ঢাকা, বাংলাদেশ || রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 09649-230220

গবেষণা ও উদ্ভাবনেই টেকসই উন্নয়নের মূল ভিত্তি

শেখ রিফান আহমেদ : বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর দিকে তাকালে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়ে ওঠে—গবেষণা ও উদ্ভাবনই তাদের অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি। নতুন জ্ঞান, নতুন প্রযুক্তি এবং নতুন চিন্তার মাধ্যমে তারা অর্থনীতি, শিক্ষা, চিকিৎসা ও শিল্পে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে।
বাংলাদেশও উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। এই লক্ষ্য অর্জনে গবেষণা ও উদ্ভাবনে বিনিয়োগ বাড়ানো সময়ের দাবি। বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং শিল্পখাতের মধ্যে কার্যকর সহযোগিতা গড়ে তুলতে হবে, যাতে গবেষণার ফল বাস্তব উন্নয়নে কাজে লাগে।
শিক্ষার্থীদের মুখস্থবিদ্যার পরিবর্তে অনুসন্ধানী মনোভাব গড়ে তুলতে হবে। বিজ্ঞান, কৃষি, স্বাস্থ্য, তথ্যপ্রযুক্তি এবং পরিবেশ খাতে নতুন নতুন উদ্ভাবন দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে আরও ত্বরান্বিত করতে পারে।
গবেষকদের জন্য পর্যাপ্ত অর্থায়ন, আধুনিক গবেষণাগার এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে উদ্ভাবকদের মেধাস্বত্ব রক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা থাকতে হবে।
একটি জাতি তখনই টেকসই উন্নয়ন অর্জন করতে পারে, যখন তারা জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির দিকে অগ্রসর হয়। গবেষণা ও উদ্ভাবনের সংস্কৃতি গড়ে তোলাই হতে পারে আগামী বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি।

-লেখক : সম্পাদক, দৈনিক নাগরিক ভাবনা

Share this news as a Photo Card

11 October 2026

শেওলা-কচুরিপানায় বন্দী ভৈরব নদ, থমকে গেছে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ

বিস্তারিত লিংক কমেন্টে |
nagorikbhabna.com
nagorikbhabna

গবেষণা ও উদ্ভাবনেই টেকসই উন্নয়নের মূল ভিত্তি

সর্বশেষ পরিমার্জন : ১২:০১:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

শেখ রিফান আহমেদ : বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর দিকে তাকালে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়ে ওঠে—গবেষণা ও উদ্ভাবনই তাদের অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি। নতুন জ্ঞান, নতুন প্রযুক্তি এবং নতুন চিন্তার মাধ্যমে তারা অর্থনীতি, শিক্ষা, চিকিৎসা ও শিল্পে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে।
বাংলাদেশও উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। এই লক্ষ্য অর্জনে গবেষণা ও উদ্ভাবনে বিনিয়োগ বাড়ানো সময়ের দাবি। বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং শিল্পখাতের মধ্যে কার্যকর সহযোগিতা গড়ে তুলতে হবে, যাতে গবেষণার ফল বাস্তব উন্নয়নে কাজে লাগে।
শিক্ষার্থীদের মুখস্থবিদ্যার পরিবর্তে অনুসন্ধানী মনোভাব গড়ে তুলতে হবে। বিজ্ঞান, কৃষি, স্বাস্থ্য, তথ্যপ্রযুক্তি এবং পরিবেশ খাতে নতুন নতুন উদ্ভাবন দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে আরও ত্বরান্বিত করতে পারে।
গবেষকদের জন্য পর্যাপ্ত অর্থায়ন, আধুনিক গবেষণাগার এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে উদ্ভাবকদের মেধাস্বত্ব রক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা থাকতে হবে।
একটি জাতি তখনই টেকসই উন্নয়ন অর্জন করতে পারে, যখন তারা জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির দিকে অগ্রসর হয়। গবেষণা ও উদ্ভাবনের সংস্কৃতি গড়ে তোলাই হতে পারে আগামী বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি।

-লেখক : সম্পাদক, দৈনিক নাগরিক ভাবনা

Share this news as a Photo Card