ঢাকা, বাংলাদেশ। , মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
ব্রীজ আছে রাস্তা নেই

কাজে আসছে না ৫ কোটি ৯৮ লক্ষ টাকার ব্রীজ 

উত্তম কুমার, আটোয়ারী (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি :
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:৪৯:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ মে ২০২৫
  • / ৬৭ বার পঠিত
সড়ক নেই, কাজে আসছে না ৬ কোটির ব্রীজ পঞ্চগড় জেলার দুই উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য নির্মাণ করা হয় ব্রীজ। তবে ব্রীজ নির্মাণ হলেও, তৈরি হয়নি ব্রীজের দুইপাশের সংযোগ সড়ক। এতে ব্রীজের সুবিধা পাচ্ছে না পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার ধরধরা ও আটোয়ারী উপজেলার ভাটিয়াপাড়া গ্রামসহ কয়েকটি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ।
জানা গেছে, পঞ্চগড়ের বোদা ও আটোয়ারী উপজেলার টাঙ্গন নদীর ওপর দুই উপজেলার সংযোগ করতে ২০২১ সালে আগস্ট মাসে কাজ শুরু হয় ব্রীজটির। মাঝে একবার মেয়াদ বাড়িয়ে এ বছর কাজ শেষ হয় ব্রীজটির। ৯৬ মিটার এ ব্রীজটি নির্মাণের চুক্তিমূল্য ধরা হয়েছে ৫ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। ব্রীজটি নির্মাণ করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর। ব্রীজের সঙ্গে সংযোগ সড়ক বরাদ্দ থাকলেও তিন বছরেও জমি অধিগ্রহণ করতে পারেনি। তাই মোটা অংকের সরকারি টাকা খরচ করা হলেও কোনো কাজেই আসছে না  ব্রীজটি। টেন্ডারের মাধ্যমে ব্রীজ নির্মাণের কাজ পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স এনএইজ । এ বছরে  ব্রীজটির নির্মাণকাজ শেষ করে তারা। কিন্তু এর একপাশে কৃষিজমি ও ঘরবাড়ি থাকায় ব্রিজের সংযোগ সড়ক নির্মাণ করতে পারছেন না। এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করার চেষ্টা হলেও সম্ভব হয়নি।
সরেজমিনে ঘুরে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সংযোগ সড়ক না থাকায় ব্রীজটি ব্যবহার করতে পারছে না তারা।ব্রীজটি চালু না হওয়ায়, ওপারের কয়েকটি ইউনিয়নের কৃষকদের কৃষি পণ্য নিতে হয় কয়েক কিলোমিটার ঘুরে। এতে গুনতে হয় বাড়তি খরচ। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, দীর্ঘদিন এ সমস্যার সমাধান না হলে ব্রিজের নির্মাণ কার্যক্রম অর্থহীন হয়ে যাবে। যাতায়াতের জন্য এই ব্রিজ ভীষণ প্রয়োজন।
স্থানীয় বাসিন্দা কিরন চন্দ্র বর্মন দৈনিক নাগরিক ভাবনা কে বলেন, রাস্তা নির্মাণ না হওয়ায় এখন আমাদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। কেউ অসুস্থ হইলে হাসপাতালে নিয়ে যেতে অনেক কষ্ট হয়।
স্থানীয় এক ইউ পি সদস্য প্রিয়নাথ চন্দ্র বলেন, ব্রীজ নির্মাণ হওয়ার খবরে আমরা অনেক খুশি হয়েছিলাম। কিন্তু এত বছর পেরিয়ে গেলেও এর দুপাশে রাস্তা নির্মাণ হয়নি। এতে ব্রীজটি আমাদের কোনো কাজে লাগছে না। আমাদের কৃষি পণ্য নিতে হয় কয়েক কিলোমিটার ঘুরে। এতে ভ্যান ভাড়া লাগে বেশি। ব্রীজটিতে রাস্তা হইলে সহজেই আমরা কৃষি পণ্য আনা নেওয়া করতে পারবো তাই আমরা রাস্তার জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

