ঢাকা, বাংলাদেশ। , শনিবার, ০২ মে ২০২৬

গোয়ালন্দ হাসপাতালে চিকিৎসার যন্ত্রপাতি সংকট, রোগীদের ভোগান্তি  

রাজু আহমেদ, রাজবাড়ী 
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৬:২০:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ জুলাই ২০২৫
  • / ৫২ বার পঠিত
প্রায় দুই লাখ জনসংখ্যার বসবাস রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলায়। ৪ টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার জন্য রয়েছে একটি মাত্র ৫০ শয্যার হাসপাতাল। অকার্যকর যন্ত্রপাতি, চিকিৎসক সংকট ও নানাবিধ সমস্যায় জর্জরিত ৫০ শয্যার এ হাসপাতাল। রোগী আছে চিকিৎসক নেই এভাবেই চলছে স্বাস্থ্যসেবা।
এ অবস্থায় চিকিৎসা নিতে আসা লোকজন নানা ধরনের শিকার হচ্ছেন। হাসপাতালের এক্সরে মেশিন অনেক আগেই বিকল হয়ে পড়ে আছে। নেই কোন টেকনিশিয়ান। বাড়তি টাকা খরচ করে রোগীদের প্রাইভেট ক্লিনিক থেকে এক্সরে করাতে হচ্ছে  ছোটখাটো অস্ত্রোপচারের জন্য রোগীদের যেতে হয় সদর হাসপাতাল কিংবা প্রাইভেট ক্লিনিকে।
একাধিক রোগীরা অভিযোগ করে বলেন, জ্বর কাশি ঠান্ডা, ডায়রিয়া রোগ ছাড়া অন্য কোন রোগী হাসপাতালে আসলে তাকে সরাসরি ফরিদপুর মেডিকেল হাসপাতালে যেতে বলে। আমাদের এই উপজেলা নদী ভাঙ্গন এলাকা। গরিব মানুষের বসবাস এখানে বেশি। আমরা ফরিদপুর কিংবা বেসরকারি হাসপাতালে ডাক্তার দেখাতে গেলে খরচের সাথে পেরে উঠি না। আমাদের এই হাসপাতালে ডাক্তার বাড়ানো ও চিকিৎসার সকল সরঞ্জাম খুবই প্রয়োজন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গাইনি, চক্ষু, কার্ডিওলজি, অর্থপেডিক্স, শিশু, ইএনটি,মেডিসিন, চর্ম ও যৌন, এমও,হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা , এর মধ্য থেকে অনেক চিকিৎসা এই উপজেলার মানুষ পায় না। সমস্যা প্রয়োজনীয় চিকিৎসক সংকট।
ডাক্তার মোঃ শরিফুল ইসলাম, আবাসিক মেডিকেল অফিসার গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স তিনি জানান, এ উপজেলার মানুষের প্রয়োজনীয়  চিকিৎসা সেবার জন্যে হাসপাতালে বেশ কিছু চিকিৎসা বাড়ানো প্রয়োজন। তাছাড়া চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম জরুরিভাবে প্রয়োজন এক্স রে মেশিনের জন্য ফিক্সার ,
অতিরিক্ত কিছু বেড,পালস অক্সিমিটার সহ অনেক কিছু।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

গোয়ালন্দ হাসপাতালে চিকিৎসার যন্ত্রপাতি সংকট, রোগীদের ভোগান্তি  

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৬:২০:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ জুলাই ২০২৫
প্রায় দুই লাখ জনসংখ্যার বসবাস রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলায়। ৪ টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার জন্য রয়েছে একটি মাত্র ৫০ শয্যার হাসপাতাল। অকার্যকর যন্ত্রপাতি, চিকিৎসক সংকট ও নানাবিধ সমস্যায় জর্জরিত ৫০ শয্যার এ হাসপাতাল। রোগী আছে চিকিৎসক নেই এভাবেই চলছে স্বাস্থ্যসেবা।
এ অবস্থায় চিকিৎসা নিতে আসা লোকজন নানা ধরনের শিকার হচ্ছেন। হাসপাতালের এক্সরে মেশিন অনেক আগেই বিকল হয়ে পড়ে আছে। নেই কোন টেকনিশিয়ান। বাড়তি টাকা খরচ করে রোগীদের প্রাইভেট ক্লিনিক থেকে এক্সরে করাতে হচ্ছে  ছোটখাটো অস্ত্রোপচারের জন্য রোগীদের যেতে হয় সদর হাসপাতাল কিংবা প্রাইভেট ক্লিনিকে।
একাধিক রোগীরা অভিযোগ করে বলেন, জ্বর কাশি ঠান্ডা, ডায়রিয়া রোগ ছাড়া অন্য কোন রোগী হাসপাতালে আসলে তাকে সরাসরি ফরিদপুর মেডিকেল হাসপাতালে যেতে বলে। আমাদের এই উপজেলা নদী ভাঙ্গন এলাকা। গরিব মানুষের বসবাস এখানে বেশি। আমরা ফরিদপুর কিংবা বেসরকারি হাসপাতালে ডাক্তার দেখাতে গেলে খরচের সাথে পেরে উঠি না। আমাদের এই হাসপাতালে ডাক্তার বাড়ানো ও চিকিৎসার সকল সরঞ্জাম খুবই প্রয়োজন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গাইনি, চক্ষু, কার্ডিওলজি, অর্থপেডিক্স, শিশু, ইএনটি,মেডিসিন, চর্ম ও যৌন, এমও,হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা , এর মধ্য থেকে অনেক চিকিৎসা এই উপজেলার মানুষ পায় না। সমস্যা প্রয়োজনীয় চিকিৎসক সংকট।
ডাক্তার মোঃ শরিফুল ইসলাম, আবাসিক মেডিকেল অফিসার গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স তিনি জানান, এ উপজেলার মানুষের প্রয়োজনীয়  চিকিৎসা সেবার জন্যে হাসপাতালে বেশ কিছু চিকিৎসা বাড়ানো প্রয়োজন। তাছাড়া চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম জরুরিভাবে প্রয়োজন এক্স রে মেশিনের জন্য ফিক্সার ,
অতিরিক্ত কিছু বেড,পালস অক্সিমিটার সহ অনেক কিছু।