ঢাকা, বাংলাদেশ। , শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
রাজবাড়ীর খানখানাপুর

অপরিকল্পিত ব্রিজ আছে, রাস্তা নেই দুর্ভোগে দশ গ্রামের মানুষ

রাজু আহমেদ, রাজবাড়ী
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০২:২৭:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
  • / ৬ বার পঠিত
রাজু আহমেদ, রাজবাড়ী:   রাজবাড়ীর সদর উপজেলার পাচুঁরিয়া ইউনিয়নের কেষ্টপুর এলাকার সংযোগ ও খানখানাপুর ইউনিয়নের মিয়া পাড়ার এলাকার সংযোগের ১০ বছর আগেরও একটি সেতুর সংযোগ পথ না থাকায় ব্রিজটি ব্যবহার করতে পারছে না দুই ইউনিয়নের বাসিন্দা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এই ব্রিজ ব্যবহার করে ১০ গ্রামেরও বেশি মানুষ। তারা অসুস্থ হয়ে গেলে রোগী নিয়ে হাসপাতালে যাতায়াত মুশকিল।ছাত্র ছাত্রীরা স্কুল কলেজে যাতায়াত সমস্যা। চাকরিজীবীদের দ্রুত অফিস আদালতে যাওয়া সমস্যা। নানা সমস্যায়সহ জর্জরিত এই  এলাকার মানুষ শুধু একটি ব্রিজের সংযোগ পথ না থাকার। কারণে।
খানখানাপুর ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা হারুনর রশীদ মিয়া জানান, দুই পারের জমি-জমা ঝামেলা সংক্রান্তে রাস্তা হচ্ছে না। ১০ বছরেরও বেশি ব্রিজ না ব্যবহার করে ব্রিজের নিচ দিয়ে হেঁটে আসতে হয়।
তিনি আরো জানান, গত ১০ বছর আগে এই এলাকায় মরা গাঙের উপর সরকারি ভাবে একটি ব্রিজ নির্মাণ হয়। যখন বৃষ্টি নির্মাণ করা হয় এখানে ব্রিজের কেমন প্রয়োজন ছিল না। এরপরও নির্মাণ করেছেন কিন্তু আজও সংযোগ সড়ক দেয়া হয়নি।  বর্তমান এলাকায় যে সরকারি  হালট রয়েছে। বর্তমানে যে মাটির রাস্তা আছে মৃত সিদ্দিক মোল্লার মালিকানা জমির উপরে। সরকারিভাবে রাস্তা নির্মাণ করতে আসলে ব্রিজের দুই পাড়ের মানুষ যারা সরকারি জায়গা দখল করে আছে তারা নিজের জায়গা দাবি করে রাস্তা হতে বাধা প্রদান করে। যে কারণে ব্রিজের দুই পারের সংযোগ পথ ১০ বছর হয়ে গেলেও রাস্তা হলো না।
পাচুঁরিয়া ইউনিয়নের কেষ্টপুর গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা কাঠ মিস্ত্রি আবুল হাসেম বলেন, রাস্তাটা নির্মাণ করতে হলে মাটি প্রয়োজন। সরকারি হালটের উপর মাটি উত্তোলন করতে আসলে দেওয়ানরা বাধা প্রদান করে। এবং খানখানাপুর সংযোগে যে সরকারি হালটি রয়েছে ওখান দিয়েও মাটি দেয় না আরো যারা দখল করে আছে। আমরা চাই সব সমস্যার অবসান হোক এবং দুই পারের সংযোগ পথ দ্রুত হোক।
এ বিষয়ে, সদর উপজেলার পিআইও আম্বিয়া বেগম জানান, এ তথ্য আমার জানা নেই তবে আমরা সরোজমিনে পরিদর্শন করে সংযোগ পথ তৈরি করার ব্যবস্থা করব।
এ বিষয়ে,রাজবাড়ী সদর উপজেলার এলজিইডি উপ সহকারী প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন জানান, এই ব্রিজ বা স্বরূপ আমার জানামতে এলজিইডির গেজেট ভুক্ত নয়। ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ,হতে পারে, তবে যদি আমাদের আওতায় থাকে তাহলে আমরা খুব শীঘ্রই রাস্তা করার ব্যবস্থা করব।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

