ঢাকা, বাংলাদেশ। , বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

লামায় সন্ধ্যা নামতেই শুরু হয় বাঁশ পাচার

প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৯:০৮:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৫
  • / ৬০ বার পঠিত
Print News
জাহিদ হাসান,বান্দরবান প্রতিনিধি : পার্বত্য বান্দরবান জেলার লামা উপজেলায় সন্ধ্যা নামতেই শুরু হয় বাঁশ পাচার। আর এসব বাঁশ পাচারে রয়েছে ফ্যাসিবাদী আওয়ামীলীগ ও বিএনপির সমর্থিত সরই এবং বমুবিলছড়ি এলাকার সংঘবদ্ধ একটি সিন্ডিকেট। স্থানীয়দের অভিযোগ, লামা বন বিভাগের আওতাধীন কয়েকটি মৌজা থেকে অবৈধভাবে রাতের আঁধারে এসব বাঁশ দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করা হয়। আর এতে সরকার লাখ লাখ টাকার রাজস্ব হতে বঞ্চিত হচ্ছে।অভিযোগ রয়েছে, লামা-চকোরিয়া সড়ক, ক্যাজুপাড়া-লোহাগড়া সড়ক, গজালিয়া-ফাইতং সড়ক, আজিজনগর-পূর্ব চাম্বী সড়ক, সরই কম্পইন্যা-ডিগ্রি খোলা সড়ক, আলীকদম- চকোরিয়া সড়ক, হার গাজা সড়ক, কুমারী বনপুর সড়ক, ইয়াংছা-মানিকপুর সড়ক, বনপুর সড়ক, হায়দারনাশী সড়ক দিয়ে প্রতিদিন ও রাতে অবৈধভাবে বাঁশ পাচার করা হচ্ছে। নামমাত্র রাজস্ব আদায়ের দাখিলা কেটে চলাচল পাশ নিয়ে কয়েকগুণ বেশী বাঁশ পাচার করা হচ্ছে। এর ফলে সরকার প্রতিমাসে লক্ষ লক্ষ টাকার রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের এই সিন্ডিকেট এখনো পুরোদমে অবৈধভাবে বাঁশ পাচার করে যাচ্ছে। এই পাচারকারীরা সিন্ডিকেট নিজেদেরকে বিগত সরকারের আমলে আওয়ামী লীগ এর নেতাদের বিশ্বাসভাজন বলে পরিচয় দিতেন। একই সিন্ডিকেট নিজেদের বর্তমানে বিএনপির লোক পরিচয় দিচ্ছেন। সুবিধাবাদী এই সক্রিয় চক্র বাঁশ ব্যাবসাকে একক ভাবে নিয়ন্ত্রণ করে যাচ্ছে। সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে এরা রাতারাতি আঙুল ফুলে কলাগাছে পরিণত হয়েছে। অপর এক অভিযোগে জানাগেছে, গজালিয়া, সরই, লামা, ছোটবমু, বড় বমু লুলাইংমুখ এলাকায় এককভাবে নিয়ন্ত্রণ করে এমন একজন পাচারকারী নামমাত্র রাজস্ব দাখিলা দিয়ে রাতের বেলায় বাঁশ পাচার করে যাচ্ছে। পূর্বের যে কোন সময়ের তুলনায় বর্তমানে এই পাচারকারী গডফাদার বেপরোয়াভাবে চোরাই কাজ করে যাচ্ছে। বন বিভাগের লোকজনকে ফাঁকি দিয়ে পাচারকারী গডফাদার রাতের বেলায় ট্রাকযোগে ও পিকআপ যোগে বাঁশ পাচার করে যাচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে বাঁশ পাচারকারীদের সহযোগিতা করার জন্য দিনের শেষ ভাগে চলাচল পাশের লোডিং চেক করা হয়। রাতের বেলায় বনজদ্রব্য লোডিং চেকের সুযোগ নাই। ডলু ছড়ি রেঞ্জ অফিসার মোঃ হাবিবউল্লাহ জানান, অবৈধভাবে বাঁশ পাচার করতে দেওয়া হবে না। লামা সদর রেঞ্জের অফিসার একেএম আতা ইলাহী জানান, চলাচল পাশের অতিরিক্ত বাশ পরিবহনের কোন সুযোগ নাই।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

