ঢাকা, বাংলাদেশ। , শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

শীতের দাপটে কাঁপছে শ্রীমঙ্গল; সর্বনিম্ন তাপমাত্রা

প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৮:৩৩:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৫
  • / ৫১ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি: চায়ের দেশ মৌলভীবাজারে গত কয়েক দিনের ব্যবধানে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। ঘন কুয়াশা আর কনকনে ঠান্ডার কারণে ছিন্নমূল খেটেখাওয়া মানুষের দূর্ভোগ বেড়েছে।

সকাল থেকে তাপমাত্রা ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। সোমবার (২৭শে জানুয়ারি) সকাল ৯টায় এ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।

শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের সহকারী পর্যবেক্ষক মজিবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, তাপমাত্রা কমে শীত বাড়তে পারে। কুয়াশা ভেদ করে ঝলমলে রোধ উঠায় শীত কম অনুভূত হচ্ছে।

এদিকে গত দুই দিন ধরে তাপমাত্রা ৯ থেকে ১২ ডিগ্রির মধ্যে ওঠানামা করছে। রবিবার তাপমাত্রা ছিল ৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগেরদিন শনিবার ১১.২ ডিগ্রি, শুক্রবার তাপমাত্রা ছিল ১৩.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

দিনভর কুয়াশার চাঁদরে ঢেকে আছে পুরো জেলা। এরপর কুয়াশা ভেদ করে হালক্কা সূর্য়ের দেখা মিললেই আবারও কুয়াশায় ঢেকে পড়ে রাস্তাঘাট, পাহাড়, চা বাগানসহ সবকিছুই। এতে চা বাগানের শ্রমিকসহ ছিন্নমূল খেটে খাওয়া মানুষের বেশি দুর্ভোগ দেখা দেয়।

জেলা ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ঠান্ডাজনিত রোগীদের চাপও বেড়েছে বলে জানিয়েছেন মৌলভীবাজার সির্ভিল সার্জন ডা. মো. মামুনুর রশিদ।

 

আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

শীতের দাপটে কাঁপছে শ্রীমঙ্গল; সর্বনিম্ন তাপমাত্রা

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৮:৩৩:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৫

নিজস্ব প্রতিনিধি: চায়ের দেশ মৌলভীবাজারে গত কয়েক দিনের ব্যবধানে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। ঘন কুয়াশা আর কনকনে ঠান্ডার কারণে ছিন্নমূল খেটেখাওয়া মানুষের দূর্ভোগ বেড়েছে।

সকাল থেকে তাপমাত্রা ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। সোমবার (২৭শে জানুয়ারি) সকাল ৯টায় এ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।

শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের সহকারী পর্যবেক্ষক মজিবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, তাপমাত্রা কমে শীত বাড়তে পারে। কুয়াশা ভেদ করে ঝলমলে রোধ উঠায় শীত কম অনুভূত হচ্ছে।

এদিকে গত দুই দিন ধরে তাপমাত্রা ৯ থেকে ১২ ডিগ্রির মধ্যে ওঠানামা করছে। রবিবার তাপমাত্রা ছিল ৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগেরদিন শনিবার ১১.২ ডিগ্রি, শুক্রবার তাপমাত্রা ছিল ১৩.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

দিনভর কুয়াশার চাঁদরে ঢেকে আছে পুরো জেলা। এরপর কুয়াশা ভেদ করে হালক্কা সূর্য়ের দেখা মিললেই আবারও কুয়াশায় ঢেকে পড়ে রাস্তাঘাট, পাহাড়, চা বাগানসহ সবকিছুই। এতে চা বাগানের শ্রমিকসহ ছিন্নমূল খেটে খাওয়া মানুষের বেশি দুর্ভোগ দেখা দেয়।

জেলা ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ঠান্ডাজনিত রোগীদের চাপও বেড়েছে বলে জানিয়েছেন মৌলভীবাজার সির্ভিল সার্জন ডা. মো. মামুনুর রশিদ।