ঢাকা, বাংলাদেশ। , বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

সহকারি রেল স্টেশন মাস্টারের বিরুদ্ধে টিকেট বিক্রিতে বাধা

প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৭:৩৩:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৫
  • / ৫৭ বার পঠিত
Print News
মোঃ নয়ন মিয়া বিরামপুর প্রতিনিধি :  দিনাজপুর দিনাজপুর বিরামপুরে রেল স্টেশনের মাস্টার আলাউদ্দিনের রেলের টিকিট বিক্রিতে বাধা। যাত্রী ও কর্মচারীদের সঙ্গে অশোভনীয় আচরণের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা  পাকশির নিকট  অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। রেল বিভাগ অভিযোগের ভিত্তিতে  তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। গত বছরের ১০ই ডিসেম্বর  পার্বতীপুর- বিরামপুর (ভারপ্রাপ্ত ইস্টিশন মাস্টার মোঃ রফিক চৌধুরী জিএম সিসিএম, সিওপিএস রাজশাহী ও ডিআরএম ডিসিও পাকশী বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে বিরামপুর রেলস্টেশনে কর্মরত সহকারি স্টেশন মাস্টার  (গ্রেড-৪) কাজী আলাউদ্দিন ফয়েজ দীর্ঘদিন যাবত যাত্রীদের সঙ্গে  অসোভনীয় আচরণ করে আসছেন। একইভাবে তিনি  কর্মরত অন্যান্য কর্মচারীদের সঙ্গে তুই তুকারি সহ  অসভ্য আচরণ করে থাকেন। গত বছরের 29 শে নভেম্বর  পোর্টার  ইসমাইল হোসেন  টিকিট বিক্রি করা গেলেন সময়ে  তিনি ইসমাইলকে নিয়ে বের হয়ে যান। এতে চিলাহাটি  এক্সপ্রেস  ১০-১৫ যাত্রী টিকিট নিতে পারেননি। তৎক্ষণাৎ বিষয়টি হেড বুকিং কর্মকর্তাকে অবগত করা হয়েছে। সেই প্রেক্ষিতে ডিসিও  পাকশী কন্ট্রোল  অর্ডার নাম্বার ২৭৭ মুলে কাউন্টারের টিকিট বিক্রির অনুমতি প্রদান করেন। কিন্তু হঠাৎ আলাউদ্দিন  ফয়েজ  গত বছরের ৮ ডিসেম্বর  বুকিং সহকারি অহিদুজ্জামান সুজনকে  (গ্রেড-২) ডেকে বলেন ডিটিও পাকশী কন্ট্রোলের  ১২৩ অর্ডার মূলে  প্রোর্টার  কাউন্টারে  টিকেট বিক্রি করতে পারবেনা  হেড বুকিং কর্মকর্তাকে এ বিষয়টি জানানো হলে  তিনি এ বিষয়ে  কিছুই জানেন না বলে জানান । ডিটিও পাকশী সাহেবের  অনুমতি ছাড়া  বানোয়াট একটি কন্ট্রোল অর্ডার নাম্বার  দিয়ে কর্মচারীদের টিকিট বিক্রির কাজ  ব্যাহত করার অপচেষ্টা  এবং একজন বিসিএস পদমর্যাদা সম্পন্ন   কর্মকর্তা  কে অবমাননা করা হয়েছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু প্রতিকার  ও অভিযুক্ত সহকারী  স্টেশন মাস্টার (গ্রেড-৪) কাজী আলাউদ্দিনের বিরুদ্ধে  বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে  বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা  পাকশীর নিকট  অভিযোগ পত্র দাখিল করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে জানার জন্য সহকারী স্টেশন মাস্টার (গ্রেড-৪) কাজী আলাউদ্দিনের  জানতে চাইলে তিনি জানান  তদন্ত প্রতিবেদনে যা আসবে তাই মেনে নেব। পকশী বিভাগীয় রেল পরিবহন  কর্মকর্তা হাসিনা খাতুন বলেন  অভিযোগের প্রেক্ষিতে ট্রাফিক ইন্সপেক্টর  হাবিবুর রহমানকে দিয়ে  এক সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

