ঢাকা, বাংলাদেশ। , বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
ঘুষ ছাড়া কাজ করেন না তিমির কান্তি 

সাংবাদিক দেখে পালালেন উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা

আশরাফুল ইসলাম সোহাগ, মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর)
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৭:২৭:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ৬৭ বার পঠিত
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার সাপলেজা ইউনিয়ন উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা তিমির কান্তি হালদারের বিরুদ্ধে জমি নামজারিসহ বিভিন্ন কাজে নিয়ম-নীতি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, টাকা ছাড়া তিনি কোনো কাজ করেন না। অর্থের বিনিময়ে যাচাই-বাছাই ছাড়াই প্রতিবেদন তৈরি করায় প্রতারিত হচ্ছেন অসংখ্য সাধারণ মানুষ। নামজারিতে ১১৭০ টাকা লাগলোও ৭ হাজার টাকা নিচ্ছে। নামজারি মঞ্জুর হলে ১১০০ টাকা অনলাইনে পরিশোধ করুন এমন সাইনবোর্ড থাকলেও বাস্তবে ভিন্ন চিত্র। অনেকে ক্যামেরার সামনে কথা বলতে ভয় পাচ্ছেন যদি কাগজ এলোমেলো হয়ে যায়।
অভিযোগের ভিত্তিতে সাংবাদিক সরেজমিনে গেলে, সাংবাদিকদের সামনে বসিয়ে রেখে হঠাৎ দৌড়ে পালিয়ে যান তিমির কান্তি হালদার। এরপর তাকে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও সাড়া মেলেনি।
ভুক্তভোগীরা জানান,এমন অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে সাধারণ মানুষ জমি সংক্রান্ত নানা জটিলতায় পড়ছেন । আমরা গ্রামের সহজ সরল মানুষ ১১৭০ টাকা লাগলেও আমরা জানি ৭ হাজার টাকা। তারা সেই টাকা নিচ্ছে আমরা দিতে বাধ্য হচ্ছি। টাকা না দিলে কারো কাগজ ঠিক মতন করে দেন না সেই ভয় টাকা দিচ্ছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ইউনিয়নের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা শ্যামল চন্দ্র মিস্ত্রি বলেন,আমাকে না জানিয়ে তিমির বাবু অফিস ছেড়ে চলে গেছেন। হয়তো সাংবাদিকদের দেখেই তিনি পালিয়ে যান।
মঠবাড়িয়া সহকারী ভূমি কমিশনার রাইসুল ইসলাম জানান, তিমির কান্তি হালদারের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক অভিযোগ ওঠায় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।তার বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রেক্ষিতে এরই মধ্যে দুটি ইনক্রিমেন্ট বাতিল করা হয়েছে এবং পদোন্নতি স্থগিত রাখা হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

ঘুষ ছাড়া কাজ করেন না তিমির কান্তি 

সাংবাদিক দেখে পালালেন উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৭:২৭:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার সাপলেজা ইউনিয়ন উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা তিমির কান্তি হালদারের বিরুদ্ধে জমি নামজারিসহ বিভিন্ন কাজে নিয়ম-নীতি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, টাকা ছাড়া তিনি কোনো কাজ করেন না। অর্থের বিনিময়ে যাচাই-বাছাই ছাড়াই প্রতিবেদন তৈরি করায় প্রতারিত হচ্ছেন অসংখ্য সাধারণ মানুষ। নামজারিতে ১১৭০ টাকা লাগলোও ৭ হাজার টাকা নিচ্ছে। নামজারি মঞ্জুর হলে ১১০০ টাকা অনলাইনে পরিশোধ করুন এমন সাইনবোর্ড থাকলেও বাস্তবে ভিন্ন চিত্র। অনেকে ক্যামেরার সামনে কথা বলতে ভয় পাচ্ছেন যদি কাগজ এলোমেলো হয়ে যায়।
অভিযোগের ভিত্তিতে সাংবাদিক সরেজমিনে গেলে, সাংবাদিকদের সামনে বসিয়ে রেখে হঠাৎ দৌড়ে পালিয়ে যান তিমির কান্তি হালদার। এরপর তাকে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও সাড়া মেলেনি।
ভুক্তভোগীরা জানান,এমন অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে সাধারণ মানুষ জমি সংক্রান্ত নানা জটিলতায় পড়ছেন । আমরা গ্রামের সহজ সরল মানুষ ১১৭০ টাকা লাগলেও আমরা জানি ৭ হাজার টাকা। তারা সেই টাকা নিচ্ছে আমরা দিতে বাধ্য হচ্ছি। টাকা না দিলে কারো কাগজ ঠিক মতন করে দেন না সেই ভয় টাকা দিচ্ছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ইউনিয়নের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা শ্যামল চন্দ্র মিস্ত্রি বলেন,আমাকে না জানিয়ে তিমির বাবু অফিস ছেড়ে চলে গেছেন। হয়তো সাংবাদিকদের দেখেই তিনি পালিয়ে যান।
মঠবাড়িয়া সহকারী ভূমি কমিশনার রাইসুল ইসলাম জানান, তিমির কান্তি হালদারের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক অভিযোগ ওঠায় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।তার বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রেক্ষিতে এরই মধ্যে দুটি ইনক্রিমেন্ট বাতিল করা হয়েছে এবং পদোন্নতি স্থগিত রাখা হয়েছে।