রাজবাড়ীর খানখানাপুর

অপরিকল্পিত ব্রিজ আছে, রাস্তা নেই দুর্ভোগে দশ গ্রামের মানুষ

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০২:২৭:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
রাজু আহমেদ, রাজবাড়ী:   রাজবাড়ীর সদর উপজেলার পাচুঁরিয়া ইউনিয়নের কেষ্টপুর এলাকার সংযোগ ও খানখানাপুর ইউনিয়নের মিয়া পাড়ার এলাকার সংযোগের ১০ বছর আগেরও একটি সেতুর সংযোগ পথ না থাকায় ব্রিজটি ব্যবহার করতে পারছে না দুই ইউনিয়নের বাসিন্দা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এই ব্রিজ ব্যবহার করে ১০ গ্রামেরও বেশি মানুষ। তারা অসুস্থ হয়ে গেলে রোগী নিয়ে হাসপাতালে যাতায়াত মুশকিল।ছাত্র ছাত্রীরা স্কুল কলেজে যাতায়াত সমস্যা। চাকরিজীবীদের দ্রুত অফিস আদালতে যাওয়া সমস্যা। নানা সমস্যায়সহ জর্জরিত এই  এলাকার মানুষ শুধু একটি ব্রিজের সংযোগ পথ না থাকার। কারণে।
খানখানাপুর ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা হারুনর রশীদ মিয়া জানান, দুই পারের জমি-জমা ঝামেলা সংক্রান্তে রাস্তা হচ্ছে না। ১০ বছরেরও বেশি ব্রিজ না ব্যবহার করে ব্রিজের নিচ দিয়ে হেঁটে আসতে হয়।
তিনি আরো জানান, গত ১০ বছর আগে এই এলাকায় মরা গাঙের উপর সরকারি ভাবে একটি ব্রিজ নির্মাণ হয়। যখন বৃষ্টি নির্মাণ করা হয় এখানে ব্রিজের কেমন প্রয়োজন ছিল না। এরপরও নির্মাণ করেছেন কিন্তু আজও সংযোগ সড়ক দেয়া হয়নি।  বর্তমান এলাকায় যে সরকারি  হালট রয়েছে। বর্তমানে যে মাটির রাস্তা আছে মৃত সিদ্দিক মোল্লার মালিকানা জমির উপরে। সরকারিভাবে রাস্তা নির্মাণ করতে আসলে ব্রিজের দুই পাড়ের মানুষ যারা সরকারি জায়গা দখল করে আছে তারা নিজের জায়গা দাবি করে রাস্তা হতে বাধা প্রদান করে। যে কারণে ব্রিজের দুই পারের সংযোগ পথ ১০ বছর হয়ে গেলেও রাস্তা হলো না।
পাচুঁরিয়া ইউনিয়নের কেষ্টপুর গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা কাঠ মিস্ত্রি আবুল হাসেম বলেন, রাস্তাটা নির্মাণ করতে হলে মাটি প্রয়োজন। সরকারি হালটের উপর মাটি উত্তোলন করতে আসলে দেওয়ানরা বাধা প্রদান করে। এবং খানখানাপুর সংযোগে যে সরকারি হালটি রয়েছে ওখান দিয়েও মাটি দেয় না আরো যারা দখল করে আছে। আমরা চাই সব সমস্যার অবসান হোক এবং দুই পারের সংযোগ পথ দ্রুত হোক।
এ বিষয়ে, সদর উপজেলার পিআইও আম্বিয়া বেগম জানান, এ তথ্য আমার জানা নেই তবে আমরা সরোজমিনে পরিদর্শন করে সংযোগ পথ তৈরি করার ব্যবস্থা করব।
এ বিষয়ে,রাজবাড়ী সদর উপজেলার এলজিইডি উপ সহকারী প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন জানান, এই ব্রিজ বা স্বরূপ আমার জানামতে এলজিইডির গেজেট ভুক্ত নয়। ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ,হতে পারে, তবে যদি আমাদের আওতায় থাকে তাহলে আমরা খুব শীঘ্রই রাস্তা করার ব্যবস্থা করব।