ঢাকা, বাংলাদেশ। , সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

কাউখালীতে ব্যবসায়ী নাজমুল হক মুরাদের লাশ দ্বিতীয়বার উত্তোলন, ডিএনএ টেস্টের নমুনা সংগ্রহ

হাসান মামুন
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:৫৬:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ জুলাই ২০২৫
  • / ৮১ বার পঠিত

পিরোজপুর অফিস ও কাউখালী প্রতিনিধি:: পিরোজপুরের কাউখালীতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে ‘গুম’ হওয়া ব্যবসায়ী নাজমুল হক মুরাদের পরিচয় নিশ্চিত করতে দ্বিতীয়বারের মতো কবর থেকে তার মরদেহ উত্তোলন করে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। সোমবার (২৮ জুলাই) সকালে উপজেলার পার সাতুরিয়া গ্রামের পারিবারিক কবরস্থান থেকে মরদেহ উত্তোলন করা হয়। মৃত্যুর দীর্ঘ ১৪ বছর পর এই ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয় গুম সংক্রান্ত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের সদস্য ও মানবাধিকারকর্মী নূর খান, কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) স্বজল মোল্লা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুদীপ্ত দেবনাথ, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ইসতিয়াক আহমেদ এবং কাউখালী থানার ওসি মো. সোলায়মান। উপস্থিত ছিলেন নিহত মুরাদের ভাই ও মামলার বাদী মিরাজুল ইসলামও। জানা গেছে, ২০১১ সালের ১৭ এপ্রিল রাজধানীর উত্তরা এলাকা থেকে নাজমুল হক মুরাদসহ তিনজন-রাজাপুরের মিজান জোমাদ্দার ও ফোরকান-কে র‌্যাব পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। ১০ দিন পর ২৭ এপ্রিল ঢাকার তুরাগ নদীর তীরে বালুর নিচ থেকে তিনটি বস্তাবন্দি গলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ, যেগুলোর পরিচয় নিহতদের স্বজনরা শনাক্ত করেন। তবে ওই বছর জুলাই মাসে প্রথমবার মুরাদের মরদেহ উত্তোলন করে ডিএনএ পরীক্ষায় জানা যায়, কবরস্থ লাশটি নাজমুল হকের নয়। তদন্ত কর্মকর্তারা সে সময় মুরাদ ও মিজানকে জীবিত ধরে মামলায় চার্জশিট দেন। দীর্ঘ ১৪ বছর পর আবারও নাজমুল হকের নিখোঁজ রহস্য ও প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে পদক্ষেপ নেয় গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন। নিহতের ভাই মিরাজুল হক লিপুর আবেদনের প্রেক্ষিতে কমিশনের নির্দেশে দ্বিতীয়বারের মতো মরদেহ উত্তোলন করে পুনরায় ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হলো। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রকৃত দোষীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন নিহত মুরাদের পরিবার।

 

আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

কাউখালীতে ব্যবসায়ী নাজমুল হক মুরাদের লাশ দ্বিতীয়বার উত্তোলন, ডিএনএ টেস্টের নমুনা সংগ্রহ

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:৫৬:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ জুলাই ২০২৫

পিরোজপুর অফিস ও কাউখালী প্রতিনিধি:: পিরোজপুরের কাউখালীতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে ‘গুম’ হওয়া ব্যবসায়ী নাজমুল হক মুরাদের পরিচয় নিশ্চিত করতে দ্বিতীয়বারের মতো কবর থেকে তার মরদেহ উত্তোলন করে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। সোমবার (২৮ জুলাই) সকালে উপজেলার পার সাতুরিয়া গ্রামের পারিবারিক কবরস্থান থেকে মরদেহ উত্তোলন করা হয়। মৃত্যুর দীর্ঘ ১৪ বছর পর এই ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয় গুম সংক্রান্ত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের সদস্য ও মানবাধিকারকর্মী নূর খান, কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) স্বজল মোল্লা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুদীপ্ত দেবনাথ, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ইসতিয়াক আহমেদ এবং কাউখালী থানার ওসি মো. সোলায়মান। উপস্থিত ছিলেন নিহত মুরাদের ভাই ও মামলার বাদী মিরাজুল ইসলামও। জানা গেছে, ২০১১ সালের ১৭ এপ্রিল রাজধানীর উত্তরা এলাকা থেকে নাজমুল হক মুরাদসহ তিনজন-রাজাপুরের মিজান জোমাদ্দার ও ফোরকান-কে র‌্যাব পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। ১০ দিন পর ২৭ এপ্রিল ঢাকার তুরাগ নদীর তীরে বালুর নিচ থেকে তিনটি বস্তাবন্দি গলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ, যেগুলোর পরিচয় নিহতদের স্বজনরা শনাক্ত করেন। তবে ওই বছর জুলাই মাসে প্রথমবার মুরাদের মরদেহ উত্তোলন করে ডিএনএ পরীক্ষায় জানা যায়, কবরস্থ লাশটি নাজমুল হকের নয়। তদন্ত কর্মকর্তারা সে সময় মুরাদ ও মিজানকে জীবিত ধরে মামলায় চার্জশিট দেন। দীর্ঘ ১৪ বছর পর আবারও নাজমুল হকের নিখোঁজ রহস্য ও প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে পদক্ষেপ নেয় গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন। নিহতের ভাই মিরাজুল হক লিপুর আবেদনের প্রেক্ষিতে কমিশনের নির্দেশে দ্বিতীয়বারের মতো মরদেহ উত্তোলন করে পুনরায় ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হলো। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রকৃত দোষীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন নিহত মুরাদের পরিবার।