ঢাকা, বাংলাদেশ। , বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

কালবৈশাখী ঝড়ে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী ও ফুলবাড়ী উপজেলায়  ব্যাপক ক্ষতি

শাহীন শহীদঃ - বিশেষ প্রতিনিধি 
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ১১:৫৬:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৫
  • / ৯৭ বার পঠিত

Oplus_131072

সোমবার (২৮ এপ্রিল) ভোরে ও  শনিবার (২৬ এপ্রিল) রাতে দুই উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঝড়ের সঙ্গে মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয়। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চলা এ ঝড় ও মৃদু শিলাবৃষ্টিতে বিদ্যুতের খুঁটি ও তার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় রোববার ও সোমবার প্রায় সারা দিন গোটা দুই উপজেলা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন ছিল।
কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, কালবৈশাখীর ঝড়ে ১৮ হেক্টর বোরো ধান, ৩৫ হেক্টর ভুট্টা ও ১ হেক্টর শাক-সবজির আবাদ হেলে পড়ে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে। তাছাড়া আম, কাঁঠাল, লিচু, কলাসহ বিভিন্ন ফলের ব্যাপকভাবে ঝরে পড়েছে। গাছপালা উপড়ে পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ঘরবাড়ি এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।

কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান,  গত শনিবারের রাতের কালবৈশাখীর বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ২২ থেকে ৩২ কিলোমিটার। এর সঙ্গে ৪০.৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। সোমবার ২৮ এপ্রিল ভোর সাড়ে ৪টায় বাতাসের গতিবেগ ছিল ৩৭ কিলোমিটার এবং এর সঙ্গে
৩.৯ মিলি মিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

নাগেশ্বরী ও ফুলবাড়ী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, ঝড়ে ফসল হেলে পড়লেও নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা নেই। তারপরও কৃষি বিভাগ ঝড়ে হেলে পড়া ক্ষেতের কৃষকদের ফসল রক্ষার জন্য বিভিন্ন পরামর্শ দেয়া অব্যাহত রেখেছেন।

কুড়িগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) উত্তম কুমার রায় বলেন, ঝড়ে উপড়ে পড়া গাছপালা অপসারণে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো রোববার সকাল থেকে কাজ করছে। সড়ক যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার জন্য আমরা নির্দেশনা দিয়ে আসছি। এছাড়াও দুযোগ ব্যবস্থাপনা শাখাকে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করে প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

কালবৈশাখী ঝড়ে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী ও ফুলবাড়ী উপজেলায়  ব্যাপক ক্ষতি

সর্বশেষ পরিমার্জন: ১১:৫৬:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৫
সোমবার (২৮ এপ্রিল) ভোরে ও  শনিবার (২৬ এপ্রিল) রাতে দুই উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঝড়ের সঙ্গে মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয়। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চলা এ ঝড় ও মৃদু শিলাবৃষ্টিতে বিদ্যুতের খুঁটি ও তার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় রোববার ও সোমবার প্রায় সারা দিন গোটা দুই উপজেলা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন ছিল।
কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, কালবৈশাখীর ঝড়ে ১৮ হেক্টর বোরো ধান, ৩৫ হেক্টর ভুট্টা ও ১ হেক্টর শাক-সবজির আবাদ হেলে পড়ে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে। তাছাড়া আম, কাঁঠাল, লিচু, কলাসহ বিভিন্ন ফলের ব্যাপকভাবে ঝরে পড়েছে। গাছপালা উপড়ে পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ঘরবাড়ি এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।

কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান,  গত শনিবারের রাতের কালবৈশাখীর বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ২২ থেকে ৩২ কিলোমিটার। এর সঙ্গে ৪০.৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। সোমবার ২৮ এপ্রিল ভোর সাড়ে ৪টায় বাতাসের গতিবেগ ছিল ৩৭ কিলোমিটার এবং এর সঙ্গে
৩.৯ মিলি মিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

নাগেশ্বরী ও ফুলবাড়ী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, ঝড়ে ফসল হেলে পড়লেও নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা নেই। তারপরও কৃষি বিভাগ ঝড়ে হেলে পড়া ক্ষেতের কৃষকদের ফসল রক্ষার জন্য বিভিন্ন পরামর্শ দেয়া অব্যাহত রেখেছেন।

কুড়িগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) উত্তম কুমার রায় বলেন, ঝড়ে উপড়ে পড়া গাছপালা অপসারণে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো রোববার সকাল থেকে কাজ করছে। সড়ক যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার জন্য আমরা নির্দেশনা দিয়ে আসছি। এছাড়াও দুযোগ ব্যবস্থাপনা শাখাকে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করে প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বলা হয়েছে।