লামায় সন্ধ্যা নামতেই শুরু হয় বাঁশ পাচার

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৯:০৮:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৫
Print News
জাহিদ হাসান,বান্দরবান প্রতিনিধি : পার্বত্য বান্দরবান জেলার লামা উপজেলায় সন্ধ্যা নামতেই শুরু হয় বাঁশ পাচার। আর এসব বাঁশ পাচারে রয়েছে ফ্যাসিবাদী আওয়ামীলীগ ও বিএনপির সমর্থিত সরই এবং বমুবিলছড়ি এলাকার সংঘবদ্ধ একটি সিন্ডিকেট। স্থানীয়দের অভিযোগ, লামা বন বিভাগের আওতাধীন কয়েকটি মৌজা থেকে অবৈধভাবে রাতের আঁধারে এসব বাঁশ দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করা হয়। আর এতে সরকার লাখ লাখ টাকার রাজস্ব হতে বঞ্চিত হচ্ছে।অভিযোগ রয়েছে, লামা-চকোরিয়া সড়ক, ক্যাজুপাড়া-লোহাগড়া সড়ক, গজালিয়া-ফাইতং সড়ক, আজিজনগর-পূর্ব চাম্বী সড়ক, সরই কম্পইন্যা-ডিগ্রি খোলা সড়ক, আলীকদম- চকোরিয়া সড়ক, হার গাজা সড়ক, কুমারী বনপুর সড়ক, ইয়াংছা-মানিকপুর সড়ক, বনপুর সড়ক, হায়দারনাশী সড়ক দিয়ে প্রতিদিন ও রাতে অবৈধভাবে বাঁশ পাচার করা হচ্ছে। নামমাত্র রাজস্ব আদায়ের দাখিলা কেটে চলাচল পাশ নিয়ে কয়েকগুণ বেশী বাঁশ পাচার করা হচ্ছে। এর ফলে সরকার প্রতিমাসে লক্ষ লক্ষ টাকার রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের এই সিন্ডিকেট এখনো পুরোদমে অবৈধভাবে বাঁশ পাচার করে যাচ্ছে। এই পাচারকারীরা সিন্ডিকেট নিজেদেরকে বিগত সরকারের আমলে আওয়ামী লীগ এর নেতাদের বিশ্বাসভাজন বলে পরিচয় দিতেন। একই সিন্ডিকেট নিজেদের বর্তমানে বিএনপির লোক পরিচয় দিচ্ছেন। সুবিধাবাদী এই সক্রিয় চক্র বাঁশ ব্যাবসাকে একক ভাবে নিয়ন্ত্রণ করে যাচ্ছে। সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে এরা রাতারাতি আঙুল ফুলে কলাগাছে পরিণত হয়েছে। অপর এক অভিযোগে জানাগেছে, গজালিয়া, সরই, লামা, ছোটবমু, বড় বমু লুলাইংমুখ এলাকায় এককভাবে নিয়ন্ত্রণ করে এমন একজন পাচারকারী নামমাত্র রাজস্ব দাখিলা দিয়ে রাতের বেলায় বাঁশ পাচার করে যাচ্ছে। পূর্বের যে কোন সময়ের তুলনায় বর্তমানে এই পাচারকারী গডফাদার বেপরোয়াভাবে চোরাই কাজ করে যাচ্ছে। বন বিভাগের লোকজনকে ফাঁকি দিয়ে পাচারকারী গডফাদার রাতের বেলায় ট্রাকযোগে ও পিকআপ যোগে বাঁশ পাচার করে যাচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে বাঁশ পাচারকারীদের সহযোগিতা করার জন্য দিনের শেষ ভাগে চলাচল পাশের লোডিং চেক করা হয়। রাতের বেলায় বনজদ্রব্য লোডিং চেকের সুযোগ নাই। ডলু ছড়ি রেঞ্জ অফিসার মোঃ হাবিবউল্লাহ জানান, অবৈধভাবে বাঁশ পাচার করতে দেওয়া হবে না। লামা সদর রেঞ্জের অফিসার একেএম আতা ইলাহী জানান, চলাচল পাশের অতিরিক্ত বাশ পরিবহনের কোন সুযোগ নাই।