ঢাকা, বাংলাদেশ। , রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
নির্যাতন

কেশবপুরে দেবরের বিরুদ্ধে বিধবা নারীকে নির্যাতন ও হুমকির অভিযোগ

জেমস আব্দুর রহিম রানা, যশোর
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ১০:৪৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
  • / ২০ বার পঠিত
জেমস আব্দুর রহিম রানা, যশোর:   যশোরের কেশবপুর উপজেলায় স্বামীর মৃত্যুর পর এক বিধবা নারীকে বসতভিটা থেকে উচ্ছেদের চেষ্টা, শারীরিক নির্যাতন ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে আপন দেবরের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কেশবপুর পৌরসভার ০১ নম্বর ওয়ার্ডের কেশবপুর বাজার (স্বর্ণপট্টি) এলাকার বাসিন্দা সোনালী সেন (৫৬) তার স্বামী অশোক কুমার সেনের মৃত্যুর প্রায় ১৬ বছর পর থেকে পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের শিকার হচ্ছেন। তিনি অভিযোগ করেন, তার দেবর কনক সেন (৫০) দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্নভাবে তাকে ও তার পরিবারকে হয়রানি করে আসছেন এবং বাড়ি থেকে উচ্ছেদের চাপ সৃষ্টি করছেন।
অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, কনক সেনের সহযোগী হিসেবে খতিয়াখালী এলাকার নমিতা (৪০) নামের এক নারীও তাকে বিভিন্ন সময় গালিগালাজ ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। তিনি পেশায় পৌরসভার পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও অভিযুক্ত পরিবারের গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী সোনালী সেন দাবি করেন, সর্বশেষ গত ২১ এপ্রিল দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে পূর্ব বিরোধের জেরে অভিযুক্তরা তার বাড়ির সামনে এসে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং প্রতিবাদ জানালে তাকে মারধরের চেষ্টা করা হয়। এ সময় তাকে ও তার ছেলেকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে বসতভিটা ছেড়ে যাওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করা হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে সোনালী সেনের ছেলে অর্জুন সেনসহ আরও অনেকে বিষয়টি জানেন বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে স্বামীর মৃত্যুর পর থেকে পারিবারিক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করা, নিয়মিত হুমকি ও নির্যাতনের শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলে ভুক্তভোগী নারী স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সমাধানের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। পরে বাধ্য হয়ে তিনি প্রশাসনের শরণাপন্ন হন।
এ বিষয়ে এখনো অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় প্রশাসন বা পুলিশ কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগটি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

নির্যাতন

কেশবপুরে দেবরের বিরুদ্ধে বিধবা নারীকে নির্যাতন ও হুমকির অভিযোগ

সর্বশেষ পরিমার্জন: ১০:৪৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
জেমস আব্দুর রহিম রানা, যশোর:   যশোরের কেশবপুর উপজেলায় স্বামীর মৃত্যুর পর এক বিধবা নারীকে বসতভিটা থেকে উচ্ছেদের চেষ্টা, শারীরিক নির্যাতন ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে আপন দেবরের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কেশবপুর পৌরসভার ০১ নম্বর ওয়ার্ডের কেশবপুর বাজার (স্বর্ণপট্টি) এলাকার বাসিন্দা সোনালী সেন (৫৬) তার স্বামী অশোক কুমার সেনের মৃত্যুর প্রায় ১৬ বছর পর থেকে পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের শিকার হচ্ছেন। তিনি অভিযোগ করেন, তার দেবর কনক সেন (৫০) দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্নভাবে তাকে ও তার পরিবারকে হয়রানি করে আসছেন এবং বাড়ি থেকে উচ্ছেদের চাপ সৃষ্টি করছেন।
অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, কনক সেনের সহযোগী হিসেবে খতিয়াখালী এলাকার নমিতা (৪০) নামের এক নারীও তাকে বিভিন্ন সময় গালিগালাজ ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। তিনি পেশায় পৌরসভার পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও অভিযুক্ত পরিবারের গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী সোনালী সেন দাবি করেন, সর্বশেষ গত ২১ এপ্রিল দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে পূর্ব বিরোধের জেরে অভিযুক্তরা তার বাড়ির সামনে এসে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং প্রতিবাদ জানালে তাকে মারধরের চেষ্টা করা হয়। এ সময় তাকে ও তার ছেলেকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে বসতভিটা ছেড়ে যাওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করা হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে সোনালী সেনের ছেলে অর্জুন সেনসহ আরও অনেকে বিষয়টি জানেন বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে স্বামীর মৃত্যুর পর থেকে পারিবারিক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করা, নিয়মিত হুমকি ও নির্যাতনের শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলে ভুক্তভোগী নারী স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সমাধানের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। পরে বাধ্য হয়ে তিনি প্রশাসনের শরণাপন্ন হন।
এ বিষয়ে এখনো অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় প্রশাসন বা পুলিশ কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগটি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।