ঢাকা, বাংলাদেশ। , মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

কটিয়াদীতে চলছে মাটি কাটার মহোৎসব নীরব প্রশাসন

নাঈম ইসলাম, কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ)
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:৪৭:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৫
  • / ৪৩ বার পঠিত
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার লোহাজুরী ইউনিয়নের পূর্বচর পাড়াতলা গ্রামে প্রায় তিন মাস ধরে প্রশাসনের রহস্যজনক নিরব ভূমিকায় তিন ফসলি  জমি থেকে  মাটি কেটে বিক্রি করছে একটি প্রভাবশালী চক্র।
স্থানীয়দের অভিযোগ ট্রাকের পর ট্রাক ও ভেকু দিয়ে অবৈধ মাটি কাটার উৎসব চললেও নিরব রয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। স্থানীয়রা মনে করছেন প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই এ এলাকায় সরব রয়েছে অপরাধী চক্র। কৃষকদের অভিযোগ শুনার যেনো কেউ নেই। কৃষিজমি থেকে ভেকুর সাহায্যে মাটি কেটে চলছে রমরমা ব্যবসা। জমিগুলো নদীর কাছাকাছি হওয়ায় বর্ষাকালে নদী ভাঙ্গন হওয়ার আশংকাও রয়েছে বলে জানান এলাকাবাসী।
এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করছে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও। বর্তমানে রাজনৈতিক সরকার না থাকলেও একটি রাজনৈতিক দলের পরিচয়ে বেশকিছু কুচক্রীমহল করছে এমন অপরাধ।
 স্থানীয় কয়েকজন সংবাদ কর্মী মাটি কাটার বিষয়ে প্রশাসনকে অবহিত করলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কটিয়াদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ তরিকুল ইসলামের নেতৃত্বে একদল পুলিশ সংবাদকর্মীদের সাথে নিয়ে পরিদর্শন করতে  যায়।
সরেজমিনে গিয়ে মাটিকাটার বিষয়টি পুলিশ দেখতে পেয়ে স্থানীয় সংবাদকর্মীদের(অনিরাপদ) ঘটনাস্থলে রেখেই চলে আসে।মাটি কাটার কাজে ব্যবহৃত ভেকু মেশিন এবং ট্রাক তখনো ঘটনাস্থলে অবস্থান করছিলো।
পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষনিক কোনো ধরনের পদক্ষেপ না নেওয়ায়। পরে, সহকারী  কমিশনার (ভূমি) লাবনী আক্তার তারানা’র কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,বিষয়টি আগে জানা ছিলো না,কিন্তু কেউ একজনে ফোন কলের মাধ্যমে আমাকে বিষয়টি অবিহিত করে।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

কটিয়াদীতে চলছে মাটি কাটার মহোৎসব নীরব প্রশাসন

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:৪৭:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৫
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার লোহাজুরী ইউনিয়নের পূর্বচর পাড়াতলা গ্রামে প্রায় তিন মাস ধরে প্রশাসনের রহস্যজনক নিরব ভূমিকায় তিন ফসলি  জমি থেকে  মাটি কেটে বিক্রি করছে একটি প্রভাবশালী চক্র।
স্থানীয়দের অভিযোগ ট্রাকের পর ট্রাক ও ভেকু দিয়ে অবৈধ মাটি কাটার উৎসব চললেও নিরব রয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। স্থানীয়রা মনে করছেন প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই এ এলাকায় সরব রয়েছে অপরাধী চক্র। কৃষকদের অভিযোগ শুনার যেনো কেউ নেই। কৃষিজমি থেকে ভেকুর সাহায্যে মাটি কেটে চলছে রমরমা ব্যবসা। জমিগুলো নদীর কাছাকাছি হওয়ায় বর্ষাকালে নদী ভাঙ্গন হওয়ার আশংকাও রয়েছে বলে জানান এলাকাবাসী।
এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করছে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও। বর্তমানে রাজনৈতিক সরকার না থাকলেও একটি রাজনৈতিক দলের পরিচয়ে বেশকিছু কুচক্রীমহল করছে এমন অপরাধ।
 স্থানীয় কয়েকজন সংবাদ কর্মী মাটি কাটার বিষয়ে প্রশাসনকে অবহিত করলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কটিয়াদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ তরিকুল ইসলামের নেতৃত্বে একদল পুলিশ সংবাদকর্মীদের সাথে নিয়ে পরিদর্শন করতে  যায়।
সরেজমিনে গিয়ে মাটিকাটার বিষয়টি পুলিশ দেখতে পেয়ে স্থানীয় সংবাদকর্মীদের(অনিরাপদ) ঘটনাস্থলে রেখেই চলে আসে।মাটি কাটার কাজে ব্যবহৃত ভেকু মেশিন এবং ট্রাক তখনো ঘটনাস্থলে অবস্থান করছিলো।
পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষনিক কোনো ধরনের পদক্ষেপ না নেওয়ায়। পরে, সহকারী  কমিশনার (ভূমি) লাবনী আক্তার তারানা’র কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,বিষয়টি আগে জানা ছিলো না,কিন্তু কেউ একজনে ফোন কলের মাধ্যমে আমাকে বিষয়টি অবিহিত করে।