ঢাকা, বাংলাদেশ। , বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

বান্দরবান জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের মতবিনিময় সভায় ‘জুলাই বিপ্লব’কে ধারণ না করার অভিযোগ

প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৩:০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৫
  • / ৪৫ বার পঠিত

জাহিদ হাসান,বান্দরবান : লামা উপজেলার বিভিন্ন বিভাগীয় কর্মকর্তা, সুশীল সমাজ ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র প্রতিনিধিদের সাথে লামায় বান্দরবান জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের মতবিনিময় সভায় ‘জুলাই বিপ্লবকে ধারণ করেন নাই বলে অভিযোগ তুলেছেন লামার সাংবাদিক মহল। বুধবার (২২ জানুয়ারি) লামা উপজেলার বিভিন্ন বিভাগীয় কর্মকর্তা, সুশীল সমাজ ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র প্রতিনিধিদের সাথে বান্দরবান জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই মতবিনিময় সভা করেন। লামার স্থানীয় সিনিয়র কয়েকজন সাংবাদিকজানান, জুলাই বিপ্লব পরবর্তী বৃহত্তর লামা উপজেলায় সকল সেক্টরে স্বৈরাচারের দোসরদের প্রভাব থেকে গেছে, যা বৈষম্য বিরোধী ছাত্ররা আলোচনায় এনেছেন। কিন্তু ৫ আগস্টের পর থেকে এখন পর্যন্ত সকল ঘটনাবলির ওপর কোনো আলোচনা বা মতামত প্রকাশের ক্ষেত্রে গুরুত্ব দেয়া হয় নাই। স্থানীয় সচেতন সমাজ জানান, বান্দরবান জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নিয়োগ প্রাপ্তির তিন মাস হলেও এখন পর্যন্ত জুলাই বিপ্লবের চেতনার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ কার্যক্রম গুলোতে তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ এখনো দেখা যায়নি। বৃহত্তর লামায় বিভিন্ন ইউনিয়নে জনজীবনে নানান দুর্ভোগ রয়েছে। লুটতরাজ, ভূমি দখল, মামলা বানিজ্য; অপহরণ, চাঁদাবাজী, অগ্নি সংযোগের মতন কর্মকান্ড এই উপজেলার সাধারণ মানুষের ত্রাহিত্রাহি অবস্থা। মতবিনিময় সভায় বিভিন্ন পেশা শ্রেণির মানুষের মধ্য থেকে যে মতের বিনিময় হওয়ার কথা ছিলো সেটি হয় নাই।অথচ এসব জুলাই বিপ্লবী চেতনার মূল দাবি গুলোর অন্যতম হলেও তার কোনোটাই মতবিনিময় সভায় প্রতিফলিত হয়নি। নৃগোষ্ঠী প্রান্তিক জুমিয়া পরিবারগুলোর জীবন কেমন যাচ্ছে; হেডম্যান কারবারীদের মাধ্যমে জানার প্রয়োজন মনে করেন নাই মতবিনিময় সভার কর্তারা। যা জুলাই বিপ্লবী চেতনার সাথে সাংঘর্ষিক বলে জানান সংবাদ কর্মিরা। মতবিনিময় সভার স্বাগতিক

বক্তব্যে একবারও বিপ্লবী সেই সকল শহীদদেরকে স্মরণ করেননি এমনকি তাদের নিয়ে কোনো কথাই বলেননি। মতবিনিময় সভা নিয়ে এমনটিই অভিযোগ করছেন লামা সিনিয়র সংবাদ কর্মিরা। সভায় বৈষম্য বিরোধী দুই ছাত্র মোঃ রফিক ও শরিফ জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের চেতণা ধারণ করে মৌলিক ও সমুচিত কিছু উদ্যােগ গ্রহনের আহ্বান জানালেও অন্যরা শুধু নিজেদের জাহির করেছেন। মুক্ত আলোচনার সুযোগ করে না দিয়ে অনুষ্ঠানকে একটি আমিত্ব আর তেলবাজির অনুষ্ঠানে পরিণত করেছেন। ব্যানারে মতবিনিময় সভার ‘আয়োজক উপজেলা প্রশাসন’ লেখা থাকলেও সভার নিয়ন্ত্রণ করেন কতিপয় চিহ্নিত চাটুকার। হ-য-ব-র-ল অনুষ্ঠানের ডিজাইন কে করেছে জানতে চাওয়া হয় লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (অদা:) এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্টেট লামা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুপায়ন দেব এর নিকট। তিনি জানান, প্রোগ্রামে সুশীল সমাজের কারা মতবিনিময় করবেন, সে তালিকা চেয়ারম্যান মহোদয়ের সফর সঙ্গীরাই করেছেন।

আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

বান্দরবান জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের মতবিনিময় সভায় ‘জুলাই বিপ্লব’কে ধারণ না করার অভিযোগ

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৩:০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৫

জাহিদ হাসান,বান্দরবান : লামা উপজেলার বিভিন্ন বিভাগীয় কর্মকর্তা, সুশীল সমাজ ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র প্রতিনিধিদের সাথে লামায় বান্দরবান জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের মতবিনিময় সভায় ‘জুলাই বিপ্লবকে ধারণ করেন নাই বলে অভিযোগ তুলেছেন লামার সাংবাদিক মহল। বুধবার (২২ জানুয়ারি) লামা উপজেলার বিভিন্ন বিভাগীয় কর্মকর্তা, সুশীল সমাজ ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র প্রতিনিধিদের সাথে বান্দরবান জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই মতবিনিময় সভা করেন। লামার স্থানীয় সিনিয়র কয়েকজন সাংবাদিকজানান, জুলাই বিপ্লব পরবর্তী বৃহত্তর লামা উপজেলায় সকল সেক্টরে স্বৈরাচারের দোসরদের প্রভাব থেকে গেছে, যা বৈষম্য বিরোধী ছাত্ররা আলোচনায় এনেছেন। কিন্তু ৫ আগস্টের পর থেকে এখন পর্যন্ত সকল ঘটনাবলির ওপর কোনো আলোচনা বা মতামত প্রকাশের ক্ষেত্রে গুরুত্ব দেয়া হয় নাই। স্থানীয় সচেতন সমাজ জানান, বান্দরবান জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নিয়োগ প্রাপ্তির তিন মাস হলেও এখন পর্যন্ত জুলাই বিপ্লবের চেতনার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ কার্যক্রম গুলোতে তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ এখনো দেখা যায়নি। বৃহত্তর লামায় বিভিন্ন ইউনিয়নে জনজীবনে নানান দুর্ভোগ রয়েছে। লুটতরাজ, ভূমি দখল, মামলা বানিজ্য; অপহরণ, চাঁদাবাজী, অগ্নি সংযোগের মতন কর্মকান্ড এই উপজেলার সাধারণ মানুষের ত্রাহিত্রাহি অবস্থা। মতবিনিময় সভায় বিভিন্ন পেশা শ্রেণির মানুষের মধ্য থেকে যে মতের বিনিময় হওয়ার কথা ছিলো সেটি হয় নাই।অথচ এসব জুলাই বিপ্লবী চেতনার মূল দাবি গুলোর অন্যতম হলেও তার কোনোটাই মতবিনিময় সভায় প্রতিফলিত হয়নি। নৃগোষ্ঠী প্রান্তিক জুমিয়া পরিবারগুলোর জীবন কেমন যাচ্ছে; হেডম্যান কারবারীদের মাধ্যমে জানার প্রয়োজন মনে করেন নাই মতবিনিময় সভার কর্তারা। যা জুলাই বিপ্লবী চেতনার সাথে সাংঘর্ষিক বলে জানান সংবাদ কর্মিরা। মতবিনিময় সভার স্বাগতিক

বক্তব্যে একবারও বিপ্লবী সেই সকল শহীদদেরকে স্মরণ করেননি এমনকি তাদের নিয়ে কোনো কথাই বলেননি। মতবিনিময় সভা নিয়ে এমনটিই অভিযোগ করছেন লামা সিনিয়র সংবাদ কর্মিরা। সভায় বৈষম্য বিরোধী দুই ছাত্র মোঃ রফিক ও শরিফ জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের চেতণা ধারণ করে মৌলিক ও সমুচিত কিছু উদ্যােগ গ্রহনের আহ্বান জানালেও অন্যরা শুধু নিজেদের জাহির করেছেন। মুক্ত আলোচনার সুযোগ করে না দিয়ে অনুষ্ঠানকে একটি আমিত্ব আর তেলবাজির অনুষ্ঠানে পরিণত করেছেন। ব্যানারে মতবিনিময় সভার ‘আয়োজক উপজেলা প্রশাসন’ লেখা থাকলেও সভার নিয়ন্ত্রণ করেন কতিপয় চিহ্নিত চাটুকার। হ-য-ব-র-ল অনুষ্ঠানের ডিজাইন কে করেছে জানতে চাওয়া হয় লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (অদা:) এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্টেট লামা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুপায়ন দেব এর নিকট। তিনি জানান, প্রোগ্রামে সুশীল সমাজের কারা মতবিনিময় করবেন, সে তালিকা চেয়ারম্যান মহোদয়ের সফর সঙ্গীরাই করেছেন।