ঢাকা, বাংলাদেশ।
,
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
তাজা খবর
“কানাডার এমপি নির্বাচনে জয়ী ডলি বেগমকে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র অভিনন্দন
উৎসব আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হলো ১৪৪ তম খুলনা দিবস!
চট্রগ্রামের জব্বারের বলি খেলায় হ্যাট্রিক চ্যাম্পিয়ন হোমনার বাঘা শরীফ
কৃষকের ন্যায্য মূল্য কোথায় যায়?
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত
ছদ্মবেশী অস্ত্র ‘পেনগান’
ব্যাংকিং খাতে আস্থা সংকট
যশোরে কৃত্রিম তেল সংকটে দিশেহারা চালক ও সাধারণ মানুষ
জ্বালানি সঙ্কটের মধ্যেই অস্ট্রেলিয়ার তেল শোধনাগারে ভয়াবহ আগুন
ফুয়েল পাস নিতে নিবন্ধনের নিয়ম
শাজাহানপুরে চাঁদাবাজির অভিযোগে পুলিশ কনস্টেবল আটক

মো: আব্দুল হান্নান শাজাহানপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি
- সর্বশেষ পরিমার্জন: ০১:২৫:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৪ জুলাই ২০২৫
- / ৮৫ বার পঠিত

বগুড়ার শাজাহানপুরে চাঁদাবাজির অভিযোগে স্থানীয় লোকজন রুহুল আমিন নামে এক পুলিশ কনস্টেবলকে মারধর ও আটক করে রাখলে পুলিশ ও সেনাবাহিনী তাকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নিয়ে আসে।
আহত পুলিশ সদস্য রুহুল আমিন শাজাহানপুর থানায় কনস্টেবল পদে কর্মরত। জানা গেছে, রুহুল আমিন সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া থানার কয়রা শরতলীর বাসিন্দা। এছাড়া শাজাহানপুর থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুনের বডিগার্ড হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) দুপুরে উপজেলার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় চাঁদাবাজির সময় স্থানীয়রা তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। পরে উত্তেজিত জনতা তাকে ঘিরে ফেললে মারধর করে। খবর পেয়ে শাজাহানপুর থানা পুলিশ ও সেনাবাহিনীর একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে জনতার হাত থেকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় নিশ্চিন্তপুর এলাকার বাসিন্দা অ্যাডভোকেট শাপলা খাতুন শাজাহানপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এজাহার অনুযায়ী, রুহুল আমিন কিছুদিন আগে ডিবি পরিচয়ে শাপলার বাবা আব্দুল বাকি (৬০) এর বাড়িতে তাকে আটক করার জন্য গিয়ে না পেয়ে সে ৫০০ টাকা নিয়ে যায়। বৃহস্পতিবার পুনঃরায় গ্রামে এসে শাপলার ভাই সবুজকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থানা থেকে মিসিং বুলেট তাদের বাড়ির পাশে পাওয়া গেছে এমন অভিযোগে সবুজকে ফাঁসানোর চেষ্টা এবং ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা দাবি করেন রুহুল আমিন। এরপর জনগণ ক্ষিপ্ত হয়ে রুহুল আমিনকে মারধর ও আটক করে রাখে।
এ বিষয়ে শাজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, চাঁদাবাজির অভিযোগে রুহুল আমিন নামে একজন কনস্টেবলকে স্থানীয়রা আটক করেছিল। তাকে মারধর করা হয়েছে। খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে আমাদের হেফাজতে শজিমেক হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। চাঁদাবাজির বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আরও পড়ুন:


















