ঢাকা, বাংলাদেশ। , বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

শাজাহানপুরে গলায় ফাঁস দিয়ে কলেজছাত্রের আত্মহত্যা

শাজাহানপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি:
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০১:০১:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫
  • / ৩৫ বার পঠিত
‎বগুড়ার শাজাহানপুর থানার আড়িয়া ইউনিয়নের রহিমাবাদ (বি-ব্লক) জনৈক হাবিবের ভাড়াটিয়া কলেজছাত্র তুষার চন্দ্র (২১) নামের এক যুবকের  নিজ শয়ন কক্ষ থেকে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।
‎‎মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) দুপুর সোয়া ১টার দিকে  পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে। নিহত তুষার নাটোর জেলার নলডাঙ্গা থানার পূর্বমাধনগর গ্রামের কৃষ্ণ বাঁশফোরের ছেলে। সে সরকারি আযিযুল হক কলেজের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে। ‎নিহত তুষারের বাবা কৃষ্ণ বাঁশফোর বগুড়া সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ‎(সিএমএইচ) এ পরিচ্ছন্নকর্মী হিসেবে কর্মরত থাকার কারণে প্রায় ১৩ বছর যাবত শাজাহানপুর উপজেলার বি-ব্লক এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন।
‎প্রতিদিনের ন্যায় মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) সকাল ৬টার সময় কৃষ্ণ বাঁশফোর ছেলেকে বাসায় একা রেখে চাকুরীর সুবাদে সিএমএইচ এ  যান। গত ৫-৬ দিন আগে তুষারের মা তারা বাবার বাসা জয়পুরহাটে যান। তখন থেকে বাবার সাথেই বাসায় ছিল তুষার। তুষারের মা রুমা রাণী সকাল থেকে ছেলে তুষার ফোনে না পেয়ে মুঠো ফোনে তার বাবাকে বিষয়টি জানালে তুষারের বাবা অফিস থেকে বাসায় যান। দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে বাসায় প্রবেশ করে ছেলের শয়ন কক্ষের ছাদে থাকা ফ্যান ঝুলানো হুকের সাথে ছেলেকে ফাঁসিকে ঝুলতে দেখেন। ধারণা করা হচ্ছে, বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে গলায় ফাঁস দেয় তুষার।
‎‎প্রতিবেশীরা জানান, তুষার মানষিক ভাবে হতাশাগ্রস্থ হওয়ায় সকলের অগচরে গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছে। ‎স্থানীয় ইউপি সদস্য আড়িয়া ইউপি’র প্যানেল চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম জানান, লাশ উদ্ধারের সময় তুষারের ডায়েরির ভিতর থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে। তাতে লেখা ছিল ‘আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়’।
‎বিষয়টি নিশ্চিত করে শাজাহানপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শফিকুল ইসলাম (পলাশ) জানান, ভিকটিমের পিতার আবেদনের প্রেক্ষিতে মানবিক দিক বিবেচনা করে মৃতদেহ সামাজিকভাবে সৎকারের জন্য বিনা ময়না তদন্তে লাশ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। এ বিষয়ে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা রুজু করা হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

শাজাহানপুরে গলায় ফাঁস দিয়ে কলেজছাত্রের আত্মহত্যা

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০১:০১:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫
‎বগুড়ার শাজাহানপুর থানার আড়িয়া ইউনিয়নের রহিমাবাদ (বি-ব্লক) জনৈক হাবিবের ভাড়াটিয়া কলেজছাত্র তুষার চন্দ্র (২১) নামের এক যুবকের  নিজ শয়ন কক্ষ থেকে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।
‎‎মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) দুপুর সোয়া ১টার দিকে  পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে। নিহত তুষার নাটোর জেলার নলডাঙ্গা থানার পূর্বমাধনগর গ্রামের কৃষ্ণ বাঁশফোরের ছেলে। সে সরকারি আযিযুল হক কলেজের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে। ‎নিহত তুষারের বাবা কৃষ্ণ বাঁশফোর বগুড়া সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ‎(সিএমএইচ) এ পরিচ্ছন্নকর্মী হিসেবে কর্মরত থাকার কারণে প্রায় ১৩ বছর যাবত শাজাহানপুর উপজেলার বি-ব্লক এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন।
‎প্রতিদিনের ন্যায় মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) সকাল ৬টার সময় কৃষ্ণ বাঁশফোর ছেলেকে বাসায় একা রেখে চাকুরীর সুবাদে সিএমএইচ এ  যান। গত ৫-৬ দিন আগে তুষারের মা তারা বাবার বাসা জয়পুরহাটে যান। তখন থেকে বাবার সাথেই বাসায় ছিল তুষার। তুষারের মা রুমা রাণী সকাল থেকে ছেলে তুষার ফোনে না পেয়ে মুঠো ফোনে তার বাবাকে বিষয়টি জানালে তুষারের বাবা অফিস থেকে বাসায় যান। দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে বাসায় প্রবেশ করে ছেলের শয়ন কক্ষের ছাদে থাকা ফ্যান ঝুলানো হুকের সাথে ছেলেকে ফাঁসিকে ঝুলতে দেখেন। ধারণা করা হচ্ছে, বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে গলায় ফাঁস দেয় তুষার।
‎‎প্রতিবেশীরা জানান, তুষার মানষিক ভাবে হতাশাগ্রস্থ হওয়ায় সকলের অগচরে গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছে। ‎স্থানীয় ইউপি সদস্য আড়িয়া ইউপি’র প্যানেল চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম জানান, লাশ উদ্ধারের সময় তুষারের ডায়েরির ভিতর থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে। তাতে লেখা ছিল ‘আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়’।
‎বিষয়টি নিশ্চিত করে শাজাহানপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শফিকুল ইসলাম (পলাশ) জানান, ভিকটিমের পিতার আবেদনের প্রেক্ষিতে মানবিক দিক বিবেচনা করে মৃতদেহ সামাজিকভাবে সৎকারের জন্য বিনা ময়না তদন্তে লাশ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। এ বিষয়ে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা রুজু করা হয়েছে।