আমি চাই বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের বিজয় -জামায়াতে আমীর ডা. শফিকুর রহমান

- সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৬:২০:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / ৯০ বার পঠিত

পিরোজপুর অফিস :: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, যারা মানুষের সম্পদে ভাগ বসিয়ে চাঁদাবাজি করে, সেই চাঁদাবাজদের লাল কার্ড দেখানোর দিন আসছে আগামী ১২ তারিখ। তিনি বলেন, এই জাতিকে বিভক্ত করার সুযোগ আমরা আর কাউকে দেব না। ঐক্যবদ্ধ জাতি, ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ, এটাই আমাদের স্লোগান। তিনি আরও বলেন, আমি জামায়াতে ইসলামীর বিজয় চাই না; আমি চাই বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের বিজয়। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পিরোজপুর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ইনশাআল্লাহ আমরা একটি ইনসাফভিত্তিক ও ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার পথে এগিয়ে যাব। তিনি বলেন, এখানে দুটি গুরুত্বপূর্ণ ভোট রয়েছে, একটি গণভোট। ‘হ্যাঁ’ মানে আজাদী, আর ‘না’ মানে গোলামি। প্রথম ভোট ইনশাআল্লাহ ১২ তারিখ হবে ‘হ্যাঁ’। সবাইকে নিয়ে ‘হ্যাঁ’-ই বিজয়ী হবে। তিনি আরও বলেন, আল্লাহ তাআলার কাছে দোয়া করি, ১৩ তারিখ এই দেশ যেন একটি নতুন দেশ পায়। ১৩ তারিখের ভোরের সূর্য যেন মুক্তির পয়গাম বয়ে আনে। এ দেশে আর কোনো গোলামি ও আধিপত্য চলবে না। আগামীতে হবে জনগণের সরকার, ইনশাআল্লাহ। উপস্থিত জনতাকে সাক্ষী রেখে তিনি বলেন, যেদিন সেই বিজয় অর্জিত হবে, ইনশাআল্লাহ সেদিন আমরা সবাই মুক্তির স্বাদ পাব। জনসভায় সভাপতিত্ব করেন পিরোজপুর জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ তাফজ্জল হোসাইন ফরিদ। সভায় আরও বক্তব্য রাখেন পিরোজপুর-১ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মাসুদ সাঈদী, পিরোজপুর-২ আসনের প্রার্থী শামীম সাঈদী, পিরোজপুর-৩ আসনের এনসিপি প্রার্থী ড. শামীম হামিদী এবং বরগুনা-২ (বেতাগী-বামনা ও পাথরঘাটা) আসনের প্রার্থী ডা. সুলতান আহম্মেদ। এছাড়াও জনসভায় জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ও ১১ দলীয় ঐক্যজোটের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। জনসভায় বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। পরে পিরোজপুর-১ ও পিরোজপুর-২ আসনের প্রার্থী মাসুদ সাঈদী ও শামীম সাঈদীর হাতে প্রতীক দাড়িপাল্লা, পিরোজপুর-৩ আসনের এনসিপি প্রার্থী ড. শামীম হামিদীর হাতে শাপলা কলি এবং পার্শ্ববর্তী বরগুনা-২ আসনের জামায়াত প্রার্থী ডা. সুলতান আহম্মেদের হাতে দাড়িপাল্লা প্রতীক তুলে দেন ডা. শফিকুর রহমান।



















