কৈমারী ইউনিয়নে জামানতের ৮০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোক,তদন্তে প্রশাসন

- সর্বশেষ পরিমার্জন: ১১:৩৭:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
- / ১৯ বার পঠিত

মফিজুল ইসলাম, বিশেষ প্রতিনিধি: নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার ১১ নম্বর কৈমারী মডেল ইউনিয়ন পরিষদে হোল্ডিং ট্যাক্স আদায়ের দায়িত্ব দেওয়ার কথা বলে নেওয়া ফেরতযোগ্য জামানতের ৮০ হাজার টাকা ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. তসলিম উদ্দিন (বর্তমানে পূর্ব ছাতনাই ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত) এবং সাবেক প্যানেল চেয়ারম্যান-১ পেয়ারী বেগমের বিরুদ্ধে। পেয়ারী বেগম বর্তমানে ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ভুক্তভোগী মো. জাকিরুল ইসলাম, পিতা মো. সাইদুল ইসলাম, গ্রাম দক্ষিণ তিতপাড়া, ডাকঘর ডিমলা, উপজেলা ডিমলা, জেলা নীলফামারী—এ বিষয়ে জলঢাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ৩০ এপ্রিল কৈমারী ইউনিয়ন পরিষদের অধীনে হোল্ডিং ট্যাক্স আদায়কারীর দায়িত্ব পাওয়ার লক্ষ্যে ফেরতযোগ্য জামানত হিসেবে ৮০ হাজার টাকা স্ট্যাম্পের মাধ্যমে অভিযুক্ত দুই ব্যক্তির কাছে জমা দেন জাকিরুল ইসলাম।
অভিযোগে বলা হয়, পবিত্র ঈদুল আজহার পর কাজ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তা আর শুরু হয়নি। পরবর্তীতে একাধিকবার টাকা ফেরত চাইলে নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করা হয়। কখনও বেতন, কখনও এনজিও ঋণ, আবার কখনও প্রকল্পের টাকা আসার কথা বলে দীর্ঘদিন ধরে টাকা ফেরত দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী।
জাকিরুল ইসলাম বলেন, “আমি বারবার টাকা ফেরত চেয়েছি। কিন্তু আজ দেব, কাল দেব বলে প্রায় এক বছর ধরে ঘুরানো হচ্ছে। এখন মনে হচ্ছে, এটি পরিকল্পিতভাবে টাকা আটকে রাখার ঘটনা।”
এ ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছে, ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বশীল পদে থেকে সাধারণ মানুষের অর্থ আটকে রাখা অনিয়ম ও দুর্নীতির সামিল। তারা দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জলঢাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”



















