ঢাকা, বাংলাদেশ। , মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

আদালতের আদেশ অমান্য করে বসতবাড়ি নির্মাণ

মোঃ জাফর ইকবাল, গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা)
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০১:৩৪:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ মে ২০২৫
  • / ৬১ বার পঠিত
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার জালাল তাইড় গ্রামে একটি নালিশি জমি ঘিরে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। আদালতের ১৪৪ ও ১৪৫ ধারা জারি থাকার পরও, আদেশ অমান্য করে সেখানে চলছে বসতবাড়ি নির্মাণের কাজ। অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় লাল মিয়া ও তার সহযোগীরা আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে জমিতে নির্মাণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ শওকত আলী সরকার আদালতে একটি পিটিশন দায়ের করেন। মামলা নং এম আর-২১৮/২০২৫ অনুযায়ী, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সাঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জকে জমিতে শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে সহকারী কমিশনার (ভূমি) কে জমির দখল সংক্রান্ত বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রতিবেদন প্রদানের আদেশ দেন।সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, নালিশি জমিতে লাল মিয়া সহ কয়েকজন ব্যক্তি বসতবাড়ি নির্মাণে ব্যস্ত রয়েছেন। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে এ নির্মাণকাজের সত্যতাও নিশ্চিত হওয়া গেছে।ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে সাঘাটা থানা পুলিশ। তবে এখনও নির্মাণ কাজ বন্ধ করা হয়নি।ভুক্তভোগী শওকত আলীর দাবি, এভাবে আদালতের আদেশ অমান্য করে নির্মাণ চলতে থাকলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের অশান্তি দেখা দিতে পারে। দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।প্রসঙ্গত, মামলাটি এখন তদন্তাধীন এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

আদালতের আদেশ অমান্য করে বসতবাড়ি নির্মাণ

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০১:৩৪:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ মে ২০২৫
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার জালাল তাইড় গ্রামে একটি নালিশি জমি ঘিরে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। আদালতের ১৪৪ ও ১৪৫ ধারা জারি থাকার পরও, আদেশ অমান্য করে সেখানে চলছে বসতবাড়ি নির্মাণের কাজ। অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় লাল মিয়া ও তার সহযোগীরা আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে জমিতে নির্মাণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ শওকত আলী সরকার আদালতে একটি পিটিশন দায়ের করেন। মামলা নং এম আর-২১৮/২০২৫ অনুযায়ী, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সাঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জকে জমিতে শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে সহকারী কমিশনার (ভূমি) কে জমির দখল সংক্রান্ত বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রতিবেদন প্রদানের আদেশ দেন।সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, নালিশি জমিতে লাল মিয়া সহ কয়েকজন ব্যক্তি বসতবাড়ি নির্মাণে ব্যস্ত রয়েছেন। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে এ নির্মাণকাজের সত্যতাও নিশ্চিত হওয়া গেছে।ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে সাঘাটা থানা পুলিশ। তবে এখনও নির্মাণ কাজ বন্ধ করা হয়নি।ভুক্তভোগী শওকত আলীর দাবি, এভাবে আদালতের আদেশ অমান্য করে নির্মাণ চলতে থাকলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের অশান্তি দেখা দিতে পারে। দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।প্রসঙ্গত, মামলাটি এখন তদন্তাধীন এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।