ঢাকা, বাংলাদেশ।
,
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
তাজা খবর
“কানাডার এমপি নির্বাচনে জয়ী ডলি বেগমকে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র অভিনন্দন
উৎসব আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হলো ১৪৪ তম খুলনা দিবস!
চট্রগ্রামের জব্বারের বলি খেলায় হ্যাট্রিক চ্যাম্পিয়ন হোমনার বাঘা শরীফ
কৃষকের ন্যায্য মূল্য কোথায় যায়?
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত
ছদ্মবেশী অস্ত্র ‘পেনগান’
ব্যাংকিং খাতে আস্থা সংকট
যশোরে কৃত্রিম তেল সংকটে দিশেহারা চালক ও সাধারণ মানুষ
জ্বালানি সঙ্কটের মধ্যেই অস্ট্রেলিয়ার তেল শোধনাগারে ভয়াবহ আগুন
ফুয়েল পাস নিতে নিবন্ধনের নিয়ম
খানখানাপুরে গফুর বিশ্বাস এর আলুর চপ জনপ্রিয়তার শীর্ষে

রাজু আহমেদ, রাজবাড়ী
- সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৬:৫৮:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৫
- / ৫৪ বার পঠিত

রাস্তা ঘেঁষে ছোট্ট একটি টিনের ছাপরা। সামনে অনেক মানুষের ভিড়। ভিড় ঠেলে কাছে যেতেই দেখা যায় বয়স্ক এক ব্যক্তি মুখরোচক চপ তৈরি করছেন। কড়াই থেকে গরম তেলে ভাজা চপের ঘ্রাণ উঠে আসছে। তাঁর কাজে সহযোগিতা করছেন এক যুবক। এই চপ নিতেই এত ভিড়।
সম্প্রতি এক বিকেলে বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে রাজবাড়ী সদর উপজেলার খানখানাপুর বাজারের বারেক মার্কেট এলাকায় আব্দুল গফুর বিশ্বাসের চপের দোকানে এমন ভিড় দেখা যায়। ৩০ বছর ধরে সুনামের সঙ্গে তিনি চপ বিক্রি করছেন। ‘গফুর চাচার চপ’–এর জন্য প্রতিদিন গভীর রাত পর্যন্ত মানুষের ভিড় লেগে থাকে। তাঁর চপের সুনাম জেলাব্যাপী।
এ বিষয়,আব্দুল গফুর বিশ্বাস জাতীয় দৈনিক নাগরিক ভাবনাকে বলেন, সদর উপজেলার পাচুরিয়া ইউনিয়নের ভান্ডারিয়া গ্রামের তাঁর বাড়ী। স্ত্রী, দুই ছেলে, তাঁদের স্ত্রী ও দুই নাতিসহ আট সদস্যের সংসার। বড় ছেলে মিন্টু বিশ্বাস ঢাকায় পোশাকের দোকানে কাজ করেন। ছোট ছেলে তুহিন বিশ্বাস ওমানসপ্রবাসী। চপের ব্যবসা করেই সংসারের খরচ জোগান গফুর বিশ্বাস।
বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে চপ তৈরি করছেন আব্দুল গফুর বিশ্বাস। পাশে কর্মচারী কড়াইতে দেওয়া গরম চপ ওঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন। মঙ্গলবার বিকেলে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়।
বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে চপ তৈরি করছেন আব্দুল গফুর বিশ্বাস। পাশে কর্মচারী কড়াইতে দেওয়া গরম চপ ওঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে খানখানাপুর বাজারে আগে রাস্তার ধারে চপ বিক্রি করতেন আব্দুল গফুর। আট বছর ধরে একটি ছোট্ট ছাপরা মাসিক তিন হাজার টাকায় ভাড়া নিয়েছেন। প্রতিদিন বেলা তিনটা থেকে রাত ৯টা-১০টা পর্যন্ত চলে বেচাকেনা।
সহযোগিতার জন্য লুৎফর শেখ (৪২) নামের কর্মচারীকে প্রতিদিন ৩৫০ টাকা বেতন দেন। উপকরণ কেনায় গড়ে প্রতিদিন প্রায় চার হাজার টাকা বিনিয়োগ করতে হয়। একটি চপ ১০ টাকায় বিক্রি করেন। পাঁচ থেকে সাড়ে পাঁচ হাজার, কোনো দিন ছয় হাজার টাকা বেচাকেনা হয়। খরচ বাদে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা থাকে।
আরও পড়ুন:


















