ঢাকা, বাংলাদেশ। , রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

এক মিনিট বিলম্বে মনোনয়ন গ্রহণ না করার অভিযোগ নির্বাচন কমিশনে আবেদন

পিরোজপুর অফিস
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৭:০৩:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ৬৭ বার পঠিত
পিরোজপুর অফিস:: পিরোজপুর-২ (নেছারাবাদ, কাউখালী ও ভান্ডারিয়া) সংসদীয় আসনে গণ অধিকার পরিষদের মনোনীত প্রার্থী মো. আনিসুর রহমান মুন্না মনোনয়নপত্র দাখিল করতে গিয়ে নির্ধারিত সময়ের এক মিনিট বিলম্বের অজুহাতে তার মনোনয়ন গ্রহণ করা হয়নি, এমন অভিযোগ করেছেন তিনি। এ ঘটনায় তিনি প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর একটি লিখিত আবেদন করেছেন। আবেদনে মো. আনিসুর রহমান মুন্না উল্লেখ করেন, গত সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে বিকেল ৫টার আগেই তিনি জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত হন। এ সময় সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কক্ষের সামনে দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা তাকে অপেক্ষা করতে বলেন এবং জানান, কক্ষের ভেতরে অন্য প্রার্থী অবস্থান করায় পরে প্রবেশ করতে হবে। তিনি আরও দাবি করেন, ওই সময় তিনি কক্ষের বাইরে অপেক্ষমাণ অবস্থায় থাকলেও ঠিক বিকাল ৫টায় কার্যালয়ের কেচি গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে তিনি রিটার্নিং অফিসারকে ফোন করলে তার সহকারী জানান, রিটার্নিং অফিসার ব্যস্ত রয়েছেন এবং কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে। পরবর্তীতে আবার যোগাযোগ করলে তাকে জানানো হয়, এক মিনিট বিলম্ব হওয়ায় তার মনোনয়নপত্র আর গ্রহণ করা সম্ভব নয়। আবেদনে তিনি দাবি করেন, নির্ধারিত সময়ের আগেই তিনি কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন, যা সেখানে স্থাপিত সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করলে প্রমাণিত হবে। এ অবস্থায় সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই করে তার মনোনয়নপত্র গ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

এক মিনিট বিলম্বে মনোনয়ন গ্রহণ না করার অভিযোগ নির্বাচন কমিশনে আবেদন

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৭:০৩:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬
পিরোজপুর অফিস:: পিরোজপুর-২ (নেছারাবাদ, কাউখালী ও ভান্ডারিয়া) সংসদীয় আসনে গণ অধিকার পরিষদের মনোনীত প্রার্থী মো. আনিসুর রহমান মুন্না মনোনয়নপত্র দাখিল করতে গিয়ে নির্ধারিত সময়ের এক মিনিট বিলম্বের অজুহাতে তার মনোনয়ন গ্রহণ করা হয়নি, এমন অভিযোগ করেছেন তিনি। এ ঘটনায় তিনি প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর একটি লিখিত আবেদন করেছেন। আবেদনে মো. আনিসুর রহমান মুন্না উল্লেখ করেন, গত সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে বিকেল ৫টার আগেই তিনি জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত হন। এ সময় সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কক্ষের সামনে দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা তাকে অপেক্ষা করতে বলেন এবং জানান, কক্ষের ভেতরে অন্য প্রার্থী অবস্থান করায় পরে প্রবেশ করতে হবে। তিনি আরও দাবি করেন, ওই সময় তিনি কক্ষের বাইরে অপেক্ষমাণ অবস্থায় থাকলেও ঠিক বিকাল ৫টায় কার্যালয়ের কেচি গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে তিনি রিটার্নিং অফিসারকে ফোন করলে তার সহকারী জানান, রিটার্নিং অফিসার ব্যস্ত রয়েছেন এবং কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে। পরবর্তীতে আবার যোগাযোগ করলে তাকে জানানো হয়, এক মিনিট বিলম্ব হওয়ায় তার মনোনয়নপত্র আর গ্রহণ করা সম্ভব নয়। আবেদনে তিনি দাবি করেন, নির্ধারিত সময়ের আগেই তিনি কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন, যা সেখানে স্থাপিত সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করলে প্রমাণিত হবে। এ অবস্থায় সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই করে তার মনোনয়নপত্র গ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।