ঢাকা, বাংলাদেশ। , বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

স্থানীয়দের প্রতিরোধে অবৈধ গাছ কাটা থেকে বিরত বন কর্মকর্তা!

আশরাফুল ইসলাম সোহাগ, মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর)
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৭:৩৫:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ৭৭ বার পঠিত
আশরাফুল ইসলাম সোহাগ, মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর): পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার কবুতরখালী এলাকায় স্থানীয়দের প্রতিরোধের মুখে অবৈধভাবে গাছ কাটতে ব্যর্থ হয়েছেন উপজেলা বন কর্মকর্তা সুরেশ চন্দ্র মিস্ত্রি। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কবুতরখালী বটতলা থেকে কবুতরখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গামী সড়কের দুই পাশে সামাজিক বনায়নের আওতায় রোপণকৃত গাছ রয়েছে। সম্প্রতি সড়কের পাশে একটি ছোট গাছ উপড়ে পড়ে যায়। বিষয়টি জানার পর গত ২৭ ডিসেম্বর কোনো প্রকার নিয়ম-কানুন অনুসরণ না করে, সংশ্লিষ্ট সমবায় সমিতির সঙ্গে যোগাযোগ ছাড়াই বন কর্মকর্তা সুরেশ চন্দ্র মিস্ত্রি গাছ কাটার লোকজন নিয়ে ঘটনাস্থলে যান এবং দ্রুত গাছটি কেটে নেওয়ার চেষ্টা করেন।
এ সময় স্থানীয়রা বাধা দিলে তিনি প্রথমে হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে স্থানীয়রা পূর্বে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই বন কর্মকর্তার অবৈধ গাছ কাটার একটি ভিডিওর সঙ্গে তাকে মিলিয়ে শনাক্ত করেন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে বন কর্মকর্তা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
অভিযোগ রয়েছে, বন কর্মকর্তা সুরেশ চন্দ্র মিস্ত্রির বিরুদ্ধে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ব্যবস্থা নিতে ভয় পাওয়ায় স্থানীয়রা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ দিতে সাহস পাচ্ছেন না। এ বিষয়ে অবসরপ্রাপ্ত কৃষি কর্মকর্তা পরিতোষ হালদারসহ এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

স্থানীয়দের প্রতিরোধে অবৈধ গাছ কাটা থেকে বিরত বন কর্মকর্তা!

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৭:৩৫:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬
আশরাফুল ইসলাম সোহাগ, মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর): পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার কবুতরখালী এলাকায় স্থানীয়দের প্রতিরোধের মুখে অবৈধভাবে গাছ কাটতে ব্যর্থ হয়েছেন উপজেলা বন কর্মকর্তা সুরেশ চন্দ্র মিস্ত্রি। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কবুতরখালী বটতলা থেকে কবুতরখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গামী সড়কের দুই পাশে সামাজিক বনায়নের আওতায় রোপণকৃত গাছ রয়েছে। সম্প্রতি সড়কের পাশে একটি ছোট গাছ উপড়ে পড়ে যায়। বিষয়টি জানার পর গত ২৭ ডিসেম্বর কোনো প্রকার নিয়ম-কানুন অনুসরণ না করে, সংশ্লিষ্ট সমবায় সমিতির সঙ্গে যোগাযোগ ছাড়াই বন কর্মকর্তা সুরেশ চন্দ্র মিস্ত্রি গাছ কাটার লোকজন নিয়ে ঘটনাস্থলে যান এবং দ্রুত গাছটি কেটে নেওয়ার চেষ্টা করেন।
এ সময় স্থানীয়রা বাধা দিলে তিনি প্রথমে হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে স্থানীয়রা পূর্বে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই বন কর্মকর্তার অবৈধ গাছ কাটার একটি ভিডিওর সঙ্গে তাকে মিলিয়ে শনাক্ত করেন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে বন কর্মকর্তা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
অভিযোগ রয়েছে, বন কর্মকর্তা সুরেশ চন্দ্র মিস্ত্রির বিরুদ্ধে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ব্যবস্থা নিতে ভয় পাওয়ায় স্থানীয়রা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ দিতে সাহস পাচ্ছেন না। এ বিষয়ে অবসরপ্রাপ্ত কৃষি কর্মকর্তা পরিতোষ হালদারসহ এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।