ঢাকা, বাংলাদেশ। , শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সেতু তো নয়, যেন মৃত্যু ফাঁদ

প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:২৬:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৪
  • / ৬৫ বার পঠিত

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি : সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জের রৌহা দক্ষিণপাড়া খালের ওপর নির্মিত সেতুটি দীর্ঘদিন ধরে রেলিং ও পাটাতন ভেঙে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। এ কারণে প্রতিদিনের পথচলা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে সাধারণ মানুষের জন্য। সেতুর দুরবস্থায় ৫ থেকে ৬ গ্রামের প্রায় ৯ থেকে ১০ হাজার মানুষ চরম ভোগান্তিতে রয়েছে। বুধবার (৪ ডিসেম্বর) সরেজমিনে দেখা যায়, সেতুটির মাঝখানের ঢালাই ভেঙে পড়ায় ভ্যান, মোটরসাইকেল এবং অটোভ্যানচালকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছেন। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী এবং সাধারণ পথচারীদের জন্য সেতুটি এখন এক বিপজ্জনক পথ।

এলাকাবাসী জানান, কৃষকের ফসল আনা-নেওয়া কিংবা গবাদিপশু পারাপারের সময়ও দুর্ঘটনার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সম্প্রতি একটি গরু সেতু থেকে পড়ে মারা গেছে। এমনকি কয়েকজন ছাত্র সাইকেল নিয়ে ব্রিজ থেকে পানিতে পড়ে যায়। বৃদ্ধ ও শিশুরা এ সেতু দিয়ে চলাফেরা করতে পারছে না।

হবিবর রহমান, শামসুল হক প্রামানিক, আব্দুল হাই ও ক্বারি মফিজ উদ্দিন জানান, ৩০ বছর আগে নির্মিত সেতুটি এতটাই জরাজীর্ণ যে পিলার থেকে সিমেন্ট খসে পড়েছে। এটি যে কোনো সময় বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। কৃষি পণ্য নিয়ে হাটে যেতে না পারায় কৃষকরাও সংকটে পড়ছেন। বর্তমান ইউপি সদস্য জিন্নাহ সেখ কালবেলাকে জানান, ‘ব্রিজটি পুনঃনির্মাণের জন্য উপজেলা এলজিইডি অধিদপ্তরের কাছে প্রকল্প প্রস্তাবনা জমা দেওয়া হয়েছে।’

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী তামান্না রহমান কালবেলাকে বলেন, ‘উপজেলার শতাধিক সেতুর প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে। এ সেতুটি প্রস্তাবনায় আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হবে। পরিদর্শনের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

স্থানীয়দের মতে, অবিলম্বে সেতুটি পুনঃনির্মাণ না হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, যা মানুষের জীবন ও সম্পত্তির ক্ষতি করতে পারে। প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ নেবে বলে তারা আশাবাদী।

আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

সেতু তো নয়, যেন মৃত্যু ফাঁদ

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:২৬:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৪

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি : সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জের রৌহা দক্ষিণপাড়া খালের ওপর নির্মিত সেতুটি দীর্ঘদিন ধরে রেলিং ও পাটাতন ভেঙে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। এ কারণে প্রতিদিনের পথচলা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে সাধারণ মানুষের জন্য। সেতুর দুরবস্থায় ৫ থেকে ৬ গ্রামের প্রায় ৯ থেকে ১০ হাজার মানুষ চরম ভোগান্তিতে রয়েছে। বুধবার (৪ ডিসেম্বর) সরেজমিনে দেখা যায়, সেতুটির মাঝখানের ঢালাই ভেঙে পড়ায় ভ্যান, মোটরসাইকেল এবং অটোভ্যানচালকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছেন। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী এবং সাধারণ পথচারীদের জন্য সেতুটি এখন এক বিপজ্জনক পথ।

এলাকাবাসী জানান, কৃষকের ফসল আনা-নেওয়া কিংবা গবাদিপশু পারাপারের সময়ও দুর্ঘটনার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সম্প্রতি একটি গরু সেতু থেকে পড়ে মারা গেছে। এমনকি কয়েকজন ছাত্র সাইকেল নিয়ে ব্রিজ থেকে পানিতে পড়ে যায়। বৃদ্ধ ও শিশুরা এ সেতু দিয়ে চলাফেরা করতে পারছে না।

হবিবর রহমান, শামসুল হক প্রামানিক, আব্দুল হাই ও ক্বারি মফিজ উদ্দিন জানান, ৩০ বছর আগে নির্মিত সেতুটি এতটাই জরাজীর্ণ যে পিলার থেকে সিমেন্ট খসে পড়েছে। এটি যে কোনো সময় বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। কৃষি পণ্য নিয়ে হাটে যেতে না পারায় কৃষকরাও সংকটে পড়ছেন। বর্তমান ইউপি সদস্য জিন্নাহ সেখ কালবেলাকে জানান, ‘ব্রিজটি পুনঃনির্মাণের জন্য উপজেলা এলজিইডি অধিদপ্তরের কাছে প্রকল্প প্রস্তাবনা জমা দেওয়া হয়েছে।’

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী তামান্না রহমান কালবেলাকে বলেন, ‘উপজেলার শতাধিক সেতুর প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে। এ সেতুটি প্রস্তাবনায় আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হবে। পরিদর্শনের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

স্থানীয়দের মতে, অবিলম্বে সেতুটি পুনঃনির্মাণ না হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, যা মানুষের জীবন ও সম্পত্তির ক্ষতি করতে পারে। প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ নেবে বলে তারা আশাবাদী।