ঢাকা, বাংলাদেশ। , শনিবার, ০২ মে ২০২৬
খারখানাকে ৭০ হাজার টাকা জরিমান

গরুর খামারের পাশে মিষ্টির কারখানা, ভোক্তা অধিকারের অভিযান

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৭:৪০:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জুন ২০২৫
  • / ৩৮ বার পঠিত
কুষ্টিয়ার কুমারখালীর দয়রামপুর ঘোষপাড়ায় গরুর খামারের একেবারে পাশে চলছে মিষ্টি তৈরির কারখানা! খামারের সঙ্গে সঙ্গেই গোবরের স্তূপ, নেই কোনো সুরক্ষা বা বেড়া। খোলা জায়গায় উড়ছে মাছি-মশা, চারপাশে বাজে গন্ধ। এমন পরিবেশে দিনের পর দিন তৈরি হচ্ছিল মিষ্টিজাত পণ্য।
২৪ জুন মঙ্গলবার দুপুরে সেখানে হানা দেয় কুষ্টিয়া জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। অভিযান চালিয়ে কারখানাকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করে তারা।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. মাসুম আলী। সঙ্গে ছিলেন জেলা ও উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারাও।
কারখানার ম্যানেজার সুশান্ত রায় নিজেই বলেন, “আমাদের কোনো লাইসেন্স নেই। প্রায় দুই বছর ধরে এভাবে চলছে। ভুল হয়েছে, দ্রুত ঠিক করবো।”
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মাসুম আলী বলেন, “এমন অবস্থা দেখে মনে হলো যেন গরুর খামারেই তৈরি হচ্ছে মিষ্টি! পুরো জায়গাটা অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা। কাগজপত্রও নেই। তাই জরিমানা করা হয়েছে।”
তিনি জানান, সাত দিনের সময় দেওয়া হয়েছে পরিবেশ ঠিক করতে। কিছু নিম্নমানের মিষ্টিও নষ্ট করে ফেলা হয়েছে। আর ভবিষ্যতে নিয়ম না মানলে আরও কঠিন ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে, স্থানীয় লোকজন বলছেন, শুধু জরিমানা নয়—এমন কারখানা একেবারে বন্ধ করে দেওয়া উচিত। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মিকাইল ইসলাম বলেন, “ভোক্তা অধিকার সংস্থার সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

খারখানাকে ৭০ হাজার টাকা জরিমান

গরুর খামারের পাশে মিষ্টির কারখানা, ভোক্তা অধিকারের অভিযান

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৭:৪০:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জুন ২০২৫
কুষ্টিয়ার কুমারখালীর দয়রামপুর ঘোষপাড়ায় গরুর খামারের একেবারে পাশে চলছে মিষ্টি তৈরির কারখানা! খামারের সঙ্গে সঙ্গেই গোবরের স্তূপ, নেই কোনো সুরক্ষা বা বেড়া। খোলা জায়গায় উড়ছে মাছি-মশা, চারপাশে বাজে গন্ধ। এমন পরিবেশে দিনের পর দিন তৈরি হচ্ছিল মিষ্টিজাত পণ্য।
২৪ জুন মঙ্গলবার দুপুরে সেখানে হানা দেয় কুষ্টিয়া জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। অভিযান চালিয়ে কারখানাকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করে তারা।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. মাসুম আলী। সঙ্গে ছিলেন জেলা ও উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারাও।
কারখানার ম্যানেজার সুশান্ত রায় নিজেই বলেন, “আমাদের কোনো লাইসেন্স নেই। প্রায় দুই বছর ধরে এভাবে চলছে। ভুল হয়েছে, দ্রুত ঠিক করবো।”
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মাসুম আলী বলেন, “এমন অবস্থা দেখে মনে হলো যেন গরুর খামারেই তৈরি হচ্ছে মিষ্টি! পুরো জায়গাটা অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা। কাগজপত্রও নেই। তাই জরিমানা করা হয়েছে।”
তিনি জানান, সাত দিনের সময় দেওয়া হয়েছে পরিবেশ ঠিক করতে। কিছু নিম্নমানের মিষ্টিও নষ্ট করে ফেলা হয়েছে। আর ভবিষ্যতে নিয়ম না মানলে আরও কঠিন ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে, স্থানীয় লোকজন বলছেন, শুধু জরিমানা নয়—এমন কারখানা একেবারে বন্ধ করে দেওয়া উচিত। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মিকাইল ইসলাম বলেন, “ভোক্তা অধিকার সংস্থার সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”