সেচ স্কিমের ড্রেন ভেঙে ফেলায় স্হানীয় ২২জন কৃষকের ইরি চাষ অনিশ্চিত

- সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:৩৫:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৫
- / ৬৪ বার পঠিত

ইসলামপুর (জামালপুর) প্রতিনিধি: জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার পাথর্শী ইউনিয়নের মোজাআটা গ্রামের প্রান্তিক কৃষক ইউনুস আলীর বিদ্যুৎ চালিত সেচ স্কিম বিদ্যমান। ওই সেচ স্কিমের পানি দিয়ে প্রায় ২০/২২ জন কৃষক পরিবারের চার একর আবাদি জমিতে সেচের পানি সরবরাহ করে বিভিন্ন ফসলাদি উৎপাদন করে আসছে বিগত ১০/১২ বছর ধরে এবং ঐ নিরীহ প্রান্তিক কৃষকদের জীবিকা নির্বাহের একমাত্র অবলম্বন।
সাম্প্রতিক ইরি-বোরো মৌসুমের প্রাক্কালে এলাকার কৃষক শফিকুল ইসলাম তার জমির সীমানায় বিদ্যমান ড্রেনটি ভেঙে ফেলে জমিতে পানি সরবরাহ বন্ধ করে দেয়। উক্ত বিষয় নিয়ে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের আপোষ মিমাংসা করার জন্য বসলেও শফিকুল তাদের কথায় তোয়াক্কা না করে পানি সরবরাহ বাধা প্রদান অব্যাহত রাখে।
স্হানীয় ছাত্র-সমাজ কৃষকদের ক্ষতি বিবেচনা করে ড্রেনটি পুনঃনির্মান করে। আসন্ন ইরি মৌসুমের প্রাক্কালে শফিকুল সেচকার্যে ব্যবহৃত ড্রেনটি পুনরায় ভেঙে ফেলে। সেচের মালিক ইউনুস আলী জানান, শফিকুল গত ২৯জুলাই/২৪ সালে ড্রেনটি ভেঙে ফেললে আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্যারকে লিখিত অভিযোগ করলে সু-চতুর শফিকুল ড্রেন মেরামতের আশ্বাস দিয়ে উল্টো ড্রেনটি পুনরায় ভেঙে ফেলে। উক্ত বিষয়ে শফিকুল এই প্রতিবেদককে জানান আমার জমির সীমানা দিয়ে ড্রেন নেয়া যাবে না। ফলে ঐ চার একর জমিতে সেচের ব্যবস্হা করতে না পারলে ২০/২২জন জমির কৃষক আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হবেন। এলাকাবাসী জানান উক্ত চার একর জমির ফলসলাদি উৎপাদন করতে না পারলে কৃষকদের পরিবার আর্থিক সংকটে পড়বে, সংসার চালাতে হিমশিম খাবে ও তাদের সন্তানদের লেখা পড়া বন্ধ হওয়ার আশংকা রয়েছে।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ তৌহিদুর রহমান বলেন, বিষয়টি আমি কৃষি কমকর্তার মাধ্যমে খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

