ব্রীজ আছে রাস্তা নেই

কাজে আসছে না ৫ কোটি ৯৮ লক্ষ টাকার ব্রীজ 

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:৪৯:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ মে ২০২৫
সড়ক নেই, কাজে আসছে না ৬ কোটির ব্রীজ পঞ্চগড় জেলার দুই উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য নির্মাণ করা হয় ব্রীজ। তবে ব্রীজ নির্মাণ হলেও, তৈরি হয়নি ব্রীজের দুইপাশের সংযোগ সড়ক। এতে ব্রীজের সুবিধা পাচ্ছে না পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার ধরধরা ও আটোয়ারী উপজেলার ভাটিয়াপাড়া গ্রামসহ কয়েকটি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ।
জানা গেছে, পঞ্চগড়ের বোদা ও আটোয়ারী উপজেলার টাঙ্গন নদীর ওপর দুই উপজেলার সংযোগ করতে ২০২১ সালে আগস্ট মাসে কাজ শুরু হয় ব্রীজটির। মাঝে একবার মেয়াদ বাড়িয়ে এ বছর কাজ শেষ হয় ব্রীজটির। ৯৬ মিটার এ ব্রীজটি নির্মাণের চুক্তিমূল্য ধরা হয়েছে ৫ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। ব্রীজটি নির্মাণ করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর। ব্রীজের সঙ্গে সংযোগ সড়ক বরাদ্দ থাকলেও তিন বছরেও জমি অধিগ্রহণ করতে পারেনি। তাই মোটা অংকের সরকারি টাকা খরচ করা হলেও কোনো কাজেই আসছে না  ব্রীজটি। টেন্ডারের মাধ্যমে ব্রীজ নির্মাণের কাজ পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স এনএইজ । এ বছরে  ব্রীজটির নির্মাণকাজ শেষ করে তারা। কিন্তু এর একপাশে কৃষিজমি ও ঘরবাড়ি থাকায় ব্রিজের সংযোগ সড়ক নির্মাণ করতে পারছেন না। এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করার চেষ্টা হলেও সম্ভব হয়নি।
সরেজমিনে ঘুরে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সংযোগ সড়ক না থাকায় ব্রীজটি ব্যবহার করতে পারছে না তারা।ব্রীজটি চালু না হওয়ায়, ওপারের কয়েকটি ইউনিয়নের কৃষকদের কৃষি পণ্য নিতে হয় কয়েক কিলোমিটার ঘুরে। এতে গুনতে হয় বাড়তি খরচ। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, দীর্ঘদিন এ সমস্যার সমাধান না হলে ব্রিজের নির্মাণ কার্যক্রম অর্থহীন হয়ে যাবে। যাতায়াতের জন্য এই ব্রিজ ভীষণ প্রয়োজন।
স্থানীয় বাসিন্দা কিরন চন্দ্র বর্মন দৈনিক নাগরিক ভাবনা কে বলেন, রাস্তা নির্মাণ না হওয়ায় এখন আমাদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। কেউ অসুস্থ হইলে হাসপাতালে নিয়ে যেতে অনেক কষ্ট হয়।
স্থানীয় এক ইউ পি সদস্য প্রিয়নাথ চন্দ্র বলেন, ব্রীজ নির্মাণ হওয়ার খবরে আমরা অনেক খুশি হয়েছিলাম। কিন্তু এত বছর পেরিয়ে গেলেও এর দুপাশে রাস্তা নির্মাণ হয়নি। এতে ব্রীজটি আমাদের কোনো কাজে লাগছে না। আমাদের কৃষি পণ্য নিতে হয় কয়েক কিলোমিটার ঘুরে। এতে ভ্যান ভাড়া লাগে বেশি। ব্রীজটিতে রাস্তা হইলে সহজেই আমরা কৃষি পণ্য আনা নেওয়া করতে পারবো তাই আমরা রাস্তার জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি।