ঢাকা, বাংলাদেশ। , মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

গর্ভবতী গাভী জবাইয়ের অভিযোগ: জনতার ক্ষোভে হাট ছাড়লো কসাই

আব্দুল হাননান, বগুড়া
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ১১:৩৫:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬
  • / ৩৮ বার পঠিত
আব্দুল হাননান, বগুড়া: বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার খরনা হাটে গর্ভবতী গাভী জবাইয়ের অভিযোগ উঠলে বিক্ষুব্ধ জনতার ক্ষোভে হাট ছাড়েন কসাই মিজান।
‎রবিবার (৮ মার্চ) সকালে উপজেলার খরনা হাটে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত কসাইয়ের নাম মিজান বলে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাটের পাশেই মিজান একটি গাভী জবাই করছিল। এমন সময় কয়েকজন ক্রেতা ও হাটে উপস্থিত লোকজনের সন্দেহ হলে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখতে পান, অভিযুক্ত কসাই গাভি জবাই করে পেটের বাচ্চাকে মাটির নিচে পুঁতে রেখেছে। ঘটনাটি হাটে ছড়িয়ে পরলে উপস্থিত লোকজন ক্ষোভে ফেটে পরে কসাই মিজানকে ধাওয়া দিলে কসাই মিজান হাট থেকে পালিয়ে যান।
এ বিষয়ে স্থানীয়রা বলেন, কসাই মিজান সম্পূর্ণ অমানবিক এবং বেআইনিভাবে দীর্ঘ দিন ধরেই লোক চক্ষুর অন্তরালে হাট-বাজারে অসুস্থ ও গর্ভবতী গাভী জবাই করে আসছিল। এমন ঘটনার প্রশাসনের কাছে শাস্তি দাবি জানাই।
‎এ বিষয়ে শাজাহানপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাইফুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে আমার জানা নাই৷

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

গর্ভবতী গাভী জবাইয়ের অভিযোগ: জনতার ক্ষোভে হাট ছাড়লো কসাই

সর্বশেষ পরিমার্জন: ১১:৩৫:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬
আব্দুল হাননান, বগুড়া: বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার খরনা হাটে গর্ভবতী গাভী জবাইয়ের অভিযোগ উঠলে বিক্ষুব্ধ জনতার ক্ষোভে হাট ছাড়েন কসাই মিজান।
‎রবিবার (৮ মার্চ) সকালে উপজেলার খরনা হাটে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত কসাইয়ের নাম মিজান বলে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাটের পাশেই মিজান একটি গাভী জবাই করছিল। এমন সময় কয়েকজন ক্রেতা ও হাটে উপস্থিত লোকজনের সন্দেহ হলে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখতে পান, অভিযুক্ত কসাই গাভি জবাই করে পেটের বাচ্চাকে মাটির নিচে পুঁতে রেখেছে। ঘটনাটি হাটে ছড়িয়ে পরলে উপস্থিত লোকজন ক্ষোভে ফেটে পরে কসাই মিজানকে ধাওয়া দিলে কসাই মিজান হাট থেকে পালিয়ে যান।
এ বিষয়ে স্থানীয়রা বলেন, কসাই মিজান সম্পূর্ণ অমানবিক এবং বেআইনিভাবে দীর্ঘ দিন ধরেই লোক চক্ষুর অন্তরালে হাট-বাজারে অসুস্থ ও গর্ভবতী গাভী জবাই করে আসছিল। এমন ঘটনার প্রশাসনের কাছে শাস্তি দাবি জানাই।
‎এ বিষয়ে শাজাহানপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাইফুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে আমার জানা নাই৷