ঢাকা, বাংলাদেশ। , মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

আগুনে পুড়লো আমের বাগান প্রায় দেড় লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি 

মোঃ আরিফুল  ইসলাম, নাচোল (চাঁপাইনবাবগঞ্জ)
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:৩২:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৫
  • / ১১৮ বার পঠিত
উপজেলার রানীনগর গ্রামের কৃষক মজিবুর রহমান, তার গম কাটা জমির খড় , আগুন দিয়ে পুড়াতে গিয়ে পাশের জমিতে থাকা, একই উপজেলার পিঠালীতলা গ্রামের মাসুদ রানার আমের বাগান পুড়ে প্রায় দেড় লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাটি ঘটেছে নাচোল উপজেলার নেজামপুর ইউনিয়নের কেন্দুয়া মাঠে
বাগানের ম্যানেজার আব্দুর রহিম বলেন, আগুন নেভানোর পর খবর নিলে অভিযুক্ত ব্যক্তি মজিবুর রহমানের ঠিকানা জানতে পারি যে, তার অস্থায়ী ঠিকানা বাথানবাড়ি পলাশকান্দর। তার কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন যে, গমের জমিতে আগুন দিয়ে খড়গুলো পোড়াতে গিয়ে, বাতাসের কারণে নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে পালিয়ে এসেছি বলে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন ।
বাগান মালিক মাসুদ রানা বলেন, এই কেন্দুয়া মাঠে ৪০ বিঘা জমির ওপর আম, পেয়ারা, মাল্টা, কমলা, ড্রাগুন, লেবু সহ বিভিন্ন গাছ চাষাবাদ করে আসছি। বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) দুপুর আড়াইটার দিকে কাজ করা শ্রমিকরা বাগানে কাজ করতে নামলে, আগুনের ধোঁয়া দেখতে পায়, তাদের সন্দেহ হলে, ধুঁয়ার দিকে এগিয়ে গেলে দেখতে পায়, আগুনে বাগানের বেড়া পুড়ে বাগানে থাকা বিভিন্ন গাছ পুড়ে যাচ্ছে। ঐ মুহুর্তে বাগানে থাকা বিষ দেওয়া ফাইটার মেশিন দিয়ে পানি ছিটিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণ করেন।
তিনি আরো বলেন যে, গতবছরও পাশের আরেক গম চাষীর লাগানো আগুনে এই রুপ আমার বাগান পুড়ে প্রায় তিন লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। সেই বিষয়ে থানায় অভিযোগ করার পরেও মানবিক কারণে ক্ষমা করে দিয়েছিলাম। সেদিন ক্ষমা না করে যদি, ক্ষতি পূরণ নিতাম, তাহলে হয়তো আজ আবার আমার এই ধরনের ক্ষতি হয়তো হত না।  মাসুদ রানা বলেন, এ ঘটনায় আমাদের আম চাষী ব্যবসায়ী সমিতির কাছে বিচার দিয়েছি। অভিযুক্ত নজরুল ইসলামের কাছে, আমার ক্ষতিপূরণ চাই এবং এর একটা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি, যেন এর থেকে বাকীরা  শিক্ষা পায়।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

আগুনে পুড়লো আমের বাগান প্রায় দেড় লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি 

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:৩২:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৫
উপজেলার রানীনগর গ্রামের কৃষক মজিবুর রহমান, তার গম কাটা জমির খড় , আগুন দিয়ে পুড়াতে গিয়ে পাশের জমিতে থাকা, একই উপজেলার পিঠালীতলা গ্রামের মাসুদ রানার আমের বাগান পুড়ে প্রায় দেড় লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাটি ঘটেছে নাচোল উপজেলার নেজামপুর ইউনিয়নের কেন্দুয়া মাঠে
বাগানের ম্যানেজার আব্দুর রহিম বলেন, আগুন নেভানোর পর খবর নিলে অভিযুক্ত ব্যক্তি মজিবুর রহমানের ঠিকানা জানতে পারি যে, তার অস্থায়ী ঠিকানা বাথানবাড়ি পলাশকান্দর। তার কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন যে, গমের জমিতে আগুন দিয়ে খড়গুলো পোড়াতে গিয়ে, বাতাসের কারণে নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে পালিয়ে এসেছি বলে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন ।
বাগান মালিক মাসুদ রানা বলেন, এই কেন্দুয়া মাঠে ৪০ বিঘা জমির ওপর আম, পেয়ারা, মাল্টা, কমলা, ড্রাগুন, লেবু সহ বিভিন্ন গাছ চাষাবাদ করে আসছি। বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) দুপুর আড়াইটার দিকে কাজ করা শ্রমিকরা বাগানে কাজ করতে নামলে, আগুনের ধোঁয়া দেখতে পায়, তাদের সন্দেহ হলে, ধুঁয়ার দিকে এগিয়ে গেলে দেখতে পায়, আগুনে বাগানের বেড়া পুড়ে বাগানে থাকা বিভিন্ন গাছ পুড়ে যাচ্ছে। ঐ মুহুর্তে বাগানে থাকা বিষ দেওয়া ফাইটার মেশিন দিয়ে পানি ছিটিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণ করেন।
তিনি আরো বলেন যে, গতবছরও পাশের আরেক গম চাষীর লাগানো আগুনে এই রুপ আমার বাগান পুড়ে প্রায় তিন লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। সেই বিষয়ে থানায় অভিযোগ করার পরেও মানবিক কারণে ক্ষমা করে দিয়েছিলাম। সেদিন ক্ষমা না করে যদি, ক্ষতি পূরণ নিতাম, তাহলে হয়তো আজ আবার আমার এই ধরনের ক্ষতি হয়তো হত না।  মাসুদ রানা বলেন, এ ঘটনায় আমাদের আম চাষী ব্যবসায়ী সমিতির কাছে বিচার দিয়েছি। অভিযুক্ত নজরুল ইসলামের কাছে, আমার ক্ষতিপূরণ চাই এবং এর একটা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি, যেন এর থেকে বাকীরা  শিক্ষা পায়।