নীলফামকরী জেলা প্রতিনিধি:
নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের জারি কারক ফেরদৌস জ্জামান (বাবুল)-এর বিরুদ্ধে সরকারি নির্ধারিত ফি উপেক্ষা করে অতিরিক্ত অর্থ আদায়, খতিয়ানের অনুলিপির পরিবর্তে মোবাইল ফোনে ছবি সরবরাহ এবং সরকারি রাজস্ব ক্ষতিগ্রস্ত করার অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ও আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, নামজারি (খারিজ) সংক্রান্ত প্রতিটি আবেদন নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে সরকারি নির্ধারিত ফি ছাড়াও ৭ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে। এছাড়া খতিয়ানের কপি সরবরাহের পরিবর্তে মোবাইল ফোনে খতিয়ানের ছবি দিয়ে প্রতিটি ক্ষেত্রে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
অভিযোগকারীরা আরও বলেন, এসব অনিয়মের কারণে সরকার যেমন রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, তেমনি সাধারণ মানুষও অতিরিক্ত আর্থিক চাপের মুখে পড়ছেন। বিশেষ করে গ্রামের সহজ-সরল মানুষ প্রয়োজনীয় সেবা নিতে গিয়ে দিনের পর দিন ভূমি অফিসে ঘুরেও হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে দাবি করেন তারা।
স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, বিষয়টি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)-রওশন কবির কে মৌখিকভাবে জানানো হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে তাদের অভিযোগ। ফলে অভিযুক্ত কর্মকর্তা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন বলেও দাবি করেন তারা।
এলাকাবাসীর দাবি, ভূমি অফিসে সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকে সরকারি নির্ধারিত ফি ছাড়া অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি ভূমি অফিসে সেবার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করারও আহ্বান জানান তারা।
এ বিষয়ে অভিযোগের সত্যতা জানতে অভিযুক্ত জারি কারক ফেরদৌস জ্জা মান (বাবুল)-এর বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
একই সঙ্গে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)-রওশন কবির, বলেন তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পেলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নাগরিক ডেস্ক রিপোর্ট 


















