ঢাকা, বাংলাদেশ। , সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

কুষ্টিয়া  ১ কোটি টাকার মহিষ লুট: নাটকীয় আত্মসমর্পণে বিএনপির ১১ নেতাকর্মী কারাগারে

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:০৪:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৫
  • / ৬৬ বার পঠিত
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে প্রায় ১ কোটি ৯ লাখ টাকার ৪১টি মহিষ লুটের মামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১১ নেতাকর্মীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। রোববার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে কুষ্টিয়া চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে শুনানি শেষে একজনকে জামিন দিয়ে বাকি ১১ জনের জামিন নামঞ্জুর করা হয়।
আদালতের বিচারক মোস্তফা পারভেজ এ আদেশ দেন।
কারাগারে পাঠানো ১১ আসামি হলেন—দৌলতপুর উপজেলার মরিচা ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান, পলাশ, জাকির, বকুল, অভিক, বক্কর, মোজাফফর, হানা, তককুল, তুহিন ও শাহিনুর। তারা সবাই মরিচা ইউনিয়নের বৈরাগীরচর গ্রামের বাসিন্দা এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের সক্রিয় কর্মী।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত ১১ ফেব্রুয়ারি ভোররাতে মরিচার বৈরাগীরচর গ্রামের মন্ডলপাড়ার পদ্মার চরে থাকা একটি বাথানে হামলা চালায় সাইদুর রহমানের নেতৃত্বে একদল দুর্বৃত্ত। তারা অস্ত্রের মুখে ৪১টি মহিষ লুট করে নেয় এবং রাখাল মাজদার আলী (৫০), কামাল হোসেন (৩৫) ও সৈকত (৩৫)–কে মারধর করে অপহরণ করে পার্শ্ববর্তী রহিমপুর মাঠে আটকে রাখে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রাখালদের উদ্ধার করলেও মহিষগুলো উদ্ধার করতে ব্যর্থ হয়। অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার পরপরই মহিষগুলো ট্রাকে করে পাচার করে বিক্রি করে দেওয়া হয়। লুট হওয়া মহিষের বাজারমূল্য আনুমানিক ১ কোটি ৯ লাখ টাকা।
এ ঘটনায় মহিষের মালিক সাইদ মন্ডলের স্ত্রী তমা খাতুন বাদী হয়ে ১৪ ফেব্রুয়ারি দৌলতপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় সাইদুর রহমানকে প্রধান আসামি করে ১৪ জনের নাম উল্লেখ করা হয় এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৮–১০ জনকে আসামি করা হয়। দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হুদা বলেন, “আদালতে আত্মসমর্পণ করা ১২ আসামির মধ্যে ১১ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। একজনকে জামিন দেওয়া হয়েছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।”
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

কুষ্টিয়া  ১ কোটি টাকার মহিষ লুট: নাটকীয় আত্মসমর্পণে বিএনপির ১১ নেতাকর্মী কারাগারে

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:০৪:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৫
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে প্রায় ১ কোটি ৯ লাখ টাকার ৪১টি মহিষ লুটের মামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১১ নেতাকর্মীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। রোববার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে কুষ্টিয়া চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে শুনানি শেষে একজনকে জামিন দিয়ে বাকি ১১ জনের জামিন নামঞ্জুর করা হয়।
আদালতের বিচারক মোস্তফা পারভেজ এ আদেশ দেন।
কারাগারে পাঠানো ১১ আসামি হলেন—দৌলতপুর উপজেলার মরিচা ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান, পলাশ, জাকির, বকুল, অভিক, বক্কর, মোজাফফর, হানা, তককুল, তুহিন ও শাহিনুর। তারা সবাই মরিচা ইউনিয়নের বৈরাগীরচর গ্রামের বাসিন্দা এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের সক্রিয় কর্মী।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত ১১ ফেব্রুয়ারি ভোররাতে মরিচার বৈরাগীরচর গ্রামের মন্ডলপাড়ার পদ্মার চরে থাকা একটি বাথানে হামলা চালায় সাইদুর রহমানের নেতৃত্বে একদল দুর্বৃত্ত। তারা অস্ত্রের মুখে ৪১টি মহিষ লুট করে নেয় এবং রাখাল মাজদার আলী (৫০), কামাল হোসেন (৩৫) ও সৈকত (৩৫)–কে মারধর করে অপহরণ করে পার্শ্ববর্তী রহিমপুর মাঠে আটকে রাখে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রাখালদের উদ্ধার করলেও মহিষগুলো উদ্ধার করতে ব্যর্থ হয়। অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার পরপরই মহিষগুলো ট্রাকে করে পাচার করে বিক্রি করে দেওয়া হয়। লুট হওয়া মহিষের বাজারমূল্য আনুমানিক ১ কোটি ৯ লাখ টাকা।
এ ঘটনায় মহিষের মালিক সাইদ মন্ডলের স্ত্রী তমা খাতুন বাদী হয়ে ১৪ ফেব্রুয়ারি দৌলতপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় সাইদুর রহমানকে প্রধান আসামি করে ১৪ জনের নাম উল্লেখ করা হয় এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৮–১০ জনকে আসামি করা হয়। দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হুদা বলেন, “আদালতে আত্মসমর্পণ করা ১২ আসামির মধ্যে ১১ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। একজনকে জামিন দেওয়া হয়েছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।”