ঢাকা, বাংলাদেশ। , বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

সীমান্তে হত্যা বন্ধ ও বিচারের দাবীতে কুড়িগ্রামে মার্চ ফর ফেলানী

প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৮:১১:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৫
  • / ৩৭ বার পঠিত
Print News

শাহীন শহীদ : কুড়িগ্রামে ‘মার্চ ফর ফেলানী’ কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার পর নাগেশ্বরীতে জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম বলেন, সীমান্তে আর কোনো লাশ দেখতে চাই না। বাংলাদেশের যত নাগরিককে সীমান্তে হত্যা করা হয়েছে তার বিচার আন্তর্জাতিক আদালতে করতে হবে।’সারজিস আলম আরও বলেন, আর যদি আমার কোনো ভাই-বোনের সীমান্তে কাঁটাতারে লাশ ঝুলে তাহলে কাঁটাতারকে লক্ষ্য করে ‘মার্চ ফর ফেলানীর’ মত লং মার্চ করা হবে। ‘ছাত্রজনতা আন্দোলনের মাধ্যমে যে নতুন বাংলাদেশ দিয়েছে সেই ছাত্রজনতা নতজানু পররাষ্ট্রনীতি মেনে নিবে না। আগামীতে বাংলাদেশে যারাই ক্ষমতায় আসুক না কেন তারা যদি ক্ষমতা আকড়ে ধরতে কোনো দেশের দালাল হোন তাহলে তাদের পরিনতি হবে ফ্যসিস্ট হাসিনার মতো।বৃহস্পতিবার লং মার্চের শুরুতে ফেলানী হত্যাসহ সীমান্তে সকল নাগরিক হত্যার বিচার, সীমান্তে মরণঘাতী অস্ত্র বন্ধ, শহীদ ফেলানীর নামে কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক ভবনের নামকরণ, নতজানু পররাষ্ট্রনীতি বাতিল করে সাম্যের ভিত্তিতে পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ ও কুড়িগ্রামের চরের জীবন জীবিকা উন্নয়নে নদী সংস্কারসহ ৫ দফা দাবি জানান সারজিস আলম। লং মার্চে উপস্থিত ছিলেন- জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী, যুগ্ম আহবায়ক ড. আতিক মুজাহিদ, সদস্য সচিব আরিফ সোহেল, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-আন্দোলনের দফতর সম্পাদক জাহিদ আহসান, সমন্বয়ক রকিব মাসুদসহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতারা। লং মার্চটি সকাল ১১ টায় কুড়িগ্রাম জেলা শহরের কলেজ মোড় থেকে শুরু হয়ে  শেষ হয়  নাগেশ্বরী উপজেলার রামখানা ইউনিযনের বাসিন্দা  ফেলানীর বাড়িতে।

আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

সীমান্তে হত্যা বন্ধ ও বিচারের দাবীতে কুড়িগ্রামে মার্চ ফর ফেলানী

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৮:১১:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৫
Print News

শাহীন শহীদ : কুড়িগ্রামে ‘মার্চ ফর ফেলানী’ কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার পর নাগেশ্বরীতে জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম বলেন, সীমান্তে আর কোনো লাশ দেখতে চাই না। বাংলাদেশের যত নাগরিককে সীমান্তে হত্যা করা হয়েছে তার বিচার আন্তর্জাতিক আদালতে করতে হবে।’সারজিস আলম আরও বলেন, আর যদি আমার কোনো ভাই-বোনের সীমান্তে কাঁটাতারে লাশ ঝুলে তাহলে কাঁটাতারকে লক্ষ্য করে ‘মার্চ ফর ফেলানীর’ মত লং মার্চ করা হবে। ‘ছাত্রজনতা আন্দোলনের মাধ্যমে যে নতুন বাংলাদেশ দিয়েছে সেই ছাত্রজনতা নতজানু পররাষ্ট্রনীতি মেনে নিবে না। আগামীতে বাংলাদেশে যারাই ক্ষমতায় আসুক না কেন তারা যদি ক্ষমতা আকড়ে ধরতে কোনো দেশের দালাল হোন তাহলে তাদের পরিনতি হবে ফ্যসিস্ট হাসিনার মতো।বৃহস্পতিবার লং মার্চের শুরুতে ফেলানী হত্যাসহ সীমান্তে সকল নাগরিক হত্যার বিচার, সীমান্তে মরণঘাতী অস্ত্র বন্ধ, শহীদ ফেলানীর নামে কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক ভবনের নামকরণ, নতজানু পররাষ্ট্রনীতি বাতিল করে সাম্যের ভিত্তিতে পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ ও কুড়িগ্রামের চরের জীবন জীবিকা উন্নয়নে নদী সংস্কারসহ ৫ দফা দাবি জানান সারজিস আলম। লং মার্চে উপস্থিত ছিলেন- জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী, যুগ্ম আহবায়ক ড. আতিক মুজাহিদ, সদস্য সচিব আরিফ সোহেল, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-আন্দোলনের দফতর সম্পাদক জাহিদ আহসান, সমন্বয়ক রকিব মাসুদসহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতারা। লং মার্চটি সকাল ১১ টায় কুড়িগ্রাম জেলা শহরের কলেজ মোড় থেকে শুরু হয়ে  শেষ হয়  নাগেশ্বরী উপজেলার রামখানা ইউনিযনের বাসিন্দা  ফেলানীর বাড়িতে।