সংরক্ষিত নারী আসনে কালীগঞ্জ বাসীর প্রত্যাশা ছাত্রনেত্রী নাসরিন রহমান পপি

- সর্বশেষ পরিমার্জন: ১১:৫২:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
- / ১২১ বার পঠিত

মোস্তাক আহমেদ,কালীগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি: আন্দোলন, সংগ্রাম ও কর্মসূচিতে যিনি থেকেছেন অগ্রভাগে,দলের দুঃখে–কষ্টে, দমন-পীড়নের সময়েও যিনি পিছপা হননি—তিনি আমাদের গর্ব, আমাদের সাহস, আমাদের অনুপ্রেরণা নাসির রহমান পপি।
তৃণমূলের শক্তিকে সংগঠিত করা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া, দলের পতাকা সমুন্নত রাখা— এসব সংগ্রামের প্রতিটি অধ্যায়ে তাঁর অবদান স্পষ্ট ও অমলিন।আজ সময় এসেছে ত্যাগের মূল্যায়নের,
সংগ্রামের স্বীকৃতির,দৃঢ় নেতৃত্বকে যথাযথ মর্যাদা দেওয়ার।দলের পরীক্ষিত, ত্যাগী ও সংগ্রামী নেত্রী নাসরিন রহমান পপি কে সংরক্ষিত আসনে দেখতে চাই।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী সময়ে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। বিএনপি জোটের জন্য সম্ভাব্য প্রায় ৩৫টি সংরক্ষিত নারী আসনের বিপরীতে ত্যাগী, নির্যাতিত, শিক্ষিত ও পরীক্ষিত নেত্রীদের খোঁজে দলীয় শীর্ষ নেতৃত্ব মনোযোগী বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। এই প্রেক্ষাপটে আলোচনায় উঠে এসেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাসরিন রহমান পপির নাম। দীর্ঘদিন রাজপথের রাজনীতি, আন্দোলন- সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা এবং দলীয় কর্মকাণ্ডে ধারাবাহিক সম্পৃক্ততার কারণে তাকে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় দেখছেন দলীয় নেতাকর্মীদের একটি অংশ এরই ধারাবাহিকতায় আজ কালীগঞ্জ তথা গাজীপুর বাসীদের প্রাণের দাবি একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় তরুণ ছাত্রনেত্রী রাজপথের লড়াকু সৈনিক নাসরিন রহমান পপি কে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হিসেবে বাংলার কোটি মানুষের প্রাণপ্রিয় নেতা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই আশা পূরণ করবেন।
জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাজীপুর-৫ (কালীগঞ্জ, পুবাইল ও বাড়িয়া) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের বিজয়ী প্রার্থী একেএম ফজলুল হক মিলনের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন পপি। মাঠ পর্যায়ে প্রচারণা, নেতাকর্মীদের সংগঠিত করা এবং বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে পরিচিতি ও গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করেছেন। গাজীপুরের কালীগঞ্জ পৌর এলাকার বালীগাঁও গ্রামের বাসিন্দা নাসরিন রহমান পপি রাজনৈতিক ভাবে সম্পৃক্ত একটি পরিবারে বেড়ে উঠেছেন। তার দাদা মো. নজম উদ্দিন ছিলেন সাবেক ইউপি সদস্য। বাবা মো. হাবিবুর রহমান থানা বিএনপির সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক এবং ছোট চাচা মো. আফাজ উদ্দিন আফাজ কালীগঞ্জ থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। ফলে পরিবারের তৃতীয় প্রজন্ম হিসেবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন তিনি।
ছাত্রজীবনে তিতুমীর কলেজে অধ্যয়নকালে ছাত্র রাজনীতিতে সক্রিয় হন পপি। তিনি তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক এবং বর্তমানে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকার কারণে বিভিন্ন সময় হামলা ও নির্যাতনের শিকার হওয়া সত্বেও তাকে দমিয়ে রাখতে পারেনি। স্বৈরাচারবিরোধী বিভিন্ন মিছিলে সম্মুখ সারিতে থেকে নেত্বৃত্ব দিয়েছেন পপি। ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তার বাসায় হামলা ও ভাঙ্গচুরের ঘটনা ঘটেছে। পাশাপাশি তার পরিবারের সদস্যদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে একাধিক রাজনৈতিক মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এ সম্পর্কে নাসরিন রহমান পপি বলেন, বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে যারা রাজপথে ছিল, দল তাদের মূল্যায়নের কথা বলেছে। সেই বিবেচনায় আমি মনে করি সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য আমি একজন প্রাপ্য প্রার্থী। দল যদি আমাকে যোগ্য মনে করে মনোনয়ন দেয়, তাহলে নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা দিয়ে কাজ করব ইনশাআল্লাহ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মূল দল ও মহিলা দলের পাশাপাশি অতীত ও বর্তমান ছাত্রদল থেকে উঠে আসা বেশ কয়েকজন নেত্রী সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য আলোচনায় রয়েছেন। সেই তালিকায় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাসরিন রহমান পপির নামও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় আসছে।দুঃসময়ের অন্ধকার ভেদ করে যিনি সাহসের মশাল জ্বালিয়ে রেখেছেন,






















