ঢাকা, বাংলাদেশ।
,
শনিবার, ০২ মে ২০২৬
তাজা খবর
“কানাডার এমপি নির্বাচনে জয়ী ডলি বেগমকে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র অভিনন্দন
উৎসব আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হলো ১৪৪ তম খুলনা দিবস!
চট্রগ্রামের জব্বারের বলি খেলায় হ্যাট্রিক চ্যাম্পিয়ন হোমনার বাঘা শরীফ
কৃষকের ন্যায্য মূল্য কোথায় যায়?
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত
ছদ্মবেশী অস্ত্র ‘পেনগান’
ব্যাংকিং খাতে আস্থা সংকট
যশোরে কৃত্রিম তেল সংকটে দিশেহারা চালক ও সাধারণ মানুষ
জ্বালানি সঙ্কটের মধ্যেই অস্ট্রেলিয়ার তেল শোধনাগারে ভয়াবহ আগুন
ফুয়েল পাস নিতে নিবন্ধনের নিয়ম
ইবি শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন
ঈদের ছুটিতে আবাসিক হল খোলা রাখার দাবি

ওবাইদুল্লাহ আল মাহবুব, ইবি প্রতিনিধি
- সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৬:৫০:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ মে ২০২৫
- / ৬৭ বার পঠিত

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে পূর্ব-ঘোষিত ছুটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল-সমূহ খোলা রাখার দাবিতে মানববন্ধন করেছে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থীরা। আজ বুধবার (২৮ মে) সকাল দশটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন তারা।
এসময় তাদের হাতে ‘ছুটির নামে হল বন্ধের প্রহসন মানি না মানবো না’, ‘শিক্ষার্থীদের বিড়ম্বনা আর না’, ‘ঢাবি, জাবি, রাবি, যবিপ্রবি পারলে ইবি কেন নয়’, ‘হল খোলা রাখো নয়তো ছাত্র উপদেষ্টা পদত্যাগ করো’ ইত্যাদি প্ল্যাকার্ড দেখা যায়। মানববন্ধনে শহীদ আনাস হলের শিক্ষার্থী মিজানুর রহমান মিজান বলেন, ‘প্রতি ঈদে একমাস হল বন্ধ রাখা হয়। এতে আমাদের পড়াশোনার ক্ষতি হয়। বিশেষ করে যাদের ঈদের পরে পরীক্ষা তাদের ক্ষতি হয়।’
মানববন্ধনে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘আমরা দেখেছি যারা শিক্ষক হয় তাদের বেশির ভাগই ঢাবি, জাবি, জবি ও রাবি’র হয়। তারা আমাদের থেকে অনেক এগিয়ে। কারণ তারা বিশ্ববিদ্যালয় অকারণে বন্ধ রাখে না। আমাদের অনেকের পরিবার নাই তাদের একমাত্র আশ্রয়স্থল হচ্ছে আবাসিক হলগুলো। প্রশাসন শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে হল খোল রাখা দরকার। যাদেরকে প্রশাসনের দায়িত্ব দেয়া হয় তাদের অনীহা থাকে। তাদের দায়িত্ব হলো শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কিন্তু তারা দায়িত্ব নিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিতে অনীহা দেখায়। তারা কোনো ইস্যু হলেই হলগুলো বন্ধ রাখে।
ঢাবিতে হল খোলা থাকলে আমাদের কেন বন্ধ? হল বন্ধ থাকলে আমাদের আশেপাশের মেসে উঠতে হয়। এটা কি ক্ষতি না আমাদের জন্য? জুলাই বিল্পবের পরেও যদি নৈতিক দাবির জন্য মানববন্ধন করতে হয় এটা আমাদের লজ্জার।’ পরে উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি জমা দিতে গেলে উপাচার্যের অনুপস্থিতিতে ট্রেজারারের সাথে কথা বলেন শিক্ষার্থীরা। ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম প্রভোস্ট কাউন্সিলকে অবহিত করার জন্য শিক্ষার্থীদের পরামর্শ দেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রভোস্ট কাউন্সিলের সভাপতি ও শহীদ জিয়াউর রহমান হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. আব্দুল গফুর গাজী বলেন, ‘হল খোলা রাখার বিষয়ে প্রশাসন পজিটিভ আছেন। ছুটিতে যারা হলে থাকতে চায়, তাদের লিখিতভাবে নিজ নিজ হল প্রভোস্টের কাছে আবেদন দিতে বলা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের পরিমাণ দেখে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে।’
আরও পড়ুন:





