সহকারি রেল স্টেশন মাস্টারের বিরুদ্ধে টিকেট বিক্রিতে বাধা

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৭:৩৩:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৫
Print News
মোঃ নয়ন মিয়া বিরামপুর প্রতিনিধি :  দিনাজপুর দিনাজপুর বিরামপুরে রেল স্টেশনের মাস্টার আলাউদ্দিনের রেলের টিকিট বিক্রিতে বাধা। যাত্রী ও কর্মচারীদের সঙ্গে অশোভনীয় আচরণের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা  পাকশির নিকট  অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। রেল বিভাগ অভিযোগের ভিত্তিতে  তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। গত বছরের ১০ই ডিসেম্বর  পার্বতীপুর- বিরামপুর (ভারপ্রাপ্ত ইস্টিশন মাস্টার মোঃ রফিক চৌধুরী জিএম সিসিএম, সিওপিএস রাজশাহী ও ডিআরএম ডিসিও পাকশী বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে বিরামপুর রেলস্টেশনে কর্মরত সহকারি স্টেশন মাস্টার  (গ্রেড-৪) কাজী আলাউদ্দিন ফয়েজ দীর্ঘদিন যাবত যাত্রীদের সঙ্গে  অসোভনীয় আচরণ করে আসছেন। একইভাবে তিনি  কর্মরত অন্যান্য কর্মচারীদের সঙ্গে তুই তুকারি সহ  অসভ্য আচরণ করে থাকেন। গত বছরের 29 শে নভেম্বর  পোর্টার  ইসমাইল হোসেন  টিকিট বিক্রি করা গেলেন সময়ে  তিনি ইসমাইলকে নিয়ে বের হয়ে যান। এতে চিলাহাটি  এক্সপ্রেস  ১০-১৫ যাত্রী টিকিট নিতে পারেননি। তৎক্ষণাৎ বিষয়টি হেড বুকিং কর্মকর্তাকে অবগত করা হয়েছে। সেই প্রেক্ষিতে ডিসিও  পাকশী কন্ট্রোল  অর্ডার নাম্বার ২৭৭ মুলে কাউন্টারের টিকিট বিক্রির অনুমতি প্রদান করেন। কিন্তু হঠাৎ আলাউদ্দিন  ফয়েজ  গত বছরের ৮ ডিসেম্বর  বুকিং সহকারি অহিদুজ্জামান সুজনকে  (গ্রেড-২) ডেকে বলেন ডিটিও পাকশী কন্ট্রোলের  ১২৩ অর্ডার মূলে  প্রোর্টার  কাউন্টারে  টিকেট বিক্রি করতে পারবেনা  হেড বুকিং কর্মকর্তাকে এ বিষয়টি জানানো হলে  তিনি এ বিষয়ে  কিছুই জানেন না বলে জানান । ডিটিও পাকশী সাহেবের  অনুমতি ছাড়া  বানোয়াট একটি কন্ট্রোল অর্ডার নাম্বার  দিয়ে কর্মচারীদের টিকিট বিক্রির কাজ  ব্যাহত করার অপচেষ্টা  এবং একজন বিসিএস পদমর্যাদা সম্পন্ন   কর্মকর্তা  কে অবমাননা করা হয়েছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু প্রতিকার  ও অভিযুক্ত সহকারী  স্টেশন মাস্টার (গ্রেড-৪) কাজী আলাউদ্দিনের বিরুদ্ধে  বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে  বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা  পাকশীর নিকট  অভিযোগ পত্র দাখিল করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে জানার জন্য সহকারী স্টেশন মাস্টার (গ্রেড-৪) কাজী আলাউদ্দিনের  জানতে চাইলে তিনি জানান  তদন্ত প্রতিবেদনে যা আসবে তাই মেনে নেব। পকশী বিভাগীয় রেল পরিবহন  কর্মকর্তা হাসিনা খাতুন বলেন  অভিযোগের প্রেক্ষিতে ট্রাফিক ইন্সপেক্টর  হাবিবুর রহমানকে দিয়ে  এক সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।