ঢাকা, বাংলাদেশ। , বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

লালপুরে খাল খননের দাবি কৃষকদের

প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০২:৫৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৫
  • / ৭৮ বার পঠিত

মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান(রতন) : নাটোরের লালপুর উপজেলার পাটিকাবাড়ী ও কুজিপুকুরে ফসলি জমিতে জলাবদ্ধতা নিরসনে পানি নিষ্কাশনের জন্য খাল খননের দাবি করেছেন স্থানীয় কৃষকরা। জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার সহ বিভিন্ন দপ্তরের আবেদন করেও কোন প্রতিকার পাননি বলে অভিযোগ তুলেছে কৃষকেরা। সরজমিনে গিয়ে স্থানীয় কৃষকদের সাথে কথা বললে এই অভিযোগ করেন তারা। মতামত,পাটিকাবাড়ী এলাকার কৃষক হানিফ আলী বলেন , মাঠের জলাবদ্ধতা নিরসনে পানি নিষ্কাশনের জন্য খাল খননের কাজে আমাদের নিজেদের জমি দেব। একই এলাকার কৃষক মোজাফফর হোসেন খান বলেন , জলাবদ্ধতার কারণে আমরা জমিতে একটি আবাদ করে শুধু ইরি ধান পাই। পানি নিস্কাশনে খাল খনের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার সহ বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করেছি। শিক্ষক বদরুল আলম বলেন, জলাবদ্ধতার কারণে পুরো ১ বছরে একটি ফসল ইরি ধান পাই। আর আখ সহ রবি শস্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। কুজিপুকুর এলাকার কৃষক আলিমুদ্দিন বলেন, জলাবদ্ধতার কারণে এই বছর কোন ফসল আবাদ করতে পারিনি। একই এলাকার কৃষক নাজের আলী বলেন,জলাবদ্ধতার কারণে আমার জমির ধান পানিতে ডুবে গেছে। এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মেহেদী হাসান বলেন,আবেদন পেয়েছি। জনস্বার্থে কাজটির প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য সংস্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

লালপুরে খাল খননের দাবি কৃষকদের

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০২:৫৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৫

মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান(রতন) : নাটোরের লালপুর উপজেলার পাটিকাবাড়ী ও কুজিপুকুরে ফসলি জমিতে জলাবদ্ধতা নিরসনে পানি নিষ্কাশনের জন্য খাল খননের দাবি করেছেন স্থানীয় কৃষকরা। জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার সহ বিভিন্ন দপ্তরের আবেদন করেও কোন প্রতিকার পাননি বলে অভিযোগ তুলেছে কৃষকেরা। সরজমিনে গিয়ে স্থানীয় কৃষকদের সাথে কথা বললে এই অভিযোগ করেন তারা। মতামত,পাটিকাবাড়ী এলাকার কৃষক হানিফ আলী বলেন , মাঠের জলাবদ্ধতা নিরসনে পানি নিষ্কাশনের জন্য খাল খননের কাজে আমাদের নিজেদের জমি দেব। একই এলাকার কৃষক মোজাফফর হোসেন খান বলেন , জলাবদ্ধতার কারণে আমরা জমিতে একটি আবাদ করে শুধু ইরি ধান পাই। পানি নিস্কাশনে খাল খনের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার সহ বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করেছি। শিক্ষক বদরুল আলম বলেন, জলাবদ্ধতার কারণে পুরো ১ বছরে একটি ফসল ইরি ধান পাই। আর আখ সহ রবি শস্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। কুজিপুকুর এলাকার কৃষক আলিমুদ্দিন বলেন, জলাবদ্ধতার কারণে এই বছর কোন ফসল আবাদ করতে পারিনি। একই এলাকার কৃষক নাজের আলী বলেন,জলাবদ্ধতার কারণে আমার জমির ধান পানিতে ডুবে গেছে। এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মেহেদী হাসান বলেন,আবেদন পেয়েছি। জনস্বার্থে কাজটির প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য সংস্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।