যাক্ত বাড়ির পাশের আম বাগান থেকে সাদেক হোসেন (৪৮) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে বাঘা থানা পুলিশ। মঙ্গলবার (১৩ মে) রাত আনুমানিক সাড়ে ১১ টার দিকে উপজেলার আরিফপুর গ্রাম থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় এ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সাদেক হোসেন উপজেলার বাজুবাঘা ইউনিয়নের আরিফপুর গ্রামের মৃত নূর মোহাম্মদের ছেলে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাদেক হোসেন গরু ও ছাগলের ক্রয়-বিক্রয়ের ব্যবসা করতেন। বৈবাহিক জীবনে তার দুই স্ত্রী রয়েছে। প্রথম স্ত্রী আশেমা বেগম তিনি মানসিক প্রতিবন্ধী তার ঘরে দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে। পরবর্তীতে তাকে রেখে চন্ডিপুর গ্রামে নাদেরা বেগমকে বিয়ে করেন। দ্বিতীয় বিয়ের পর থেকেই চন্ডিপুরে তার দ্বিতীয় স্ত্রীর সাথেই বসাবাস করেন। প্রথম স্ত্রীকে ভরন পোষণ না তিনি তার বাবার বাড়িতে থাকেন। এ কারণে সাদেক হোসেনের আরিফপুরের বসত বাড়িটি পরিত্যাক্ত অবস্থায় রয়েছে। তিনি মাঝে মধ্যে তার পরিত্যক্ত বাড়িটিতে আসতেন। ওই দিন কখন সে বাড়িতে এসেছে তা কেউ দেখেনি।

 

সাদেক হোসেনের বাড়ির পূর্ব পাশ ঘেষে তারই ভাই কামালের বাড়ি। রাতে পুলিশ কামালের বাড়ি থেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার স্ত্রী চায়না, সন্তান চন্দন ও সাদেকের বোন সফেলাকে থানায় নিয়ে যায়। তবে রাতে কামাল কোথায় ছিলেন  তা সঠিকভাবে কেউ বলতে পারেনি।

 

এ বিষয়ে বাজুবাঘা ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য খন্দকার আলালউদ্দিন জানান, আমার সাথে দেখা করার জন্য আরিফপুরে মোড়ে আলতাবের দোকানে তিন থেকে চারজন অপেক্ষা করেছিল। পরে আমি যখন তাদের সাথে দেখা করি সেই সময় রাস্তার দক্ষিণ পাশে সাদেকের বাড়ির পাশে আম বাগানের ভিতর লাইট জ্বলে। পরে ডাকাডাকি করে কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে আমরা সেই আলোর কাছাকাছি চলে যায়। পরে লক্ষ করি রক্তাক্ত অবস্থায় সাদেকের মরদেহ পড়ে আছে। পরে ডাকাডাকি করে স্থানীয় লোকজন জড়ো করা হয়। পরে পুলিশ কে খবর দেওয়া হলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যাই।

এ বিষয়ে বাঘা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আ.ফ.ম আছাদুজ্জামান জানান, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রামেক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ জানা যায়নি। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৩ জনকে থানায় আনা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।