ঢাকা, বাংলাদেশ। , বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

শীতে নানা রকমের সবজিতে বাজারে স্বস্তি

প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৩:৫৭:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৫
  • / ৫৩ বার পঠিত
আবু সাঈদ তুষার, ঢাকা : সরবরাহ বাড়ায় বাজারে অনেকটাই স্থিতিশীল শীতকালীন শাক-সবজির দাম।  ১০ই জানুয়ারি শুক্রবার সকালে রাজধানীর বেশকটি বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।পৌষের শেষ দিকে এসে শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজধানীর বাজারগুলোতে বাড়ছে শীতকালীন শাক-সবজির সরবরাহ। দোকানিরাও এর পসরা সাজিয়ে বসছেন। এতে হাতে গোনা কয়েকটি সবজির দাম ওঠানামা করলেও স্থিতিশীল রয়েছে বেশিরভাগের দাম। বাজারে মানভেদে প্রতি কেজি বেগুন ৫০-৬০ টাকা, করলা ৪০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, মুলা ২০ টাকা, লতি ৫০-৬০ টাকা ও পটোল ৩০-৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর প্রতি কেজি পেঁপে ৩৫ টাকা, গাজর ৩৫-৪০ টাকা, ক্ষিরাই ৪০ টাকা, কাঁচা টমেটো ৩০ থেকে ৪০ টাকা, দেশি পাকা টমেটো ৫০ টাকা, শিম ২৫ টাকা, শালগম ২০ টাকা ও শসা বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও প্রতি কেজি ধনেপাতা ২০-৩০ টাকা, পেঁয়াজের কলি ২৫ টাকা, পাতাসহ পেঁয়াজ ৩০, নতুন আলু ৩০-৩৫ টাকা ও পুরাতন আলু বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। আর মানভেদে প্রতি পিস ফুলকপি ২০-২৫ টাকা, বাঁধাকপি ৩০ টাকা, ব্রকলি ৩০-৪০ টাকা এবং লাউয়ের জন্য গুনতে হচ্ছে ৪০-৫০ টাকা। দাম কমেছে কাঁচা মরিচেরও। খুচরা পর্যায়ে এটি বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৫০-৭০ টাকায়, আর পাইকারিতে ৪০-৬০ টাকা। এছাড়া, বাজারে লালশাকের আঁটি ১০ টাকা, পুঁইশাক ২৫-৩০ টাকা, লাউশাক ৩০ টাকা, মুলাশাক ১০ টাকা, কলমিশাক ১০ টাকা ও পালংশাক বিক্রি হচ্ছে ১৫ টাকায়। সবজির দামের নিম্নমুখী প্রবণতায় খুশি ভোক্তারা। তারা জানান, শীতকাল এলেই কিছুটা দাম কমে। কিন্তু সারাবছর সবজির চড়া দামে অস্থির থাকে বাজার। স্বস্তি রাখতে প্রয়োজনে আমদানি করে সরবরাহ বাড়াতে হবে।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

শীতে নানা রকমের সবজিতে বাজারে স্বস্তি

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৩:৫৭:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৫
আবু সাঈদ তুষার, ঢাকা : সরবরাহ বাড়ায় বাজারে অনেকটাই স্থিতিশীল শীতকালীন শাক-সবজির দাম।  ১০ই জানুয়ারি শুক্রবার সকালে রাজধানীর বেশকটি বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।পৌষের শেষ দিকে এসে শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজধানীর বাজারগুলোতে বাড়ছে শীতকালীন শাক-সবজির সরবরাহ। দোকানিরাও এর পসরা সাজিয়ে বসছেন। এতে হাতে গোনা কয়েকটি সবজির দাম ওঠানামা করলেও স্থিতিশীল রয়েছে বেশিরভাগের দাম। বাজারে মানভেদে প্রতি কেজি বেগুন ৫০-৬০ টাকা, করলা ৪০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, মুলা ২০ টাকা, লতি ৫০-৬০ টাকা ও পটোল ৩০-৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর প্রতি কেজি পেঁপে ৩৫ টাকা, গাজর ৩৫-৪০ টাকা, ক্ষিরাই ৪০ টাকা, কাঁচা টমেটো ৩০ থেকে ৪০ টাকা, দেশি পাকা টমেটো ৫০ টাকা, শিম ২৫ টাকা, শালগম ২০ টাকা ও শসা বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও প্রতি কেজি ধনেপাতা ২০-৩০ টাকা, পেঁয়াজের কলি ২৫ টাকা, পাতাসহ পেঁয়াজ ৩০, নতুন আলু ৩০-৩৫ টাকা ও পুরাতন আলু বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। আর মানভেদে প্রতি পিস ফুলকপি ২০-২৫ টাকা, বাঁধাকপি ৩০ টাকা, ব্রকলি ৩০-৪০ টাকা এবং লাউয়ের জন্য গুনতে হচ্ছে ৪০-৫০ টাকা। দাম কমেছে কাঁচা মরিচেরও। খুচরা পর্যায়ে এটি বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৫০-৭০ টাকায়, আর পাইকারিতে ৪০-৬০ টাকা। এছাড়া, বাজারে লালশাকের আঁটি ১০ টাকা, পুঁইশাক ২৫-৩০ টাকা, লাউশাক ৩০ টাকা, মুলাশাক ১০ টাকা, কলমিশাক ১০ টাকা ও পালংশাক বিক্রি হচ্ছে ১৫ টাকায়। সবজির দামের নিম্নমুখী প্রবণতায় খুশি ভোক্তারা। তারা জানান, শীতকাল এলেই কিছুটা দাম কমে। কিন্তু সারাবছর সবজির চড়া দামে অস্থির থাকে বাজার। স্বস্তি রাখতে প্রয়োজনে আমদানি করে সরবরাহ বাড়াতে হবে।