ময়মনসিংহ চর দড়িকুষ্টিয়ায় মসজিদ নিয়ে দন্দ্ব, আহত ৮

- সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৮:৫৯:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫
- / ৫২ বার পঠিত

ময়মনসিংহ চর দড়িকুষ্টিয়ায় মসজিদ নিয়ে দন্দ্ব। আহত ৮ জন। ঘটনার জেরে মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার বাদী একজন সহজ, সরল ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল লোক। বাদী একজন রফাদানী অর্থাৎ আহলে হাদীস সমর্থিত মুসলিম পরিবারের লোক। অপরদিকে আসামীগণ হানাফী মাযাহাবের অনুসারী। বাদী ও আসামীগণের সাথে দীর্ঘদিন যাবৎ চর দড়িকুষ্টিয়া বালুর চর নূর জামে মসজিদ নিয়ে গন্ডগোল চলে আসছে। উক্ত মসজিদটি বাদীর চাচা ফয়জলুল হক ২০১৫ ইং সনে তার নিজ ক্রয়কৃত ভূমিতে নির্মাণ করেন।
এলাকার স্থানীয় মুসুল্লীরা নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করে আসছে। আসামীগণ প্রায়শই উক্ত মসজিদটি ভেঙ্গে ফেলার জন্য ষড়যন্ত্র করে আসছে। অর্থাৎ উক্ত আহলে হাদীস মসজিদটি ভেঙ্গে হানাফি মাদ্রাসা নির্মাণ করবে বলে একাধিকবার ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করে। বাদী ও আসামীগণের একই গোষ্ঠীয় লোক। কিন্তু মাজাহার আলাদা থাকার কারণে প্রায়শই উক্ত মসজিদটি নিয়া শত্রুতা পোষণ করিয়া আসিতে থাকাবস্থায় ঘটনার দিন তারিখ ও সময়ে অর্থাৎ বিগত ০২-০৫-২০২৫ ইং তারিখে রোজ শুক্রবার দুপুর অনুমান ১২.৪৫ মিনিট সময় বাদীর ছেলে রুবেল ১ নং স্বাক্ষী ও বাদীর জেঠাতো ভাই সেকান্দর ৩ নং সাক্ষী, আক্রান্ত ৯ নং স্বাব্দী, সবুজ আলী ৪ স্বাক্ষী এবং বাদীর জৈঠা রায়েব আলী ৬ নং স্বাক্ষী এবং বাদীর অপর জেঠা ফজলুল হক উক্ত মসজিদে জুম্মার নামায আদায়ের জন্য অবস্থান করলে সকল আসামীগণ ও ধারালো রাম দা দিয়া ভিকটিম রুবেলকে খুন করার উদ্দেশ্যে মাথায় কোপ মারলে মাথার বাম পার্শ্বে লাগিয়া গুরুতর হাড়কাটা রক্তাক্ত জখম হয়। ৫ নং আসামী কাশেম আলী তার হাতে থাকা ধারালো রাম দা দিয়ে ভিকটিম ফজলুল হককে খুন করার উদ্দেশ্যে মাথা লক্ষ্য করিয়া কোপ মারিলে উক্ত কোপ মাথার ডান পার্শ্বে লাগিয়া গুরুতর হাড়কাটা রক্তাক্ত জখম করে। তখন অজ্ঞাতনামা ৫/৭ জন আসামী পূর্ব পরিকল্পিত ও একই উদ্দেশ্যে সাধানকরে দেশীয় অস্ত্রশত্রে সজ্জিত হয়ে রামদা, লোহার রড, লাঠিসোটা নিয়ে উক্ত মসজিদের ভিতরে অনধিকার অনুপ্রবেশ করে অতর্কিতভাবে হামলা চালায়।
