ঢাকা, বাংলাদেশ।
,
বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
তাজা খবর
“কানাডার এমপি নির্বাচনে জয়ী ডলি বেগমকে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র অভিনন্দন
উৎসব আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হলো ১৪৪ তম খুলনা দিবস!
চট্রগ্রামের জব্বারের বলি খেলায় হ্যাট্রিক চ্যাম্পিয়ন হোমনার বাঘা শরীফ
কৃষকের ন্যায্য মূল্য কোথায় যায়?
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত
ছদ্মবেশী অস্ত্র ‘পেনগান’
ব্যাংকিং খাতে আস্থা সংকট
যশোরে কৃত্রিম তেল সংকটে দিশেহারা চালক ও সাধারণ মানুষ
জ্বালানি সঙ্কটের মধ্যেই অস্ট্রেলিয়ার তেল শোধনাগারে ভয়াবহ আগুন
ফুয়েল পাস নিতে নিবন্ধনের নিয়ম
খালেদা জিয়া ও কোকোকে অবমাননার অভিযোগ
আমীর হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা

উজ্জ্বল মাহমুদ, কুষ্টিয়া
- সর্বশেষ পরিমার্জন: ১১:৫২:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬
- / ৪৩ বার পঠিত

উজ্জ্বল মাহমুদ, কুষ্টিয়া : কুষ্টিয়া আদালতে জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী ও ইসলামি বক্তা মুফতি আমীর হামজার বিরুদ্ধে মানহানির অভিযোগে ফৌজদারি মামলার আবেদন করেছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের এক নেতা। আদালত আবেদনটি আমলে নিয়ে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি আদেশ দেওয়ার দিন ধার্য করেছেন।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সদর আমলি আদালতে মামলার আবেদন করেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সোলায়মান চৌধুরী শিহাব। মামলাটি গ্রহণ করে বিচারক দেলোয়ার হোসেন শুনানির জন্য নির্ধারিত তারিখ ঘোষণা করেন।
মামলার আবেদনে উল্লেখ করা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিওতে দেখা যায়, একটি ওয়াজ মাহফিলে বক্তব্য দেওয়ার সময় মুফতি আমীর হামজা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র, মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর নাম বিকৃতভাবে উপস্থাপন করেন এবং ব্যঙ্গাত্মক ও অবমাননাকর শব্দ ব্যবহার করেন।
এছাড়া ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বিদ্রূপমূলক ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেন বলে অভিযোগে বলা হয়, যা স্পষ্টভাবে মানহানিকর।
আবেদনে আরও বলা হয়, এসব বক্তব্যের মাধ্যমে মরহুম আরাফাত রহমান কোকো ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সম্মান, সুনাম ও মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করা হয়েছে। এর ফলে তাঁদের পরিবার, শুভানুধ্যায়ী এবং দেশের জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী নেতাকর্মীদের মধ্যে সামাজিক অপমান ও মানসিক ক্ষতির সৃষ্টি হয়েছে।
বাদীর ভাষ্য অনুযায়ী, গত ১৬ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের লালন শাহ হল এলাকায় অবস্থানকালে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত এসব ভিডিও দেখেন ও শোনেন।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, আসামি ইচ্ছাকৃতভাবে ও বিদ্বেষমূলক মনোভাব থেকে এ ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন। আবেদনে বাংলাদেশ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৫০০, ৫০১ ও ৫০৬ ধারায় অভিযোগ আমলে নিয়ে আসামির বিরুদ্ধে সমন কিংবা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির জন্য আদালতের কাছে আবেদন জানানো হয়।
এ বিষয়ে সোলায়মান চৌধুরী শিহাব সাংবাদিকদের বলেন, এটি কোনো সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নয়। ব্যক্তিগত উদ্যোগেই তিনি আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন।


















