ঢাকা, বাংলাদেশ। , বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

ব্রিজের কাজ ফেলে রেখে ২৫ লাখ টাকা আত্মসাতের চেষ্টা

আশরাফুল ইসলাম সোহাগ 
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০১:৩৪:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
  • / ৩০ বার পঠিত
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার মঠবাড়িয়া – সাপলেজা সড়কে থানা সংলগ্ন গার্ডার ব্রিজের এপ্রোচ ও গাইড ওয়াল নির্মাণের জন্য অনুমোদনকৃত অতিরিক্ত বরাদ্দ ২৫ লাখ টাকা আত্মসাত করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পরষ্পর যোগসাজশে এ অনিয়মের সাথে জড়িয়ে পড়েছেন বলে জানা গেছে।
জানা গেছে, প্রোগ্রাম ফর সাপোর্টিং রুরাল ব্রিজেস কর্মসূচির আওতায় গত বছরের ১১ আগস্ট ব্রিজটির জন্য ভেরিয়েশন অর্ডার হয়।এক্ষেত্রে সংশোধিত চুক্তিমূল্য অনুমোদন দিয়ে পিরোজপুর নির্বাহী প্রকৌশলীর নিকট একটি চিঠি প্রেরন করা হয়।চিঠিটি অগ্রগামী করেন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (এলজিইডি) ও প্রকল্প পরিচালক মোঃ আনোয়ার হোসেন। এক বছর পূর্বে ভেরিয়শন অর্ডারের বিপরীতে ২৫ লাখ টাকা বরাদ্দ হলেও এখন পর্যন্ত তা বাস্তবায়ন করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ৩০ মিটার দৈর্ঘ্য এ গার্ডার ব্রিজটি ২০২১ সালের নভেম্বরে টেন্ডার হয়।চুক্তিমূল্য নির্ধারণ হয় ৪ কোটি ১৯ লাখ টাকা।সংশোধিত চুক্তিমূল্য ৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা।  ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স জিয়াউল এ্যান্ড ব্রাদ্রার্স।ওই ঠিকাদারের কাছ থেকে কাজটি ক্রয় করেন মঠবাড়িয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক সেলিম মাতুব্বর। ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন।কিন্তু আত্মগোপনে থেকেও এলজিইডি অফিসে নিয়মিত যোগাযোগ রাখেন তিনি।আর এ যোগাযোগ থেকেই অতিরিক্ত বরাদ্দের ২৫ লাখ টাকা আত্মসাতের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা বিএনপির আহবায়ক (ভারপ্রাপ্ত) শামীম মিয়া মৃধা জানান,ব্রিজটির এপ্রোচের কাজ সম্পন্ন না করায় চরম আকারে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে।কোন না কোন যানবাহন  প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। বরাদ্দ থাকা স্বত্বেও নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন না হওয়া রহস্যজনক।
উপজেলা প্রকৌশলী জিয়ারুল ইসলাম জানান, এপ্রোচ ও গাইড ওয়ালের জন্য ব্লক তৈরা করা হচ্ছে। খুব শীঘ্রই কাজ সম্পন্ন করা হবে।তবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার সোহাগ মিয়া জানান,ব্লক এখনও বানাতে দেওয়া হয়নি।খুব শীঘ্রই অর্ডার দেওয়া হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

ব্রিজের কাজ ফেলে রেখে ২৫ লাখ টাকা আত্মসাতের চেষ্টা

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০১:৩৪:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার মঠবাড়িয়া – সাপলেজা সড়কে থানা সংলগ্ন গার্ডার ব্রিজের এপ্রোচ ও গাইড ওয়াল নির্মাণের জন্য অনুমোদনকৃত অতিরিক্ত বরাদ্দ ২৫ লাখ টাকা আত্মসাত করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পরষ্পর যোগসাজশে এ অনিয়মের সাথে জড়িয়ে পড়েছেন বলে জানা গেছে।
জানা গেছে, প্রোগ্রাম ফর সাপোর্টিং রুরাল ব্রিজেস কর্মসূচির আওতায় গত বছরের ১১ আগস্ট ব্রিজটির জন্য ভেরিয়েশন অর্ডার হয়।এক্ষেত্রে সংশোধিত চুক্তিমূল্য অনুমোদন দিয়ে পিরোজপুর নির্বাহী প্রকৌশলীর নিকট একটি চিঠি প্রেরন করা হয়।চিঠিটি অগ্রগামী করেন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (এলজিইডি) ও প্রকল্প পরিচালক মোঃ আনোয়ার হোসেন। এক বছর পূর্বে ভেরিয়শন অর্ডারের বিপরীতে ২৫ লাখ টাকা বরাদ্দ হলেও এখন পর্যন্ত তা বাস্তবায়ন করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ৩০ মিটার দৈর্ঘ্য এ গার্ডার ব্রিজটি ২০২১ সালের নভেম্বরে টেন্ডার হয়।চুক্তিমূল্য নির্ধারণ হয় ৪ কোটি ১৯ লাখ টাকা।সংশোধিত চুক্তিমূল্য ৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা।  ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স জিয়াউল এ্যান্ড ব্রাদ্রার্স।ওই ঠিকাদারের কাছ থেকে কাজটি ক্রয় করেন মঠবাড়িয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক সেলিম মাতুব্বর। ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন।কিন্তু আত্মগোপনে থেকেও এলজিইডি অফিসে নিয়মিত যোগাযোগ রাখেন তিনি।আর এ যোগাযোগ থেকেই অতিরিক্ত বরাদ্দের ২৫ লাখ টাকা আত্মসাতের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা বিএনপির আহবায়ক (ভারপ্রাপ্ত) শামীম মিয়া মৃধা জানান,ব্রিজটির এপ্রোচের কাজ সম্পন্ন না করায় চরম আকারে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে।কোন না কোন যানবাহন  প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। বরাদ্দ থাকা স্বত্বেও নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন না হওয়া রহস্যজনক।
উপজেলা প্রকৌশলী জিয়ারুল ইসলাম জানান, এপ্রোচ ও গাইড ওয়ালের জন্য ব্লক তৈরা করা হচ্ছে। খুব শীঘ্রই কাজ সম্পন্ন করা হবে।তবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার সোহাগ মিয়া জানান,ব্লক এখনও বানাতে দেওয়া হয়নি।খুব শীঘ্রই অর্ডার দেওয়া হবে।