১ নং আসামীর হুকুমে ২ নং আসামী আঃ করিম তাহার হাতে থাকা রাম দা দিয়া খুন করার উদ্দেশ্যে মাথায় মারিলে কপালে লেগে ভিকটিম ফজলুল হকেকে হাড়কাটা রক্তাক্ত জখম করে। ৩ নং আসামী তার হাতে থাকা লোহার রড দিয়ে বাদীর চাচার মাথায় বারি মায়িলে উক্ত বারি হাত দিয়া ফিরাইনে বাম হাতে মধ্যম আঙ্গুলে লাগিয়া আনুন। ভেঙ্গে যায়। ৪ নং আসামী আঃ হালিম তার হাতে থাকা ধারালো রাম দা দিয়া বানীর জেঠাতো ভাই ভিকটিম সেকান্দার আলীকে খুন করার উদ্দেশ্যে মাথা লক্ষ্য করিয়া কোপ মারিলে উক্ত কূপটি মাথার বাম পাশে লাগিয়া গুরুতর হাড়ফাটা রক্তাক্ত জখম করে। ৭ নং আসামী তাহার হাতে থাকা লোহার রড দিয়ে খুন করার উদ্দেশ্যে বাদীর জৈঠাতো ভাই ভিকটিম সেকান্দারের মুখে বারি মারিলে উক্ত আঘাতে ভিকটিমের থুতনিতে লেগে চামড়া ছিলা জখম হয় এবং চোখের ডান পার্শ্বে লাগিয়া রক্তাক্ত জখম করে। ৬ নং আসামী তাহার হাতে থাকা লোহার রড দিয়া খুন করার উদ্দেশ্যে বাদীর জেঠা ভিকটিম রায়ের – আলীর মাথায় বারি মারিলে চোখের বাম পার্শ্বে লাগিয়া গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে। ৮ নং আসামী তাহার হাতে থাকা লোহার রড দিয়া বাদীর জেঠাতো ভাই ভিকটিম আক্রামকে শরীলের বিভিন্ম স্থানে বাইরাইয়া নীলাফুলা জখম করে। ৭ নং আসামী তাহার হাতে থাকা লোহার রড দিয়ে বাদীয় জেঠাতো ভাই ভিকটিম সবুজ আলীকে ডান হাতের বাহুতে স্বজোরে বারি মারিয়া নীলাফোলা জখম করে। ৮ নং আসামী তাহার হাতে থাকা লোহার এঙ্গেল নিয়ে মসজিদের ভিতরে মহিলাদের নামায কক্ষে প্রবেশ করে। পরবর্তীতে মহিলাদের ডাক চিৎকারে আশেপাশের সহ স্থানীয় এলাকাবাসী ও ইমাম সাহেব এগিয়প আসলে আসামীদের হাত হতে মহিলাদের রক্ষা করে। নচেৎ আসামীগণ জানে মেরে ফেলতো। ভিকটিম রুবেল, জেঠা ও জেঠাতো ভাইদের হামলা করপ গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে।
ভিকটিম রুবেল, জেঠা ও জেঠাতো ভাইদের শারীরিক অবস্থান আশংকা জনক থাকায় অজ্ঞাত অটো যোগে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুর্থী বিভাগে ভর্তি করানো হয়। ভিকটিম রুবেল, আক্রাম রায়ের আলী, সেকান্দার, ফজলুল হক বর্তমানে মুমুর্ষ অবস্থায় মেডিকেল কলেজ।হাসপাতালে ৭ নং ওয়ার্ডে ভর্তি আছে। আসামীগণ খুবই খারাপ প্রকৃতির লোক। আসামীগণ হুমকি দেয় যে, এই নিয়ে কোন মামলা মোকদ্দমা করলে লাশ গুম করে হত্যা করবে। চিকিৎসাজনিত কার্যক্রম চলমান থাকায় এবং এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে আলোচনা করে আপোষ মিমাংসায় ব্যর্থ হয়ে বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়ের করা হয়। ভিক্টিম গনের পরিবার সরকারও প্রসাশনের নিকট ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও জীবনের নিরাপত্তা কামনা করছে।
আসামীগন হচ্ছে
১। তৈয়ার আলী (৫৮)
২। আব্দুল করিম (৪৫)
৩। খাইরুল ইসলাম (৩৩)
৪। আব্দুল হালিম (৩৬)
৫। কাশেম আলী (২৫)
৬। ওয়াহাব আলী (৩৩)
৭। মোতালেব (৩৯)
৮। নেওয়াজ আলী (২৫)















